কোনো নির্বাচনী আসনে অনিয়ম বা জালিয়াতি প্রমাণিত হলে ঐ আসনের পুরো নির্বাচনের ফলাফল বাতিল ঘোষণা করার ক্ষমতা ফিরে পেয়েছে নির্বাচন কমিশন।
সোমবার (১১ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে মূলতবি কমিশন সভা শেষে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ভোট সংক্রান্ত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নির্বাচনে না ভোট ফিরছে বলেও জানান তিনি।
সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে চারজন কমিশনার- আব্দুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ ও ইসি সচিব আখতার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, নির্বাচনে কোনো অনিয়ম হলে একটি, দুটি অথবা পুরো আসনের ফল নির্বাচন কমিশন চাইলে বাতিল করতে পারবে। এ ছাড়া ফলাফল ঘোষণার সময় সাংবাদিকরা থাকতে পারবেন বলে জানান এই নির্বাচন কমিশনার।
ইসি সানাউল্লাহ জানান, কোনো আসনে একজন প্রার্থী থাকলে তাকে না ভোটের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হতে হবে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলাফলে সমান ভোট পেলে লটারির মাধ্যমে নির্ধারণ হবে না। পুনরায় ভোট হবে।
তিনি আরও বলেন, হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দিলে নির্বাচনের পরও তদন্ত করে এমপি পদ বাতিল করতে পারবে কমিশন। নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা ১৪৩টি দলের মধ্যে এনসিপিসহ ২২টি রাজনৈতিক দল প্রাথমিকভাবে টিকেছে। চূড়ান্ত নিবন্ধনের জন্য মাঠ পর্যায়ে তদন্ত করবে কমিশন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) দিনভর আলোচনা হয়, তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক (আরপিও) নিয়েই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি কমিশন।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, আরপিওর মধ্যে এখন থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ইভিএম সংক্রান্ত সকল বিধি বাতিল করা হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
সোমবার (১১ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে মূলতবি কমিশন সভা শেষে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ভোট সংক্রান্ত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নির্বাচনে না ভোট ফিরছে বলেও জানান তিনি।
সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে চারজন কমিশনার- আব্দুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ ও ইসি সচিব আখতার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, নির্বাচনে কোনো অনিয়ম হলে একটি, দুটি অথবা পুরো আসনের ফল নির্বাচন কমিশন চাইলে বাতিল করতে পারবে। এ ছাড়া ফলাফল ঘোষণার সময় সাংবাদিকরা থাকতে পারবেন বলে জানান এই নির্বাচন কমিশনার।
ইসি সানাউল্লাহ জানান, কোনো আসনে একজন প্রার্থী থাকলে তাকে না ভোটের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হতে হবে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলাফলে সমান ভোট পেলে লটারির মাধ্যমে নির্ধারণ হবে না। পুনরায় ভোট হবে।
তিনি আরও বলেন, হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দিলে নির্বাচনের পরও তদন্ত করে এমপি পদ বাতিল করতে পারবে কমিশন। নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা ১৪৩টি দলের মধ্যে এনসিপিসহ ২২টি রাজনৈতিক দল প্রাথমিকভাবে টিকেছে। চূড়ান্ত নিবন্ধনের জন্য মাঠ পর্যায়ে তদন্ত করবে কমিশন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) দিনভর আলোচনা হয়, তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক (আরপিও) নিয়েই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি কমিশন।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, আরপিওর মধ্যে এখন থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ইভিএম সংক্রান্ত সকল বিধি বাতিল করা হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে