ঢাকা , শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা

জ্বালানি কাঠামো ২০৩৪ সালের মধ্যে নিশ্চিত করা হবে

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ১২-০৯-২০২৬ ০১:৫৬:৩৫ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ১২-০৯-২০২৬ ০১:৫৬:৩৫ অপরাহ্ন
জ্বালানি কাঠামো ২০৩৪ সালের মধ্যে নিশ্চিত করা হবে ফাইল ছবি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে জ্বালানি কাঠামো নিশ্চিত করা হবে। আমরা জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে যাত্রা করছি। 

তিনি বিদ্যুৎ ও গ্যাস ক্ষেত্রে সমস্যার সমাধানের ব্যাপারে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।

তিতুমীর বলেন, আমরা যদি বিদ্যুৎ গ্রাহককেই বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী হিসেবে নিশ্চিত করতে পারতাম তাহলে আমাদের বিদ্যুৎ খাতে এতটা সমস্যায় পড়তে হতো না। তিনি বলেন, সৌর বিদ্যুতের মাধ্যমে গ্রাহক নিজেই বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারতো। আমরা সেটা করতে পারিনি, এজন্যে বিদ্যুৎ সমস্যা দেখা দিয়েছে।

তিনি বলেন, জ্বালানির ক্ষেত্রে সংকটের কারণে আমাদের সাধারণ মানুষ এবং কলকারখানাগুলো দুর্ভোগে পড়েছে। আজকের সমস্যা অতীতের সরকারের দুর্নীতি এবং স্বজন প্রীতির কারণে জ্বালানি সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ এ সংকটকে আরো ঘনীভূত করেছে।

তিনি বলেন, সরকার ইতোমধ্যেই অতিরিক্ত দামে গ্যাস কিনে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা লোকসান দিয়েছে।

আমরা খুব শিগগির গ্যাসের কুপ খননের জন্য চেষ্টা চালাচ্ছি কারণ, গ্যাসের মাধ্যমে খুব সহজে কম দামে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। আমরা ইতোমধ্যেই ১৫০টি কুপ খননের চিন্তা করেছি। এ ব্যাপারে দেশের বাপেক্সকে কাজে লাগানো হবে। অতীতের সরকার স্বজন প্রীতির কারণে এটিকে কোন কাজে লাগায়নি।

তিনি শুক্রবার রাত সোয়া ৮টায় তার রাজবাড়ী জেলার কলিমহড় গ্রামের নিজ বাসভবনে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে দেশের বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট নিয়ে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

নদীতে সঠিক পরিমাণে পানি থাকলে কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন সঠিকভাবে বজায় থাকবে। এজন্যে বর্তমান সরকার নির্বাচনী ইশতেহারে দেশের পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার করার অঙ্গীকার করেছেন। তারই পদক্ষেপ হিসেবে একনেকে পদ্মা ব্যারেজের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। 
  
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
 


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ