উপজেলা হাসপাতালেই মিলবে উন্নত চোখের চিকিৎসা: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
১৮-০৮-২০২৬ ০২:১৬:৪২ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
১৮-০৮-২০২৬ ০২:১৬:৪২ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত
দেশের প্রতিটি উপজেলায় উন্নত চক্ষু চিকিৎসা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। নির্মাণাধীন ১৫১ শয্যার পূর্ণাঙ্গ উপজেলা হাসপাতালগুলোতে পৃথক বহির্বিভাগ, অন্তর্বিভাগ ও অস্ত্রোপচারকক্ষ চালু করা হবে। পাশাপাশি প্রায় ১০ লাখ ছানি অপারেশন, কয়েক কোটি চশমা বিতরণ এবং ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথির চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সমন্বিত জাতীয় চক্ষু পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের রূপসী বাংলা গ্র্যান্ড বলরুমে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘স্পেকস ২০৩০’ উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত আধুনিক চক্ষু চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়াই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। প্রায় ৫০০টি উপজেলায় উন্নত চোখের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। এতে চিকিৎসার জন্য প্রত্যন্ত এলাকার মানুষকে বারবার জেলা শহর বা রাজধানীতে ছুটতে হবে না।
তিনি বলেন, সরকারের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় থাকা এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মীর প্রশিক্ষণে প্রাথমিক চক্ষু চিকিৎসাকে বাধ্যতামূলক অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে জেলা হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বাড়িয়ে দ্রুত অন্তত অর্ধেক জেলায় নিয়মিত ছানি অপারেশন ও দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষার সেবা জোরদার করা হবে।
জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণেও বড় প্রকল্প নেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নের পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও এনজিওগুলোর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের চক্ষু চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
ড. মুহিত বলেন, গত ছয় মাসে চক্ষু চিকিৎসার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। আগামী তিন থেকে চার বছরের মধ্যে দেশের চক্ষু চিকিৎসা খাতে দৃশ্যমান ও যুগান্তকারী পরিবর্তন আনার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।
অনুষ্ঠানে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ এস এম এম কাদির, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক উপদেষ্টা ডা. তাশি তবগে এবং বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. আহমেদ জামশেদ মোহাম্মদসহ দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা বক্তব্য দেন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স