ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) একমাত্র নারী ভিপি মাহফুজা খানম মারা গেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
মঙ্গলবার (১২ জুলাই) সকালে অসুস্থবোধ করায় তাঁকে পান্থপথের হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
মাহফুজা খানম ঢাকার ইন্দিরা রোডে স্বামী সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদের সঙ্গে থাকতেন। মাহফুজা-শফিক দম্পতির দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বড় ছেলে ও মেয়ে পেশায় চিকিৎসক। ছোট ছেলে মাহবুব শফিক একজন আইনজীবী।
মাহবুব শফিক গণমাধ্যমকে বলেন, তাঁর মা আজ বেলা ১১টার দিকে শরীরচর্চার জন্য বের হয়েছিলেন। পথে অসুস্থ বোধ করেন। হাসপাতালে নেওয়ার পর তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাদ আসর ইন্দিরা রোডের বাসায় বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মাহফুজা খানমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য আগামীকাল বুধবার তাঁর মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হবে। সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত শ্রদ্ধা জানানো যাবে। শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য দুপুর ১২টায় নেওয়া হবে ডাকসু ভবনে। বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জানাজা হবে। জানাজা শেষে তাঁকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে।
মাহফুজা খানম জাতীয় শিশু–কিশোর সংগঠন কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের চেয়ারপারসন ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর উপদেষ্টা ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী।
মাহফুজা খানম ১৯৬৬-৬৭ ডাকসু নির্বাচনে ছাত্র ইউনিয়নের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ভিপি হয়েছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১৯৬৬ সালে স্নাতক ও পরের বছর স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
এরপর ১৯৬৮ সালে লন্ডনের সাসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তি পেলেও রাজনৈতিক কারণে তখন তাঁকে পাসপোর্ট দেয়নি পাকিস্তান সরকার। বিভিন্ন সরকারি কলেজে শিক্ষকতা করা মাহফুজা খানম মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্যও ছিলেন তিনি। মাহফুজা খানম বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।
শিক্ষায় বিশেষ অবদান রাখায় ২০২১ সালে একুশে পদক পান অধ্যাপক মাহফুজা। নারী শিক্ষায় অবদান রাখায় তিনি বেগম রোকেয়া পদক পান।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন/এসকে
মঙ্গলবার (১২ জুলাই) সকালে অসুস্থবোধ করায় তাঁকে পান্থপথের হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
মাহফুজা খানম ঢাকার ইন্দিরা রোডে স্বামী সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদের সঙ্গে থাকতেন। মাহফুজা-শফিক দম্পতির দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বড় ছেলে ও মেয়ে পেশায় চিকিৎসক। ছোট ছেলে মাহবুব শফিক একজন আইনজীবী।
মাহবুব শফিক গণমাধ্যমকে বলেন, তাঁর মা আজ বেলা ১১টার দিকে শরীরচর্চার জন্য বের হয়েছিলেন। পথে অসুস্থ বোধ করেন। হাসপাতালে নেওয়ার পর তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাদ আসর ইন্দিরা রোডের বাসায় বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মাহফুজা খানমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য আগামীকাল বুধবার তাঁর মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হবে। সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত শ্রদ্ধা জানানো যাবে। শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য দুপুর ১২টায় নেওয়া হবে ডাকসু ভবনে। বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জানাজা হবে। জানাজা শেষে তাঁকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে।
মাহফুজা খানম জাতীয় শিশু–কিশোর সংগঠন কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের চেয়ারপারসন ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর উপদেষ্টা ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী।
মাহফুজা খানম ১৯৬৬-৬৭ ডাকসু নির্বাচনে ছাত্র ইউনিয়নের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ভিপি হয়েছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ থেকে ১৯৬৬ সালে স্নাতক ও পরের বছর স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
এরপর ১৯৬৮ সালে লন্ডনের সাসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তি পেলেও রাজনৈতিক কারণে তখন তাঁকে পাসপোর্ট দেয়নি পাকিস্তান সরকার। বিভিন্ন সরকারি কলেজে শিক্ষকতা করা মাহফুজা খানম মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্যও ছিলেন তিনি। মাহফুজা খানম বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।
শিক্ষায় বিশেষ অবদান রাখায় ২০২১ সালে একুশে পদক পান অধ্যাপক মাহফুজা। নারী শিক্ষায় অবদান রাখায় তিনি বেগম রোকেয়া পদক পান।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন/এসকে