​বর্ষায় জমজমাট নৌকার হাট

আপলোড সময় : ০৮-০৮-২০২৫ ০৩:১৪:২৬ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৮-০৮-২০২৫ ০৩:১৪:২৬ অপরাহ্ন
জমে উঠেছে মানিকগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী ঘিওরের নৌকার হাট। ক্রেতারা দাম বেশির অভিযোগ করলে বিক্রেতাদের দাবি, উপকরণেরই দাম বেশি। ক্রেতা-বিক্রেতায় মুখর ২০০ বছরের পুরোনো এই হাটের অব্যবস্থাপনা দূর করার দাবি ইজারাদার ও ব্যবসায়ীদের। দুইশো বছরের ঐতিহ্যবাহী মানিকগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী ঘিওরের সাপ্তাহিক নৌকার হাট। নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে এ হাটে বেড়েছে নৌকা বেচাকেনা। সকালে বিভিন্ন ছোট ছোট যানবাহনে ডিঙি নৌকা নিয়ে হাটে আসেন কাঠমিস্ত্রি ও ব্যবসায়ীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্রেতা ও বিক্রেতায় জমে ওঠে হাট।

আকার ও টেকসই অনুসারে বর্তমানে একেকটি ডিঙি নৌকা বিক্রি হচ্ছে ২ থেকে ৯ হাজার টাকায়। ক্রেতারা বলছেন, পানি বৃদ্ধির সঙ্গে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ডিঙি নৌকা। প্রতিটি ডিঙি নৌকাও অন্তত ৫০০ টাকা বেশি চাওয়া হচ্ছে।
তবে বিক্রেতাদের দাবি, কাঠ, লোহাসহ অন্যান্য উপকরণের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বেড়েছে মিস্ত্রির মজুরিও। ফলে নৌকার দামও কিছুটা বেড়েছে। এই হাটে নৌকা কিনতে টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জসহ আশপাশের জেলা থেকেও আসেন ক্রেতারা। এতে জায়গা সংকটে হাট বসানো হচ্ছে ঈদগাঁহ ও কলেজ মাঠে। রয়েছে নানা অব্যবস্থাপনার অভিযোগও।মানিকগঞ্জের ঘিওর নৌকার হাটের ইজারাদার মনির উদ্দিন বলেন, হাটের জন্য নির্দিষ্ট কোনো স্থান বরাদ্দ নেই। তাই ঈদগাঁহ মাঠে নৌকা এনে বেচাকেনা করা হচ্ছে। নেই সুপেয় পানি ও পয়ঃনিষ্কাশনের ব্যবস্থাও। সংশ্লিষ্টরা জানান, মানিকগঞ্জের ঘিওরের নৌকার হাটে প্রতি বুধবার ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার নৌকা বেচাকেনা হয়।

বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
 

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :