ঢাকা , শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬ , ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​রক্ষণাবেক্ষণ শেষে গ্যাস সরবরাহ শুরু সামিট এলএনজি টার্মিনালের

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ০৭-১১-২০২৬ ০৬:২৮:০৩ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ০৭-১১-২০২৬ ০৬:২৮:০৩ অপরাহ্ন
​রক্ষণাবেক্ষণ শেষে গ্যাস সরবরাহ শুরু সামিট এলএনজি টার্মিনালের ​ছবি: সংগৃহীত
কক্সবাজারের মহেশখালীতে সামিট এলএনজি টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষে প্রায় চার দিন পর আবারও জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর ১টা থেকে টার্মিনালটিতে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসকে (এলএনজি) গ্যাসে রূপান্তরের কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে পেট্রোবাংলার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ হওয়ায় মহেশখালীর দুটি এলএনজি টার্মিনাল থেকেই আগের মতো জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।

এ সময় সহযোগিতার জন্য গ্রাহকদের ধন্যবাদ জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।

এর আগে সামিট এলএনজি টার্মিনালে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকাল ৪টা পর্যন্ত গ্যাস রূপান্তরের কার্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছিল সংস্থাটি।

ওই সময় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ ২ হাজার ৫৭০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে কমে ২ হাজার ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে নামতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল।

রক্ষণাবেক্ষণ শুরুর আগে চার দিন সারাদেশে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে গুজব আখ্যা দিয়েছিল পেট্রোবাংলা।

সংস্থাটি জানিয়েছিল, রক্ষণাবেক্ষণের কারণে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হবে না। তবে কোনো কোনো এলাকায় সাময়িকভাবে গ্যাসের চাপ কম থাকতে পারে।

দেশে আমদানি করা এলএনজি সরবরাহের জন্য মহেশখালীতে দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে। একটি পরিচালনা করে সামিট গ্রুপ, অন্যটি যুক্তরাষ্ট্রের এক্সিলারেট এনার্জি।

সামিটের টার্মিনালের গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা দিনে ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট। আর এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের সক্ষমতা ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট।

এর আগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরেও সামিটের টার্মিনালে একই ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।

বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ