অ্যাডলফ খান। বাংলাদেশের একজন কোরিওগ্রাফার। তাই দেশের শোবিজ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা যায়। তাঁর সাজ পোশাক আর দশ জনের চেয়ে আলাদা হওয়ায় সহজেই সবার দৃষ্টি কাড়েন তিনি।
সম্প্রতি অ্যাডলফকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত তাঁর কয়েকটি ছবির কারণে। সেসব ছবির ক্যাপশনে বলা হচ্ছে, তিনি দেশের সবচেয়ে সুদর্শন পুরুষের অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন!
আসলে কি তাই? না। আসল ঘটনা হচ্ছে, সম্প্রতি সেরা স্টাইলিশ ফ্যাশন ডিরেক্টর হিসেবে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন অ্যাডলফ। কিন্তু সেটা সুদর্শন পুরুষের অ্যাওয়ার্ড বলে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় বিরক্ত এই কোরিওগ্রাফার। এ বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্টা করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন তিনি।
অ্যাডলফ খান ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আমি একজন শিক্ষিত-সচেতন-স্পষ্টভাষী মানুষ! আমি কখনো কোথাও বলিনি আমি দেশের সবচেয়ে সুদর্শন। তবে হ্যাঁ, আমি আল্লাহ প্রদত্ত বিশেষ মেধাসম্পন্ন একজন। আল্লাহ আমাকে জ্ঞান-বুদ্ধি-ব্যক্তিত্ব, সরলতা, উদারতা, অন্যকে সম্মান ও ভালোবাসা দেয়ার ক্ষমতা দিয়ে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। আমাকে নিয়ে তর্ক বিতর্ক না করে, মাথা খাটিয়ে ভাবুন, আমি কখনো কোথাও এমন কোনো কথা বলতে পারি কিনা!’
তিনি বলেন, ‘কখনো কেউ বলতে পারবে না, মুখে হাসি ছাড়া আমি কারো সাথে কথা বলেছি। ভালোবাসা না ছড়িয়ে বিদায় নিয়েছি। আপনারা নিশ্চয়ই কম বেশি আমার সাক্ষাতকারের সাথে পরিচিত। আমাকে সেরা স্টাইলিশ ফ্যাশন ডিরেক্টর হিসেবে অ্যাওয়ার্ড দেয়া হয়েছে। কোনো সুন্দর প্রতিযোগিতার সেরা সুদর্শন হিসেবে নয়। আমি বরাবর ব্যতিক্রম, সবার মতো নই। কারো মতো হবো না বলেই শুধুমাত্র এডলফ খানই হতে চেয়েছি। যারা ভুল সংবাদ ছড়ালেন, আমার বাবার অসুস্থতার সময় আমাকে বিব্রত বিরক্ত করলেন, জোর করে আমাকে ট্রেন্ডিংয়ে আনলেন, তারা আসলে কি চেয়েছিলেন? উপকার নাকি অপকার...? বিবেক, ক্ষমা... এই শব্দ দুইটির সাথে নিশ্চয়ই আপনারা পরিচিত।’
অ্যাডলফ খান মিডিয়াতে কাজ শুরু করেন ২০০৮ সালে, র্যাম্প মডেল বুলবুল টুম্পার একটি গ্রুমিং স্কুলের মাধ্যমে। এরপর র্যাম্প মডেল হিসেবে কাজের পাশাপাশি চিত্রনায়িকা নিপুণের ছবিতে স্টাইল ডিজাইনার হিসেবেও কাজ করছেন তিনি।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
সম্প্রতি অ্যাডলফকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত তাঁর কয়েকটি ছবির কারণে। সেসব ছবির ক্যাপশনে বলা হচ্ছে, তিনি দেশের সবচেয়ে সুদর্শন পুরুষের অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন!
আসলে কি তাই? না। আসল ঘটনা হচ্ছে, সম্প্রতি সেরা স্টাইলিশ ফ্যাশন ডিরেক্টর হিসেবে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন অ্যাডলফ। কিন্তু সেটা সুদর্শন পুরুষের অ্যাওয়ার্ড বলে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় বিরক্ত এই কোরিওগ্রাফার। এ বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্টা করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন তিনি।
অ্যাডলফ খান ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আমি একজন শিক্ষিত-সচেতন-স্পষ্টভাষী মানুষ! আমি কখনো কোথাও বলিনি আমি দেশের সবচেয়ে সুদর্শন। তবে হ্যাঁ, আমি আল্লাহ প্রদত্ত বিশেষ মেধাসম্পন্ন একজন। আল্লাহ আমাকে জ্ঞান-বুদ্ধি-ব্যক্তিত্ব, সরলতা, উদারতা, অন্যকে সম্মান ও ভালোবাসা দেয়ার ক্ষমতা দিয়ে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। আমাকে নিয়ে তর্ক বিতর্ক না করে, মাথা খাটিয়ে ভাবুন, আমি কখনো কোথাও এমন কোনো কথা বলতে পারি কিনা!’
তিনি বলেন, ‘কখনো কেউ বলতে পারবে না, মুখে হাসি ছাড়া আমি কারো সাথে কথা বলেছি। ভালোবাসা না ছড়িয়ে বিদায় নিয়েছি। আপনারা নিশ্চয়ই কম বেশি আমার সাক্ষাতকারের সাথে পরিচিত। আমাকে সেরা স্টাইলিশ ফ্যাশন ডিরেক্টর হিসেবে অ্যাওয়ার্ড দেয়া হয়েছে। কোনো সুন্দর প্রতিযোগিতার সেরা সুদর্শন হিসেবে নয়। আমি বরাবর ব্যতিক্রম, সবার মতো নই। কারো মতো হবো না বলেই শুধুমাত্র এডলফ খানই হতে চেয়েছি। যারা ভুল সংবাদ ছড়ালেন, আমার বাবার অসুস্থতার সময় আমাকে বিব্রত বিরক্ত করলেন, জোর করে আমাকে ট্রেন্ডিংয়ে আনলেন, তারা আসলে কি চেয়েছিলেন? উপকার নাকি অপকার...? বিবেক, ক্ষমা... এই শব্দ দুইটির সাথে নিশ্চয়ই আপনারা পরিচিত।’
অ্যাডলফ খান মিডিয়াতে কাজ শুরু করেন ২০০৮ সালে, র্যাম্প মডেল বুলবুল টুম্পার একটি গ্রুমিং স্কুলের মাধ্যমে। এরপর র্যাম্প মডেল হিসেবে কাজের পাশাপাশি চিত্রনায়িকা নিপুণের ছবিতে স্টাইল ডিজাইনার হিসেবেও কাজ করছেন তিনি।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে