ঢাকা , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​৫৬ দিনের ভিসি বদল: দ্বিতীয় দিনেও উত্তাল চুয়েট

ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় : ২২-০৯-২০২৬ ০২:১০:৪৫ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ২২-০৯-২০২৬ ০৩:২০:২৩ অপরাহ্ন
​৫৬ দিনের ভিসি বদল: দ্বিতীয় দিনেও উত্তাল চুয়েট ​ছবি: সংগৃহীত
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সোমবার রাতে শুরু হওয়া আন্দোলন মঙ্গলবারও (২২ সেপ্টেম্বর) অব্যাহত রয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে একই দাবিতে উপাচার্য ভবনের সামনে মানববন্ধন করছে শিক্ষক সমিতি।

মঙ্গলবার সকালে চুয়েটের মূল ফটক ভেতর থেকে বন্ধ করে সেখানে অবস্থান নিয়ে ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। সেখানে আগের উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে তারা স্লোগান দিচ্ছেন।

এ কর্মসূচির কারণে চুয়েটে এদিন কোনো ক্লাস ও প্রশাসনিক কাজ হয়নি।

সোমবার খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

এর আগে ২৭ জুলাই চুয়েটের উপাচার্যের দায়িত্ব পেয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম। দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় সোমবার তাকে সরিয়ে নতুন উপাচার্য দেওয়া হয়। সরকারের এ সিদ্ধান্ত জানতে পেরে সোমবার রাতেই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন শিক্ষার্থীরা।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে ক্যাম্পাসের স্বাধীনতা চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। হল থেকে বেরিয়ে এসে মিছিলে অংশ নেন ছাত্রীরাও। রাত ১২টার দিকে তারা প্রশাসনিক ভবনে তালা লাগিয়ে দেন।

তালার সঙ্গে একটি সাদা কাগজে শিক্ষার্থীরা লিখে দেন, “এই তালা শুধুমাত্র সায়েম স্যার খুলতে পারবে।”

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে আবার বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

এসময় তারা স্লোগান দিতে থাকেন, “দাবি মোদের একটাই, সায়েম স্যারকে ভিসি চাই”, “ভিসির চেয়ার কারে চাই, সায়েম স্যারকেই আবার চাই”, “ভিসি স্যার, ভিসি স্যার; সায়েম স্যার, সায়েম স্যার।”

আন্দোলনরত এক শিক্ষার্থী গণমাধ্যমকে বলেন, “আমাদের উপাচার্য আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম স্যারকে মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় সরিয়ে দেওয়া হল। উনি একজন যোগ্য ও শিক্ষার্থী বান্ধব উপাচার্য।

“এত অল্প সময়ে উনি অনেক উদ্যোগ নিয়েছেন। অথচ কোনো কারণ না জানিয়ে উনাকে সরিয়ে দেওয়া হল। আমাদের দাবি একটাই উনাকে পুনর্বহাল করতে হবে।”

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, “শিক্ষার্থীরা ক্লাসে আসেনি কেউ। তাই কোনো অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি।

“প্রশাসনিক ভবনে তালা থাকায় প্রশাসনিক কাজও হচ্ছে না। শিক্ষার্থীদের কারো সঙ্গে আমাদের কোনো আলোচনা হয়নি।”

বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ