মাদারীপুরে চোর সন্দেহে তিন যুবককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী। এ সময় একজনের দু’চোখ তুলে ফেলার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার (৯ আগস্ট) দিবাগত রাত ৩টার দিকে সদর উপজেলার শিরখাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম মাঠ বাঘাবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় একই এলাকার ওয়াজেদ শেখের ছেলে জাকির শেখকে (৫০) ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। বাকি দুজন হলেন- পশ্চিম মাঠ বাঘাবাড়ি এলাকার আলতা মাতুব্বরের ছেলে ইসরাফিল মাতুব্বর (৪০) ও শ্রীনদী রায়েরকান্দি গ্রামের সিরাজ শিকদারের ছেলে বাবুল শিকদার (২৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, চুরি-ডাকাতি রোধে সদরের ‘পশ্চিম মাঠ বাঘাবাড়ি’ এলাকায় নিয়মিত পাহারার অংশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে স্থানীয় যুব সমাজ। শনিবার মধ্যরাতে ওই এলাকায় তিন যুবকের রহস্যজনক চলাফেরা দেখতে পেয়ে ধাওয়া দেন পাহারাদাররা। এক পর্যায়ে তিন যুবককে আটক করে গণপিটুনি দেয়া হয়। এ সময় জাকির শেখ নামে এক যুবকের দুচোখ উৎপাটনের চেষ্টা করেন বিক্ষুব্ধরা।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আটক তিনজনকে হেফাজতে নেয় সদরের শ্রীনদী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক বেল্লাল হোসেন ও তার সহকর্মীরা। পরে আটকদের পাঠানো হয় সদর মডেল থানায়।
তাদের মধ্যে গুরুতর জাকির শেখকে প্রথমে ভর্তি করা হয় মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জাকিরকে পাঠানো হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। বাকি দুজন রয়েছেন সদর মডেল থানা পুলিশের হেফাজতে।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আদিল হোসেন জানান, এ ঘটনার তদন্ত চলছে। মামলা রেকর্ড করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন/এসকে
আশঙ্কাজনক অবস্থায় একই এলাকার ওয়াজেদ শেখের ছেলে জাকির শেখকে (৫০) ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। বাকি দুজন হলেন- পশ্চিম মাঠ বাঘাবাড়ি এলাকার আলতা মাতুব্বরের ছেলে ইসরাফিল মাতুব্বর (৪০) ও শ্রীনদী রায়েরকান্দি গ্রামের সিরাজ শিকদারের ছেলে বাবুল শিকদার (২৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, চুরি-ডাকাতি রোধে সদরের ‘পশ্চিম মাঠ বাঘাবাড়ি’ এলাকায় নিয়মিত পাহারার অংশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে স্থানীয় যুব সমাজ। শনিবার মধ্যরাতে ওই এলাকায় তিন যুবকের রহস্যজনক চলাফেরা দেখতে পেয়ে ধাওয়া দেন পাহারাদাররা। এক পর্যায়ে তিন যুবককে আটক করে গণপিটুনি দেয়া হয়। এ সময় জাকির শেখ নামে এক যুবকের দুচোখ উৎপাটনের চেষ্টা করেন বিক্ষুব্ধরা।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আটক তিনজনকে হেফাজতে নেয় সদরের শ্রীনদী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক বেল্লাল হোসেন ও তার সহকর্মীরা। পরে আটকদের পাঠানো হয় সদর মডেল থানায়।
তাদের মধ্যে গুরুতর জাকির শেখকে প্রথমে ভর্তি করা হয় মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জাকিরকে পাঠানো হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। বাকি দুজন রয়েছেন সদর মডেল থানা পুলিশের হেফাজতে।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আদিল হোসেন জানান, এ ঘটনার তদন্ত চলছে। মামলা রেকর্ড করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন/এসকে