​শ্বাসরোধে হত্যার পর পানিতে ফেলা হয় ইবি শিক্ষার্থী সাজিদকে

আপলোড সময় : ০৩-০৮-২০২৫ ০৮:১২:৪১ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৩-০৮-২০২৫ ০৮:১২:৪১ অপরাহ্ন
পানিতে ফেলার আগেই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আল কোরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাজিদ আবদুল্লাহকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে ফরেনসিক প্রতিবেদনে জানা গেছে।
 
রোববার (০৩ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে সাজিদ আব্দুল্লাহর মৃত্যুর ভিসেরা রিপোর্টে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। রিপোর্টে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ পুলিশ সি আই ডি মহাখালীর রাসায়নিক পরীক্ষাগারের প্রধান নজরুল ইসলাম ও খুলনা বিভাগীয় পরীক্ষক জনি কুমার ঘোষ।

ভিসেরা প্রতিবেদন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গঠিত ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ফরেনসিক রিপোর্ট অনুযায়ী, সাজিদ আবদুল্লাহকে প্রথমে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এরপরে তার মৃতদেহ পানিতে ফেলা হয় এবং সাজিদের মৃত্যু ময়নাতদন্তের ৩০ ঘণ্টা আগে অর্থাৎ ১৭ তারিখ দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে হয়েছে বলেও চূড়ান্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৭ জুলাই বিকাল আনুমানিক সাড়ে ছয়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আজিজুর রহমান হলের পুকুর থেকে সাজিদের মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়। এরপর থেকে সাজিদের রহস্যজনক মৃত্যুতে তদন্তের দাবিতে বিক্ষোভ করে আসছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

গত ১৭ জুলাই (বৃহস্পতিবার) বিকেলে শাহ আজিজুর রহমান হলের (সাবেক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হল) পুকুর থেকে সাজিদের লাশ ভাসতে দেখা গেলে পরে উদ্ধার করেন একদল শিক্ষার্থী। তার পরিবার ও সহপাঠীরা বলছেন, সাজিদ হত্যার শিকার হয়েছেন।

সাজিদ আবদুল্লাহর লাশের প্রাথমিক ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়টি ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়ে। ক্যাম্পাসে আবারও বিক্ষোভ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস আটকে যায়। এ সময় শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে ক্যাম্পাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন, ছাত্র ইউনিয়ন, বাংলাদেশ জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়াসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন।

বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :