ঢাকা , রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬ , ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​চট্টগ্রামে আরও সমুদ্রবন্দর ও অর্থনৈতিক অঞ্চল হবে: অর্থমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ৩০-০৮-২০২৬ ০২:০৪:০১ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ৩০-০৮-২০২৬ ০৫:১৩:৪৬ অপরাহ্ন
​চট্টগ্রামে আরও সমুদ্রবন্দর ও অর্থনৈতিক অঞ্চল হবে: অর্থমন্ত্রী ​ছবি: সংগৃহীত
অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আগামী দিনে চট্টগ্রামে আরও নতুন সমুদ্রবন্দর ও অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হবে। ডেনমার্কভিত্তিক এপিএম টার্মিনালসের লালদিয়া প্রকল্পকে তিনি বাংলাদেশের জন্য একটি মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেন।

রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় এপিএম টার্মিনালস লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালের গ্রাউন্ডব্রেকিং অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আজকের এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চট্টগ্রাম আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে। আমি আনন্দিত, আমার সংসদীয় এলাকায় আন্তর্জাতিক মানের এই টার্মিনাল নির্মিত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত সরকারের উচ্চাকাঙ্ক্ষী অর্থনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ অপরিহার্য। “ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি শুধু সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়, প্রাইভেট সেক্টরকেও এগিয়ে আসতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, লালদিয়া টার্মিনাল বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করবে। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) পদ্ধতিতে এটি দেশের অন্যতম বড় বন্দর বিনিয়োগ এবং ভবিষ্যতে আরও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান বন্দরে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাচ্ছে।

স্বাগত বক্তব্যে এপিএম টার্মিনালস লালদিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রমেশ ডেভিড জানান, টার্মিনালটিতে অত্যাধুনিক ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান বলেন, দেশের ৯২ শতাংশ আমদানি-রপ্তানি এবং ৯৮ শতাংশের বেশি কনটেইনার হ্যান্ডলিং চট্টগ্রাম বন্দরেই সম্পন্ন হয়। আগামী ১০ বছরে কনটেইনার হ্যান্ডলিং দ্বিগুণ হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রায় ৭৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগে কর্ণফুলী নদীর তীরে ৫৯.১৫ একর জায়গাজুড়ে নির্মিত হবে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল। এতে থাকবে ৭টি শিপ-টু-শোর গ্যান্ট্রি ক্রেন, ৩২টি ইলেকট্রিক রাবার টায়ার্ড গ্যান্ট্রি ক্রেন এবং ৪১টি ইলেকট্রিক টার্মিনাল ট্র্যাক্টর। বছরে ৯ লাখ টিইইউএস কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতার এ টার্মিনাল ২০৩০ সালে অপারেশনে যাবে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এ প্রকল্প থেকে এককালীন ২৫ মিলিয়ন ডলার পাবে। এছাড়া বছরে কনসেশন ফি, কনটেইনারপ্রতি রাজস্ব এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে ১৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করবে এপিএম টার্মিনালস।

বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ