ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬ , ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চিফ প্রসিকিউটর

শেখ হাসিনা ​কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছেন, জানে না বাংলাদেশ

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ১৭-০৮-২০২৬ ০১:৫১:২৬ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ১৭-০৮-২০২৬ ০৪:০৪:৫৬ অপরাহ্ন
শেখ হাসিনা ​কোন স্ট্যাটাসে ভারতে  আছেন, জানে না বাংলাদেশ ​ছবি: সংগৃহীত
ভারতে অবস্থানরত দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঠিক কোন স্ট্যাটাসে বা কী প্রক্রিয়ায় সেখানে আছেন, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য বাংলাদেশের কাছে নেই বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘শেখ হাসিনা বিচার প্রক্রিয়ায় দণ্ডপ্রাপ্ত। তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ সরকার ভারতের কাছে ইতোমধ্যে প্রত্যর্পণের আবেদন করেছে। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’

ভারতের একটি সংবাদমাধ্যমে শেখ হাসিনাকে নিয়ে আদালতের অনুমতির প্রয়োজন হতে পারে-এমন খবর প্রসঙ্গে আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘সংবাদমাধ্যমটি বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করেনি, শেখ হাসিনা ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন কি না বা ঠিক কী স্ট্যাটাসে সেখানে অবস্থান করছেন। তাই ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে মন্তব্য করা ঠিক হবে না।’

চিফ প্রসিকিউটর জানান, বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত স্পষ্টভাবে জানে না শেখ হাসিনা ভারতে কোন স্ট্যাটাসে আছেন। ফলে ভারতীয় আদালতের অনুমতি সংক্রান্ত বিষয়টি কী অর্থে বলা হয়েছে, সেটিও পরিষ্কার নয়।

এ সময় সাংবাদিকরা ভারতের মেঘালয়ে সালাহউদ্দিন আহমেদের অবস্থান এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে শেখ হাসিনার বিষয়টির কোনো সম্পর্ক আছে কি না জানতে চাইলে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘দুটি বিষয়ের মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই।’

তিনি জানান, সালাহউদ্দিন আহমেদকে ২০১৫ সালে বাংলাদেশ থেকে অপহরণ করে ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরে ভারতের শিলংয়ে তাকে পাওয়া যায় এবং তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় তিনি খালাস পান। পরবর্তী সময়ে তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসেন।

এ ছাড়া জুলাই আন্দোলনে ভূমিকার অভিযোগে সাবেক মন্ত্রী ও (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে বলেও জানান চিফ প্রসিকিউটর।

তিনি বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে তাদের ভূমিকার কারণে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত এবং প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পঙ্গুত্ববরণ করেছেন। এসব অপরাধের দায় আসামিদের নিতে হবে এবং ট্রাইব্যুনাল তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেবেন বলে তারা প্রত্যাশা করছেন।’

বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ