শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে উত্তাল মিরপুর, বন্ধ মেট্রোরেলের দুটি স্টেশন
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
০৩-১১-২০২৬ ১১:৪৭:১০ পূর্বাহ্ন
আপডেট সময় :
০৩-১১-২০২৬ ১২:৩৮:১৫ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত
ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর মিরপুরে শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে পুরো এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে মিরপুর–১০ ও মিরপুর–১১ মেট্রোরেল স্টেশনে ট্রেন থামা বন্ধ হয়ে গেছে। এই দুটি স্টেশনে মেট্রোরেল থামছে না।
তবে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ট্রেন চলাচল করছে। অন্যান্য স্টেশনে যাত্রী ওঠানামা স্বাভাবিক আছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল থেকে মিরপুর-১১ নম্বর এলাকায় সড়কে নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন পোশাক শ্রমিকেরা। একপর্যায়ে তাঁদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও শ্রমিকদের মধ্যে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
শ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে চলমান এ আন্দোলন আজ টানা চতুর্থ দিনে গড়িয়েছে। আন্দোলনকে কেন্দ্র করে মিরপুর-১১ নম্বর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
এদিকে সংঘর্ষের কারণে যাত্রীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় মিরপুর–১০ ও মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে এমআরটি পুলিশের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। নিয়ন্ত্রণকক্ষ জানায়, সকাল থেকেই মিরপুর-১১ নম্বর এলাকায় পোশাক শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরিস্থিতি সহিংস রূপ নেওয়ায় মেট্রোরেলের যাত্রী ও স্টেশনের নিরাপত্তার স্বার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে মিরপুর–১০ ও মিরপুর-১১ নম্বর স্টেশনে কোনো ট্রেন থামছে না। যাত্রী ওঠানামাও বন্ধ রয়েছে। তবে মেট্রোরেলের অন্য স্টেশনগুলোতে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে স্টেশন দুটি আবার চালু করা হবে বলে জানিয়েছে এমআরটি পুলিশের নিয়ন্ত্রণকক্ষ।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স