গুলশানের একটি হত্যা মামলায় আসামি হিসেবে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে হাসলেন অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক। এই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম জাকির হোসাইনের আদালত।
বুধবার (২০ আগস্ট) মামলার শুনানিকালে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আদালতকে জানান, “শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখতে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালিয়েছিলেন এ আসামি।” এই কথা শোনার পর কাঠগড়ায় দাঁড়ানো সিদ্দিককে হাসতে দেখা যায়। গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ পাওয়ার পরও তিনি হাসছিলেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই সামিউল ইসলাম গত ১২ আগস্ট সিদ্দিককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছিলেন এবং আদালত আজকের দিনটি (বুধবার) শুনানির জন্য নির্ধারণ করেন। বেলা ১২টা ৩৫ মিনিটে হেলমেট, হাতে হাতকড়া ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরা অবস্থায় সিদ্দিককে আদালতে হাজির করা হয়। তাকে কাঠগড়ায় তোলার পর হেলমেট, হাতকড়া এবং জ্যাকেট খুলে নেওয়া হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন বলেন, “এটি একটি ফার্নিচার কর্মচারী হত্যা মামলা, যার এজাহারনামীয় ২২৩ নম্বর আসামি হলেন সিদ্দিক। বন্য পশুরা যেমন বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে সুন্দর, তেমনি তার থাকার কথা ছিল সংস্কৃতি অঙ্গনে। সেখান থেকে বেরিয়ে তিনি রাজনীতিতে জড়িয়েছেন। হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখতে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালিয়েছেন।”
এই কথা শোনার পর সিদ্দিককে হাসতে দেখা যায়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। বিচারক বলেন, “যেহেতু এজাহারনামীয় আসামি, তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হলো।” এরপরই সিদ্দিককে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত বছরের ১৯ জুলাই গুলশানের সুবাস্তু টাওয়ারের সামনে ফার্নিচার কর্মচারী পারভেজ বেপারী বন্ধুদের সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন। ওই দিন আসামিদের ছোড়া গুলিতে তিনি আহত হন এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পারভেজের বাবা মো. সবুজ গত ২ জুলাই গুলশান থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
এর আগে গত ২৯ এপ্রিল রাজধানীর বেইলি রোড এলাকা থেকে সিদ্দিককে একদল যুবক আটক করে মারধর করে এবং পরে রমনা মডেল থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। এরপর পুলিশ তাকে গুলশান থানায় নিয়ে যায় এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডে পায়। রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এআর/এসকে
বুধবার (২০ আগস্ট) মামলার শুনানিকালে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আদালতকে জানান, “শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখতে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালিয়েছিলেন এ আসামি।” এই কথা শোনার পর কাঠগড়ায় দাঁড়ানো সিদ্দিককে হাসতে দেখা যায়। গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ পাওয়ার পরও তিনি হাসছিলেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই সামিউল ইসলাম গত ১২ আগস্ট সিদ্দিককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছিলেন এবং আদালত আজকের দিনটি (বুধবার) শুনানির জন্য নির্ধারণ করেন। বেলা ১২টা ৩৫ মিনিটে হেলমেট, হাতে হাতকড়া ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরা অবস্থায় সিদ্দিককে আদালতে হাজির করা হয়। তাকে কাঠগড়ায় তোলার পর হেলমেট, হাতকড়া এবং জ্যাকেট খুলে নেওয়া হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন বলেন, “এটি একটি ফার্নিচার কর্মচারী হত্যা মামলা, যার এজাহারনামীয় ২২৩ নম্বর আসামি হলেন সিদ্দিক। বন্য পশুরা যেমন বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে সুন্দর, তেমনি তার থাকার কথা ছিল সংস্কৃতি অঙ্গনে। সেখান থেকে বেরিয়ে তিনি রাজনীতিতে জড়িয়েছেন। হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখতে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালিয়েছেন।”
এই কথা শোনার পর সিদ্দিককে হাসতে দেখা যায়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। বিচারক বলেন, “যেহেতু এজাহারনামীয় আসামি, তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হলো।” এরপরই সিদ্দিককে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত বছরের ১৯ জুলাই গুলশানের সুবাস্তু টাওয়ারের সামনে ফার্নিচার কর্মচারী পারভেজ বেপারী বন্ধুদের সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন। ওই দিন আসামিদের ছোড়া গুলিতে তিনি আহত হন এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পারভেজের বাবা মো. সবুজ গত ২ জুলাই গুলশান থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
এর আগে গত ২৯ এপ্রিল রাজধানীর বেইলি রোড এলাকা থেকে সিদ্দিককে একদল যুবক আটক করে মারধর করে এবং পরে রমনা মডেল থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। এরপর পুলিশ তাকে গুলশান থানায় নিয়ে যায় এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডে পায়। রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এআর/এসকে