ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বছরে ১ কোটি ২০ লাখ টাকার চারা বিক্রি হয়
গ্রাফটিং চারায় বদলে যাচ্ছে কৃষকের ভাগ্য
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
০৭-০৯-২০২৬ ০১:২৫:১৯ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
০৭-০৯-২০২৬ ০১:২৫:১৯ অপরাহ্ন
ফোকাস বাংলা নিউজ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শতাধিক নার্সারিতে গ্রীষ্মকালীন টমেটোর (গ্রাফটিং) কলমের চারা উৎপাদন করে স্বনির্ভরের পাশাপাশি লাভবান হচ্ছে কৃষক। আগে পার্শ্ববর্তী জেলা থেকে কিনে আনলেও বর্তমানে কৃষকরা নিজেরাই তাদের প্রয়োজনীয় চারা উৎপাদন করছে। কৃষি বিভাগ জানায়, সদর উপজেলার এসব নার্সারী থেকে সারা বছর প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকার চারা কেনা-বেচা হয়।
গ্রীষ্মকালীন উচ্চ তাপমাত্র ও অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে আগে টমেটোর চারা চাষ করা বেশ কঠিন ছিল। বর্তমানে কৃষকরা গ্রাফটিং বা জোড়কলম প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্রীষ্মকালে বানিজ্যিকভাবে প্রচুর পরিমানে টমেটোর চারা উৎপাদন করছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার ৩ টি ইউনিয়নে গ্রাফটিং ও বীজ থেকে চারা উৎপাদন করে জীবিকা নির্বাহ করছে ৬ শতাধিক নারী-পুরুষ। নাটাই উত্তর, রামরাইল এবং মাছিহাতা ইউনিয়নের উদ্যোক্তা কৃষকগণ তাদের নিজস্ব নার্সারীতে গ্রীষ্মকালীন টমেটোর চারা উৎপাদন করছেন।
এই চারাগুলো সাধারণত তিত বেগুন বা বন বেগুন বা রাস্তার পাশে যে ওয়াইল্ড ভ্যারাইটির বেগুন পাওয়া যায়, এই বেগুনের চারার সাথে উন্নত প্রজাতির টমেটোর চারার সাথে কলম করে উৎপাদন করা হয়। চারা উৎপাদন প্রক্রিয়ার সাথে জড়িতরা জানান, জুন মাস থেকে অক্টোবর পর্যন্ত এই সময় বৃষ্টির প্রভাব থাকে খুব বেশি। এ সময় লুজ টমেটো, অর্থাৎ নন-গ্রাফটিং টমেটো হয় না। যার কারণে তাদের এই পথটা বেছে নিতে হচ্ছে।
কৃষি বিভাগের দেয়া তথ্য অনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার প্রায় ৫ লক্ষ গ্রাফটিংয়ের চারা উৎপাদিত হয় যার মূল্য প্রায় ৭৫ লাখ টাকা। সব মিলে এসব নার্সারীতে সারা বছর প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকার চারা কেনাবেচা হয়।"
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা শাহানা বেগম বলেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে এমনটাই আশা স্থানীয়দের। চারা উৎপাদনে কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতার পাশাপাশি বছরে ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকার চারা কেনা-বেচার হয় বলে জানান এই কর্মকর্তা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স