পদ্মা, গড়াই,হড়াইসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত
উজানের ঢলে বাড়ছে পানি
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
০২-০৯-২০২৬ ০৩:০৯:১৪ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
০২-০৯-২০২৬ ০৩:০৯:১৪ অপরাহ্ন
ছবি : সংগৃহীত
উজান থেকে নেমে আসা ঢলে রাজবাড়ীর পদ্মা, গড়াই ও হড়াইসহ জেলার সব নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। তবে এখনো জেলার কোনো নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, গত ২০ আগস্ট থেকে নদ-নদীর পানি বাড়ছে।
রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি ৭ দশমিক ৪৩ মিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে। এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ৮ দশমিক ২০ মিটার। অর্থাৎ পানি বিপৎসীমার ৭৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
মহেন্দ্রপুর পয়েন্টে পদ্মা ও গড়াই নদীর পানি ৮ দশমিক ৩৫ মিটার উচ্চতায় রয়েছে। এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৫০ মিটার। ফলে পানি বিপৎসীমার ২ দশমিক ১৫ মিটার নিচে রয়েছে।
পাংশার সেনগ্রাম পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি ৯ দশমিক ৪৮ মিটার উচ্চতায় রয়েছে। এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৫২ মিটার। অর্থাৎ পানি বিপৎসীমার ১ দশমিক ৪ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এছাড়া কামারখালী ব্রিজ পয়েন্টে গড়াই নদীর পানি ৬ দশমিক ৯৯ মিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে। সেখানে বিপৎসীমা ৭ দশমিক ৭৫ মিটার। এই পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৭৬ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে।
পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় গোয়ালন্দ পয়েন্টে পদ্মার পানি শূন্য দশমিক ৫ সেন্টিমিটার, সেনগ্রাম পয়েন্টে শূন্য দশমিক ১ সেন্টিমিটার এবং কামারখালী পয়েন্টে গড়াই নদীর পানি শূন্য দশমিক ২ সেন্টিমিটার কমেছে। মহেন্দ্রপুর পয়েন্টে পানির উচ্চতা স্বাভাবিক রয়েছে।
তবে ২০ আগস্ট থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১৩ দিনে গোয়ালন্দে ৭২ সেন্টিমিটার, মহেন্দ্রপুরে ৭২ সেন্টিমিটার, সেনগ্রামে ৮৭ সেন্টিমিটার এবং কামারখালী ব্রিজ পয়েন্টে ৭৪ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে।
রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. তাজমিনুর রহমান বলেন, কয়েক দিন ধরে উজানের ঢলে পদ্মা, গড়াই ও হড়াই নদীর পানির উচ্চতা বাড়ছে। তবে এখন পর্যন্ত জেলার কোনো পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। তাই এই মুহূর্তে বন্যার কোনো আশঙ্কা নেই।
তিনি আরও বলেন, পদ্মার ভাঙনকবলিত এলাকাগুলোতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজ চলমান রয়েছে। নতুন করে কোথাও ভাঙন দেখা দিলে সেখানে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নদীপাড়ের মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নদ-নদীর পানি পরিস্থিতির ওপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে।এদিকে পানি বৃদ্ধির কারণে নদীতীরবর্তী ও নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ দেখা দিলেও এখনো জেলার কোথাও পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স