ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ , ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর টঙ্গীর ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল কারখানা বন্ধ ঘোষণা

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ১৫-১০-২০২৬ ০১:৫১:২৬ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ১৫-১০-২০২৬ ০১:৫১:২৬ অপরাহ্ন
​ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর টঙ্গীর ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল কারখানা বন্ধ ঘোষণা ​ছবি: সংগৃহীত
গাজীপুরের টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের পর ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের কারখানার সব কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কারখানাটি বন্ধ থাকবে।

তবে কারখানাটিতে অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

সকালে কারখানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ফ্যাক্টরি ইনচার্জ) মোহাম্মদ আবু সাঈদের সই করা এক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়। 

এতে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কারখানার সব কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে কবে নাগাদ কারখানার কার্যক্রম আবার শুরু হবে, সে বিষয়ে নোটিশে নির্দিষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।

এর আগে, বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সোয়া ১০টার দিকে কারখানাটিতে আগুন লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রথমে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট কাজ শুরু করে। পরে বিভিন্ন ফায়ার স্টেশনের আরও ইউনিট যুক্ত হয়। মোট ২১টি ইউনিটের প্রায় চার ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর ১১টি ইউনিট আগুন সম্পূর্ণ নির্বাপণের কাজ চালিয়ে যায়। রাত ১১টার দিকে আগুন পুরোপুরি নির্বাপণ করা হয়।

এদিকে আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুই কর্মকর্তাসহ তিন সদস্য আহত হন। আহত ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর নূর উদ্দিন ও জহিরুল ইসলামকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ফায়ার ফাইটার কালামকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

কারখানাটিতে অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা মো. তালহা বিন জসিম জানান, বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে আগুন পুরোপুরি নির্বাপণ করা হয়েছে। তাদের তিনজন আহত হয়েছে। আহতরা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ওই কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, আগুনের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও আগুন লাগার সঠিক কারণ নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুতই আগুন লাগার সঠিক কারণ জানানো হবে।

এর আগে বুধবার দুপুরে কারখানার জ্যেষ্ঠ প্রশাসনিক কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, তাদের কারখানায় প্রায় ২০০ শ্রমিক কাজ করেন। হঠাৎ চতুর্থ তলা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে শ্রমিকেরা চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন। পরে জরুরি অ্যালার্ম বাজানো হয়। এরপর কারখানার সব শ্রমিক দ্রুত ও নিরাপদে বের হয়ে আসতে সক্ষম হন।

কারখানাটিতে কোনো দাহ্য পদার্থ নেই জানিয়ে শহিদুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে।

বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ