ঢাকা , শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ , ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অবশেষে কুয়াকাটায় মিশ্রীপাড়া রাখাইন বৌদ্ধবিহার পর্যটকের জন্য উন্মুক্ত

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ১৬-১০-২০২৬ ১১:২৮:৫২ পূর্বাহ্ন
আপডেট সময় : ১৬-১০-২০২৬ ১১:২৮:৫২ পূর্বাহ্ন
অবশেষে কুয়াকাটায় মিশ্রীপাড়া রাখাইন বৌদ্ধবিহার পর্যটকের জন্য উন্মুক্ত ফোকাস বাংলা নিউজ
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় রাখাইন সম্প্রদায়ের মিশ্রিপাড়ায় শতবর্ষী সীমা বৌদ্ধবিহারের গেট পর্যটক দর্নার্থীর জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আরিফুজ্জামান ও মহিপুর থানার ওসি মো. শামীম হাওলাদার রাখাইন নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বসে আলোচনা করে সকল ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আশ্বাসে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বিহারের মূল গেটটি খুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে পর্যটক দর্শনার্থীর জন্য বৌদ্ধবিহার দর্শনে আর বাধা রইল না। আপাতত শঙ্কা কেটে গেছে। তবে বৌদ্ধবিহার অধ্যক্ষ উত্তম মহাথেরো তাঁদের বিহার সভাপতিকে মারধর ও লাঞ্ছিতের ঘটনায় সুষ্ঠূ বিচার নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য গত মঙ্গলবার সকালে সীমা বৌদ্ধ বিহার সভাপতি রাখাইন মংলাচিংকে কতিপয় ব্যক্তি লাঞ্ছিত মারধর করা হয়। এর প্রতিবাদে বুধবার রাখাইন পল্লীর বাসীন্দারা প্রথমে বৌদ্ধ বিহারের সামনে দাঁড়িয়ে নীরবে কিছু সময় প্রতিবাদ জানান।  পরে বৌদ্ধবিহারের মূল গেট অনির্দিষ্টকালের জন্য দর্শনার্থীদের জন্য পরিদর্শন বন্ধ করে দেওয়া হয়। তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়। বন্দের নোটিশ ফেস্টুন ঝুলিয়ে দেয়া হয়। এঘটনায় অভিযুক্ত নাসির উদ্দিন হাওলাদারসহ দুইজনকে আসামি করে মহিপুর থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসন রাখাইন কমিউনিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করে বৌদ্ধবিহার পর্যটক-দর্শনার্থীর জন্য আবার বৃহস্পতিবার রাত থেকে উন্মুক্ত করে দেয়ার ব্যবস্থা করেন।

বৌদ্ধবিহার কমিটির সভাপতি রাখাইন মংলাচিং জানান, তাঁদের বৌদ্ধবিহার ও মন্দিরের আয়ের জন্য বৌদ্ধবিহারের বাউন্ডারির দক্ষিণ পশ্চিম দিকে একটা ছোট দোকান তোলার কাজ শুরু করেন। এ সময় স্থানীয় বাঙালি দুই প্রভাবশালী শামসুল আলম ও নাসির উদ্দিন হাওলাদার নামের দুই ব্যক্তি দোকান  স্থাপনে বাধা দেয়। বাকবিতন্ডায় লিপ্ত হয়ে এক পর্যায়ে নাসির হাওলাদার তেড়ে আসেন। রাখাইন মংলাচিংকে মারধর ও লাঞ্ছিত করা হয়। মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।  এ ঘটনার প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ রাখাইনরা বৌদ্ধবিহার ও মন্দির পরিদর্শন কর্মকাণ্ড বুধবার সন্ধ্যা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিয়েছিলেন।

মহিপুর থানার ওসি মো শামীম হাওলাদার জানান, তিনি খবর শুনে ঘটনাস্থলে গিয়েছেন। রাখাইন নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয় টি সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছেন। 

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আরিফুজ্জামান জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। রাখাইন নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি আপাতত নিরসন করেছেন। এর ফলে আজ শুক্রবার ভোর থেকে বহু পর্যটককে সেখান থেকে বৌদ্ধবিহার ও মন্দির দর্শন পা্চ্ছেন।

 
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন 


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ