ঢাকা , সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬ , ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদকের ভয়াল থাবা

মায়ের খুন ও বাবার জেল, অবুঝ ২ শিশুর অনিশ্চিত জীবন

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ০২-১১-২০২৬ ০৪:০৬:৪০ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ০২-১১-২০২৬ ০৪:০৬:৪০ অপরাহ্ন
মায়ের খুন ও বাবার জেল, অবুঝ ২ শিশুর অনিশ্চিত জীবন ফাইল ছবি
আরশ ও আয়াত দুই ভাই। আব্দুল্লাহ আল আরশের বয়স এক বছর দুইমাস আর আব্দুর রহমান আয়াতের বয়স চার বছর । শিশু দুটির পরিবারে একসময় ছিল মা-বাবার স্নেহ, বাবা-মায়ের কাছে ছিল সন্তানদের হাসি আর একসঙ্গে বেঁচে থাকার স্বপ্ন। কিন্তু মাদকের ভয়াল থাবায় মুহূর্তেই তছনছ হয়ে গেছে সেই সংসার। মাদকাসক্ত স্বামীর হাতে প্রাণ গেছে স্ত্রীর। হত্যার ঘটনায় স্বামী এখন কারাগারে। আর তাদের অবুঝ দুটি সন্তান বেড়ে উঠছে বিধবা নানির কাছে। 

যে বয়সে মায়ের আঁচল আর বাবার হাত ধরে বড় হওয়ার কথা, সেই বয়সেই তারা হারিয়েছে পৃথিবীর দুজন আপন মানুষকে। নিষ্পাপ এ শিশু দুটির শৈশবজুড়ে এখন মার্তৃ মমতার হাহাকার, অনিশ্চয়তা আর একরাশ শূন্যতা।

শিশু আয়াত-আরশ পলাশবাড়ি উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের শালমারা গ্রামের সিয়াম আল মুরসালিন আকাশ ও আল মায়িদা আক্তার দম্পতির সন্তান। গত ১০ সেপ্টেম্বর বিকেলে মাদকাসক্ত সিয়ামের হাতে খুন হন স্ত্রী মায়িদা। পুলিশ সিয়ামকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। তখন থেকেই শিশু দুটি সাদুল্লাপুর উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের ইদিলপুর গ্রামে তার বিধবা নানী রহিমা বেগমের কাছে বেড়ে উঠছে।

সরেজমিনে গেল বুধবার বিকেলে সাদুল্লাপুরের ওই গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির উঠানে প্রতিবেশী এক শিশুর সঙ্গে খেলছে আরশ। খেলার শিশুটির খেলার ব্যস্ততায় ভুলে থাকা মাকে কেউ স্বরণ করিয়ে দিলে কিংবা জিজ্ঞেস করলেই সে খুঁজে ফেরে মা-বাবাকে। 

এ সময় তোমার আব্বু-আম্মু কোথায় জিজ্ঞেস করলে, আয়াত জানায়, তার মাকে খুনি খুন করেছে। তার মা আর আসবে না। তার বাবাকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে।

এসবের মাঝেই সেখানে সমবয়সী দুটি শিশু বাচ্চাকে কোলে নিয়ে হাজির হন এক নারী যার নাম মেঘনা। মেঘনা বেগম হত্যার শিকার মায়িদার মামাতো ভাইয়ের স্ত্রী। মায়িদার প্রাণ হারানোর দিন থেকেই তার বুকের দুধ খেয়ে বেড়ে উঠছে শিশু আরশ। যেন দ্বিতীয় মা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন মেঘনা বেগম।

নিহত মায়িদার পরিবার, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ বছর আগে প্রেমের সম্পর্কে বিয়ে করে সিয়াম আল মুরসালিন ও আল মায়িদা। ধনাট্য পরিবারের ছেলে হওয়ায় আগে থেকেই নেশা (মাদক সেবক) করত সিয়াম। বিয়ের পর কারণে-অকারণে স্ত্রী মায়িদার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন সিয়াম। নির্যাতনের কারণে একসময় মায়িদাকে বাবার বাড়িতে নিয়ে যায় পরিবার। সবশেষ ১০ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে সিয়াম মায়িদাকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝোলায়। পরে নিজের মাকিলাকানাধীন প্রাইভেটকার ড্রাইভ করে মায়িদাকে পলাশবাড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে জানান। এমন পরিস্থিতে বেপরোয়াগতিতে প্রাইভেটকার চালিয়ে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। এ সময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা তাকে আটকের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। পরে মরদেহ উদ্ধার করে পরদিন (১১ সেপ্টেম্বর) ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। সেদিন বাদ আছর জানাজা শেষে সাদুল্লাপুরে বাবার বাড়িতে তার দাফন হয়।

এদিকে হাসপাতাল থেকে সন্তানদের নিয়ে পালিয়ে সিয়াম তার নিজের বাড়িতে গেলে স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পরে পলাশবাড়ি থানা পুলিশ তাকে আটক করে। এ ঘটনায় নিহত আল মায়িদার মা রহিমা বেগম বাদী হয়ে জামাতা সিয়ামকে একমাত্র নামীয় আসামি এবং অজ্ঞাতনামা দুই থেকে তিনজনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে সিয়ামকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। সেদিন থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। সিয়ামেরও বাবা-মা কেউই নেই, মারা গেছেন। একমাত্র বোন প্রবাসে বসবাস করছেন।

এ বিষয়ে সেদিন জরুরি বিভাগে দায়িত্বে থাকা পলাশবাড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত মেডিকেল অফিসার ডা. শামা তাবাসসুম জানান, হাসপাতালে আসার আগেই মৃত্যু হয়েছিল মায়িদার। মৃতের গলায় আঘাতের চিহ্ন ছিল।

মায়িদার চাচা মাজেদুর রহমানের অভিযোগ, ঘটনার দিন বিকেলে নিজের বাড়িতে অন্য মেয়ে নিয়ে মাদক সেবনের সময় আপত্তি জানায় মায়িদা। এর জেরেই তাকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়। 

তিনি বলেন, সিয়ামের বাড়িতে মাদক সেবনের জন্য আলাদা রুম আছে। সেখানে বন্ধুদের নিয়ে নিয়মিত মাদক সেবন করত সে। কিন্তু সেদিন একাধিক বন্ধু এবং এক নারীসহ মাদক সেবন করা হয়। এর আগে বন্ধুদের নিয়ে মাদক সেবন করলেও তা সহ্য করে গেছে মায়িদা। কিন্তু সেদিন বিকেলে নারী নিয়ে মাদক সেবনে আপত্তি জানায় ভাতিজি। এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা এবং পরে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। হত্যার পর মরদেহ ফ্যানের সঙ্গে ঝোলানো হয় বলেও অভিযোগ তার। তিনি বলেন, হত্যার সময়কার সব ঘটনা তাদের চার বছরের শিশু আয়াত দেখেছে। পরে পুলিশের কাছেও সব জানিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

মায়িদার মা রহিমা বেগম বলেন, মায়িদার বয়স যখন তিন মাস সাত দিন তখন আমি স্বামীকে হারাই। এর পরে অনেক কষ্ট করে একাধিক পেশায় কাজ করে আমার দুই ছেলে-মেয়েকে বড় করেছি। মেয়েটা আমার মেধাবী ছিল। যখন ওকে পালিয়ে নিয়ে বিয়ে করে তখন ও প্রাপ্ত বয়স্ক ছিল না। আমরা অনেক চেষ্টা করেছিলাম ফেরানোর কিন্তু পারিনি।

এ সময় ছোট্ট শিশু দুটির দিকে তাকিয়ে হাউমাউ করে কাঁদতে থাকেন তিনি। বলেন, বিয়ের পর থেকেই মেয়েটাকে নির্যাতন করা হতো। মেয়েটা শুধু বলতো এক দিন ভালো হবে মা। আজ জীবনটাই নিয়ে নিলো। আরশ মাঝে মাঝে বলে আম্মু খেলনা নিয়ে আসবে কখন? আবার বলে কবরে গেছে আর আসবে না। এ সময় খুনির দ্রুত ফাঁসির দাবি জানিয়ে বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে পুলিশের ভূমিক নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

শিশু আরশকে নিজের বুকের দুধ খাইয়ে দেখভাল করছেন মেঘনা বেগম। তিনি বলেন, শুরুটা অনেক কঠিন ছিল। প্রচণ্ড কান্না আর মা মা বলে চিৎকার করতো। রাতে ঘুমের মধ্যেও মুখে দুধ না নিয়ে হাতরাতো (মাকে খুঁজতো)। কিন্তু এখন ঠিক হয়ে গেছে। তবে, কান্না পেলেই মা মা বলে ডাকে আর এদিক-ওদিক তাকায়, তখন কলিজটা ফেটে যায়। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।

মাদকের নেশায় বিপর্যস্ত পরিবার-সমাজ

পুলিশ ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ সূত্র বলছে, গাইবান্ধার মাদকের বিভৎস ঘটনাগুলোর মধ্যে নেশার টাকা জোগাড় করতে আপনজনের সঙ্গে করা হচ্ছে নিষ্ঠুর আচরণ, খুন করা হয়েছে স্বজনকে, আগুন দেওয়া হয়েছে মায়ের ঘরে। এমনকি ঘটছে শিশু সন্তান বিক্রির মতো একের পর এক ঘটনা। যা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। 

এসব ঘটনার মধ্যে গত ২৮ অক্টোবর সাদুল্লাপুর থেকে মাদকের টাকা জোগাতে ৪০ হাজার টাকায় বাবার বিক্রি করা ১৪ মাস বয়সী এক কন্যাশিশুকে উদ্ধার করে পুলিশ। সুন্দরগঞ্জের চরিতাবাড়ী এলাকার খালেদা বেগম ও আজাহার আলী দম্পতির চার মাস আগে তাদের বিচ্ছেদ হয়। জীবিকার তাগিদে মেয়েকে খালার জিম্মায় রেখে ঢাকা থাকা মায়ের অনুপস্থিতির সুযোগে গত ১ অক্টোবর খালার কাছ থেকে বিস্কুট কিনে দেওয়ার কথা বলে  শিশু আদিবাকে নিয়ে যান বাবা। পরে নোটারি পাবলিকে খালেদা বেগমকে মিথ্যাভাবে ‘মৃত’ দেখিয়ে এফিডেভিট করে ৪০ হাজার টাকায় শিশুটিকে বিক্রি করে দেন মাদকাসক্ত বাবা।

এর আগে গত ১৭ জুলাই মাদকের টাকার জন্য হামিদুল ইসলাম নামের এক বাবা জুস কিনে দেওয়ার কথা বলে মায়ের কাছে থেকে ১৩ মাস বয়সী কন্যাসন্তান ফাতেমা আক্তারকে নিয়ে গিয়ে ৩১ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন। পরে সন্তানকে ফিরে পেতে শিশুর মা আদালতের দ্বারস্থ হলে প্রথমে হামিদুল এবং পরে জড়িত আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

অন্যদিকে, গত ১৯ এপ্রিল সাদুল্লাপুরে নেশার টাকা না পেয়ে বৃদ্ধা মায়ের বসতঘরে আগুন দেয় জাকিরুল ইসলাম নামে এক মাদকাসক্ত যুবক। নেশার টাকা জোগাড় করতে প্রায়ই তার বৃদ্ধা মা জোবেদা বেগমের ওপর নির্যাতন চালাতো জাকিরুল । স্বামীহারা জোবেদা বেগম রাস্তার পাশে একটি ছাপড়া ঘরে বসবাস করতেন। সেদিনও টাকা না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে মায়ের ঘরটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। ঘটনার পর ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী জাকিরুলকে আটক করে পুলিশে দেয়।

গত ২১ মে ফুলছড়িতে সোহেল (৩০) নামের মাদকাসক্ত আপন ভাতিজার হাতে খুন হন ফুফু জহুরা বেগম (৬০)। সেদিন ঘুমভাঙা সকালে নেশাগ্রস্ত সোহেল বটি জাতীয় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে প্রথমে তার মাকে চোটাতে থাকে। পরে চাচি জুলেখাকে পেয়ে তার শরীরে এলোপাতারি কোপাতে থাকে। পরে ফুফু জহুরা আসলে তারও পেটে চোট দেয় এবং চোট দিয়ে এক হাত কেটে ফেলে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। অথচ এতিম ভাতিজাদের মানুষ করতেই দ্বিতীয় বিয়ে করেনি ফুফু জোহরা। যুবকের মা আনোয়ারা বেগম (৫২) ও চাচি জুলেখা বেগম (৪৬) কে রমেকে ভর্তি করা হয়।

গোয়েন্দা তথ্য উদ্বেগজনক, নিয়ন্ত্রণে জরুরি সম্মলিত প্রচেষ্টা

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সূত্র জানায়, মাদক বর্তমানে এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে তা নিয়ন্ত্রণে সমাজের প্রত্যেকটি শ্রেণি-পেশার মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। অন্যথায় সম্ভব নয়। কেননা, এটি কেবল মামলা বা গ্রেপ্তার করে ঠেকানো সম্ভব নয়। প্রয়োজন প্রতিষ্ঠান, পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্রের যথাযথ ভূমিকা। মাদকের বিরুদ্ধে গণজোয়ার তুলতে হবে। এরজন্য প্রশাসনের সঙ্গে সঙ্গে বড় ভূমিকা রাখতে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে।

পরিচয় প্রকাশের শর্তে আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, দেশে ইয়াবা, ফেন্সিডিলের মতো মারাত্মক মাদক উৎবাদন বা আবিষ্কার হয় না। এসব ভারত ও মিয়ানমার থেকে প্রবেশ করে। কিন্তু গাইবান্ধা সীমান্তবর্তী জেলা না হলেও বিপুল পরিমাণ মাদক আসছে। গাইবান্ধায় মাদক পৌঁছাতে কয়েকটি জেলা অতিক্রম করতে হয়। সেটি কিভাবে সম্ভব? এজন্য সীমান্ত বাহিনীদের নজরদারি এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রত্যেকটি সেক্টরের আন্তরিক হওয়া জরুরি বলেও জানায় সূত্রটি। এ ছাড়া যদি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কোনো সদস্য এসবে জড়িত থাকার তথ্য মেলে সেক্ষেত্রে তাদের ক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ।

পুলিশের অপরাধ বিভাগ ও চিকিৎসা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইয়াবা এমন একটি নেশা, যা গ্রহণকারী গ্রহণের পর নিজেকে পৃথিবীর সব চাইতে ক্ষমতাধর ভাবতে শুরু করেন এবং সামনের সবকিছু তার কাছে অতি তুচ্ছ মনে হয়। ফলে তারা সহজে অপরাধ, এমনকি মানুষকে কেটে টুকরো টুকরো করতেও আটকায় না। বোধশক্তি হারিয়ে ফেলে তারা।

এ বিষয়ে গণউন্নয়ন মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের কাউন্সিলর কাদিউল আজাদ বাধন বলেন, ইয়াবা এমন একটি নেশা, যা নেশাগ্রস্তদের মস্তিস্ক বিকৃত করে দেয়। ইয়াবাসেবীরা রাত জাগতে জাগতে এক সময় মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়, আর তখন তারা অপরাধ সহজে করতে পারে।

তিনি বলেন, মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের সমাজ সব সময় অপরাধী হিসেবে দেখে। কিন্তু এটি একটি মারাত্মক অসুখ। পরিবার বা সমাজ সব সময় এটিকে অপরাধ হিসেবে না নিয়ে, একটিকে অসুখ হিসেবে নিলে এবং প্রোপার ট্রিটমেন্টে এসব নির্মূল করা সম্ভব।

গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরীফ আল রাজিব বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের সব ধরনের অভিযান অব্যহত রয়েছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। তবে, এটি নির্মূলে বা নিয়ন্ত্রণে সমাজের প্রত্যেকটি সেক্টরের বা শ্রেণি-পেশার মানুষের এগিয়ে আসতে হবে। শুধু আইন প্রয়োগ ও গ্রেপ্তারে এর প্রতিকার সম্ভব নয়। এজন্য সবার সহযোগিতা চান তিনি।
 
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন 

 


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ