বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশগুলোর কোথায় জ্বালানি তেলের দাম কত
ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় :
২১-০৯-২০২৬ ০৩:৩৬:০০ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
২১-০৯-২০২৬ ০৩:৩৯:২৫ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত
দেশে খুচরা পর্যায়ে ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়িয়েছে সরকার। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এ মূল্য কার্যকর হয়। নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৫৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের জ্বালানি তেলের দাম বাংলাদেশের সঙ্গে তুলনা করলে চিত্রটি বেশ ভিন্ন। ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, ভুটান ও পাকিস্তানে সাম্প্রতিক সময়ে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কত—তা দেখে নেওয়া যাক।
ভারতে জ্বালানি তেলের দাম রাজ্য ও শহরভেদে আলাদা। সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, কলকাতায় প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ১১৩ দশমিক ৫১ ভারতীয় রুপি এবং ডিজেলের দাম ৯৯ দশমিক ৮২ রুপি। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা আনুমানিক ১৪৫ টাকা ও ১২৮ টাকা। অর্থাৎ কলকাতার হিসাবে ডিজেলের দাম বাংলাদেশের তুলনায় কিছুটা কম। পেট্রোলের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দাম বেশি।
মিয়ানমারের রাজধানী নেপিডোতে সর্বশেষ পাওয়া সরকারি রেফারেন্স দামে প্রতি লিটার অকটেনের দাম ৩ হাজার ৯৩০ কিয়াত এবং ডিজেলের দাম ৪ হাজার ২৫৫ কিয়াত। বাংলাদেশি মুদ্রায় এগুলোর মূল্য আনুমানিক ২৩০ টাকা ও ২৪৯ টাকা। এই হিসাবে মিয়ানমারে অকটেন ও ডিজেল—দুই ধরনের জ্বালানির দামই বাংলাদেশের তুলনায় বেশি।
নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে প্রতি লিটার পেট্রোল ও ডিজেলের দাম ২০০ নেপালি রুপি। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর মূল্য প্রায় ১৬২ টাকা। তবে নেপালের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিবহন ব্যয়ের কারণে জ্বালানি তেলের খুচরা দামে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে।
ভুটানে সর্বশেষ পাওয়া দামে প্রতি লিটার পেট্রোল ৯৯ দশমিক ০৫ ভারতীয় রুপি এবং ডিজেল ১০৪ দশমিক ৩৮ রুপি। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা আনুমানিক ১২৭ টাকা ও ১৩৪ টাকা। অর্থাৎ ভুটানে পেট্রোলের দাম বাংলাদেশের তুলনায় কম হলেও ডিজেলের দাম প্রায় কাছাকাছি।
পাকিস্তানে প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ৩৮৯ দশমিক ১৪ পাকিস্তানি রুপি এবং হাই-স্পিড ডিজেলের দাম ৪২৪ দশমিক ০৪ রুপি। বাংলাদেশি মুদ্রায় এগুলো আনুমানিক ১৭২ টাকা ও ১৮৮ টাকা। অর্থাৎ পাকিস্তানে পেট্রোল ও ডিজেল—দুটির দামই বাংলাদেশের বর্তমান দামের চেয়ে বেশি।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম চূড়ান্ত ভোক্তা মূল্যের একটি অংশ মাত্র। কর ও শুল্ক, মুদ্রার বিনিময় হার, আমদানি ও পরিবহন ব্যয় এবং সরকারের মূল্য নির্ধারণের নীতির কারণে দেশভেদে জ্বালানির দামে পার্থক্য তৈরি হয়।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স