পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজারে ভয়াবহ বন্যায় এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন অর্ধলক্ষাধিক মানুষ। দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্যার ফলে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ৫৬ হাজারেরও বেশি মানুষ। বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে তুরস্কভিত্তিক বার্তাসংস্থা আনাদোলু।
নাইজারের সিভিল প্রটেকশন অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, চলমান বন্যায় ৩৩৯টি মহল্লা ও গ্রামে মোট ৭ হাজার ৭৫৪টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অধিদপ্তরের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, নিহতদের মধ্যে ৩০ জন ঘরবাড়ি ধসে এবং বাকি ১৭ জন পানিতে ডুবে মারা গেছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও ৭০ জন এবং বন্যার পানিতে মারা গেছে ২৫৭টি গবাদিপশু।
বন্যা মোকাবিলায় গঠিত জাতীয় কমিটি জানিয়েছে, তারা ইতোমধ্যে জরুরি ভিত্তিতে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ৩ হাজার ৭৭৬টি পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও ব্যক্তিদের সহায়তায় সরকার ১ হাজার ২০০ কোটি সিএফএ ফ্রাঁ (প্রায় ২১ দশমিক ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) বরাদ্দ করেছে।
আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলোর একটি হলো বন্যা। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে আফ্রিকা মহাদেশে বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন এসেছে, যার ফলে এ অঞ্চলে বন্যার প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি অনুভূত হচ্ছে। শুধু ২০২৪ সালেই, নাইজারের আটটি অঞ্চলে টানা বর্ষণের কারণে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
নাইজারের সিভিল প্রটেকশন অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, চলমান বন্যায় ৩৩৯টি মহল্লা ও গ্রামে মোট ৭ হাজার ৭৫৪টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অধিদপ্তরের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, নিহতদের মধ্যে ৩০ জন ঘরবাড়ি ধসে এবং বাকি ১৭ জন পানিতে ডুবে মারা গেছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও ৭০ জন এবং বন্যার পানিতে মারা গেছে ২৫৭টি গবাদিপশু।
বন্যা মোকাবিলায় গঠিত জাতীয় কমিটি জানিয়েছে, তারা ইতোমধ্যে জরুরি ভিত্তিতে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ৩ হাজার ৭৭৬টি পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও ব্যক্তিদের সহায়তায় সরকার ১ হাজার ২০০ কোটি সিএফএ ফ্রাঁ (প্রায় ২১ দশমিক ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) বরাদ্দ করেছে।
আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলোর একটি হলো বন্যা। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে আফ্রিকা মহাদেশে বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন এসেছে, যার ফলে এ অঞ্চলে বন্যার প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি অনুভূত হচ্ছে। শুধু ২০২৪ সালেই, নাইজারের আটটি অঞ্চলে টানা বর্ষণের কারণে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন