ঢাকা , বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬ , ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে চিঠি

বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি হ্রাসে বিপিডিবি ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সুপারিশ

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ১২-০৮-২০২৬ ০৫:০৯:৪৪ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ১২-০৮-২০২৬ ০৬:৫৬:২৭ অপরাহ্ন
বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি হ্রাসে বিপিডিবি ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সুপারিশ
বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি হ্রাস এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক অঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে চায় সরকার। এ লক্ষ্য পূরণে ১৩২/২৩০ কেভি ভোল্টেজ স্তরের বাল্ক গ্রাহকদের বিদ্যুৎ সরবরাহ একক বিদ্যুৎ ক্রেতা হিসেবে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বাবিউবো) কর্তৃক পরিচালিত হওয়াই সর্বাধিক যৌক্তিক এবং নীতিসম্মত ব্যবস্থা বলে মনে করে বিপিডিবি ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন। 

সংগঠনটি বলছে, বাবিউবো সরকারের নির্ধারিত একক বিদ্যুৎ ক্রেতা হিসেবে সমগ্র বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছে। বিপিডিবি সরকারি ও বেসরকারি সকল বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বিদ্যুৎ কিনে নিজস্ব উৎপাদনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করে।

কিন্তু বিদ্যমান আইন, নীতিমালা ও দায়িত্ব বণ্টন কাঠামোর বাইরে অতিরিক্ত কোনো সংস্থাকে এ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করলে দায়িত্বের পুনরাবৃত্তি, সমন্বয়হীনতা, অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যয়, রাজস্ব বিভাজন এবং সরকারের ভর্তুকি বৃদ্ধি পাবে (বাৎসরিক প্রায় ২.০-২.২ কোটি/মেগাওয়াট )। একই সঙ্গে এটি বিদ্যুৎ খাতের আর্থিক পুনর্গঠন কার্যক্রম এবং বিনিয়োগবান্ধব বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাকে দুর্বল করতে পারে।

তাই জাতীয় স্বার্থ, রাষ্ট্রীয় অর্থের সাশ্রয় এবং বিদ্যুৎ খাতের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক টেকসইতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৩২/২৩০ কেভি ভোল্টেজ স্তরের সকল বাল্ক গ্রাহকের বিদ্যুৎ সরবরাহ একক বিদ্যুৎ ক্রেতা হিসেবে বিপিডিবির আওতায় রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে বিপিডিবি ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন।

এই দাবির যৌক্তিকতা তুলে ধরে একটি চিঠি মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এবং প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে। তিন পৃষ্ঠার এই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন বিপিডিবি ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহবায়ক মো. আসলাম উদ্দিন এবং সদস্য সচিব এ কে এম মহিউদ্দিন আজমী।

চিঠিতে বাবিউবো কর্তৃক বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়ে যৌক্তিকতা ও প্রস্তাব তুলে ধরা হয়-

১। একক ক্রেতা (Single Buyer) হিসেবে সরকারি/বেসরকারি বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ ক্রয়ের ক্ষেত্রে বাবিউবো'কে এনার্জি চার্জের পাশাপাশি ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধ করতে হয়। তাছাড়া পিজিবি পিএলসি নেটওয়ার্ক লিমিটেশনের দরুন ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, রংপুর, সৈয়দপুরসহ বেশ কিছু এলাকায় তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু রাখতে হয়। বর্তমানে বাবিউবো'র প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ প্রায় ১২.৬০ টাকা। যার বিপরীতে ১৩২/২৩০ কেভি লেভেল বাল্ক পাইকারী বিদ্যুৎ বিক্রয়মূল্য গড়ে ১০.১১ টাকা এবং খুচরা বিদ্যুৎ বিক্রয়মূল্য গড়ে ১২.৬৪ (ফ্ল্যাট রেট)। ফলে বাবিউবো ব্যতীত অন্য কোনো বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা কর্তৃক ২৩০/১৩২ কেভি লেভেলে বিদ্যুৎ সরবরাহ করলে একক ক্রেতা হিসেবে বাবিউবো'র বছরে প্রতি মেগাওয়াটে প্রায় ২.০-২.২ কোটি টাকা ভর্তুকির প্রয়োজন হবে। অপরদিকে একক ক্রেতা ও সরকারের প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাবিউবো কর্তৃক উক্ত লেভেলে বিদ্যুৎ সরবরাহ হলে উল্লিখিত ভর্তুকির প্রয়োজন হবে না। 

এখানে উল্লেখ্য, বর্তমানে ৫টি সংস্থার প্রায় ২০০০ মেগাওয়াটের ১৯টি সংযোগ অনুমোদনের জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে মর্মে জানা যায়। এ সংযোগগুলো চালু হলে বিউবো'র প্রায় ৪,৪০০ (চার হাজার চারশত) কোটি টাকার অতিরিক্ত ভর্তুকি প্রয়োজন হবে। যা বাংলাদেশের সরকারের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে হুমকি স্বরূপ।

২/ বাল্ক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে গ্রিড সাবস্টেশন হতে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য পিজিবি পিএলসি'কে বিইআরসি ট্যারিফ আদেশ অনুযায়ী হইলিং চার্জ প্রদান করা হয়। তবে বাবিউবো সকল বাল্ক কনজিউমারদের লোড ডিমান্ড অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন ও মনিটরিং, Free Governor Mode of Operation (FGMO) & Automatic Generation Control (AGC) নিশ্চিতকরণ এবং রিজার্ভ মার্জিন নিশ্চিত করে থাকে। এছাড়া বাবিউবো বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সার্বিক দায়িত্ব পালন ও সকল ব্যয় বহন করে এবং বিভিন্ন ইউটিলিটি কর্তৃক প্রদানকৃত ডিমান্ড Forecast অনুযায়ী ক্যাপাসিটি চার্জ প্রদানের মাধ্যমে রিজার্ভ ক্যাপাসিটি নিশ্চিতসহ ভবিষ্যতের বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প গ্রহণ করে। একক ক্রেতা (single buyer) হিসেবে সরকারি/বেসরকারি বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ ক্রয়ের ক্ষেত্রে বাবিউবো'কে এনার্জি চার্জের পাশাপাশি ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধ করতে হয়, যা জেনারেশন কস্টিং-এ অন্তর্ভুক্ত হয়। অথচ ১৩২/২৩০ কেভি বাল্ক গ্রাহকদের বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে যেসব সংস্থা বিদ্যুৎ উৎপাদন, উৎপাদন পরিকল্পনা, ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধ বা গ্রিড পরিচালনাসহ কোনো আর্থিক ও কারিগরী দায়ভার বহন করে না, তারাও ডিমান্ড চার্জ ও জামানত গ্রহণ করে থাকে। ফলে একক বিদ্যুৎ ক্রেতা হিসেবে বাবিউবো'র প্রাপ্য রাজস্ব হ্রাস পায় এবং সরকারের ভর্তুকির চাপ অপ্রয়োজনীয়ভাবে বৃদ্ধি পায়। বিপরীতে উক্ত ডিমান্ড চার্জ ও জামানতের রাজস্ব বাবিউবো'র নিকট প্রাপ্ত হলে সরকারের ভর্তুকির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা সম্ভব হবে। 

উল্লেখ্য, সংস্থাভিত্তিক বিতরণ ব্যয় বিউবো'র ০.৭৫ টাকা/ইউনিট, বাপবিবো ১.৩৯ টাকা/ইউনিট, ডিপিডিসি ১.১৮ টাকা/ইউনিট, ডেসকো'র ১.১৬ টাকা/ইউনিট, ওজোপাডিকোর ১.৩৩ টাকা/ ইউনিট, নেসকো ১.৪৩ টাকা/ইউনিট। ফলে বিউবো'র মাধ্যমে উল্লেখিত বাল্ক গ্রাহকদের বিদ্যুৎ সরবরাহ করলে সরকারের প্রায় গড়ে প্রতি ইউনিটে ৫০ টাকা সাশ্রয় হবে যা ভর্তুকি হ্রাসে সহায়ক।

৩/  বাবিউবো এবং পিজিবি পিএলসি ২৩০/১৩২ কেভি বাল্ক গ্রাহকদের বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে জড়িত। প্রথমত বাবিউবো যে সকল বাল্ক কনজিউমারদের লোড ডিমান্ড অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন ও মনিটরিং, মানসম্মত বিদ্যুৎ গ্রীডে সরবরাহের নিমিত্ত FGMO & AGC নিশ্চিতকরণ, সঠিক ভোল্টেজ ও কিলোভার প্রদানের নিমিত্ত তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু রাখা এবং রিজার্ভ মার্জিন নিশ্চিত করে থাকে। বাবিউবো'র নিজস্ব জেনারেশন ও আইপিপি সেলের মাধ্যমে সরকারি বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রয়োজনীয় জ্বালানি যেমন তেল, কয়লা, গ্যাস ইত্যাদি সরবরাহ নিশ্চিত সাপেক্ষে এই ধরনের লোড ডিমান্ড পূরণ করা হচ্ছে। 

দ্বিতীয়ত, বাবিউবো'র সাবসিডিয়ারি কোম্পানি পিজিবি পিএলসি'র অবকাঠামো ব্যবহারের মাধ্যমে বাল্ক গ্রাহকদের বিদ্যুৎ তাদের স্থাপনায় সরবরাহ করা হয়। ফলে অন্য কোন সংস্থাই এ বিদ্যুৎ সরবরাহের জড়িত নয়। তৃতীয় কোন সংস্থা এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হলে মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ ও সার্ভিসে বিঘ্ন হওয়ার সম্ভাবনা আছে। বিভিন্ন সিদ্ধান্তের ইস্যুতে জটিলতার সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে বিরুপ প্রভাব সৃষ্টি হওয়ার আশংকা রয়েছে। 

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে দেশীয় ও বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে ভবিষ্যতে সেমিকন্ডাক্টর, ইস্পাত, রিফাইনারি, ইলেকট্রনিক্স ম্যানুফ্যাকচারিংসহ উচ্চপ্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের বিকাশ ঘটবে। এসব শিল্পের কার্যকর পরিচালনার জন্য নির্ভরযোগ্য ও উচ্চমানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা অত্যাবশ্যক। যা Single Buyer হিসেবে বাবিউবো'র মাধ্যমে বিদ্যুৎকেন্দ্রের নতুন নতুন বিভিন্ন টেকনোলোজি গ্রহণ করার মাধ্যমেই সম্ভব। অন্যথায় মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা না গেলে এ শিল্পে ক্যাপটিভ পাওয়ারের প্রয়োজন হবে, যার ফলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন হুমকির সম্মুখীন হবে।

৪/ বিতরণ সংস্থাগুলো মূলতঃ নিজস্ব ভৌগোলিক এলাকায় বিতরণ নেটওয়ার্ক নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ, নিজস্ব বিতরণ নেটওয়ার্কর মাধ্যমে গ্রাহক সেবা ও সংযোগ প্রদান ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। সকল সংস্থা তথা বিআরইবি, নেসকো, ওজোপাডিকো, ডিপিডিসি ও ডেসকো সাধারণত ৩৩ কেভি বাল্ক গ্রাহক হিসেবে ৩৩ কেভি লেভেলে বিদ্যুৎ গ্রহণ করে। তবে ডিপিডিসি ও ডেসকো কিছু কিছু জায়গায় বাবিউবো হতে ১৩২ কেভি লেভেলে বিদ্যুৎ নিয়ে থাকে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশনের (বিইআরসি) ২০২০ সালের ট্যারিফ আদেশে অনুচ্ছেদ ৮-১৪: "বাপবিবো এবং ডেসকো যে সকল স্থানে ১৩২ কেভি অবকাঠামো নির্মাণ করেছে সে সকল স্থানে ১৩২ কেভি লেভেলে বিউবো এর নিকট হতে বান্ধ বিদ্যুৎ ক্রয়ের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে"-এর নির্দেশনার প্রেক্ষিতে ডিপিডিসি ও ডেসকো-কে ১৩২ কেভি লেভেলে বাবিউবো বিদ্যুৎ বিক্রয় করে আসছে এবং বাবিউবো তার সাবসিডিয়ারি কোম্পানি পিজিবি পিএলসি অবকাঠামো ব্যবহার করে একক ক্রেতা হিসেবে ২৩০/১৩২ কেভি লেভেলে বিভিন্ন শিল্প কারখানায় বিদ্যুৎ বিতরণ করেছে। 

উল্লেখ্য, ১৩২/২৩০ কেভি ভোল্টেজ লেভেলে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের জন্য অন্যান্য বিতরণ সংস্থার নিজস্ব কোনো গ্রিড অবকাঠামো, সঞ্চালন ব্যবস্থা কিংবা প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বিদ্যমান নেই। ফলে উক্ত ভোল্টেজ স্তরে বাল্ক বিদ্যুৎ সরবরাহ বা বিক্রয়ের ক্ষেত্রে তাদের কোনো বাস্তবিক, কারিগরি বা নীতিগত এখতিয়ার সৃষ্টি হয় না। এ ধরনের দায়িত্ব অর্পণ বিদ্যমান কাঠামো, বিইআরসি ট্যারিফ আদেশ এবং বিদ্যুৎ খাতের দায়িত্ব বণ্টনের মৌলিক নীতির সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ; বরং এটি দায়িত্বের অপ্রয়োজনীয় ওভারল্যাপ, সমন্বয়হীনতা এবং আর্থিক অদক্ষতা সৃষ্টি করতে পারে।

৫/ Rural Electrification Board Act, ২০১৩-এর প্রস্তাবনায় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বাপবিবো) প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য হলো পল্লী ও কতিপয় অন্যান্য এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার মাধ্যমে কৃষি, কুটির ও ক্ষুদ্র শিল্পের বিকাশ, গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করা। অর্থাৎ, বাপবিবোর প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য ও আইনগত দায়িত্ব গ্রামীণ বিদ্যুতায়ন ও পল্লী উন্নয়ন কার্যক্রমের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

১৩২/২৩০ কেভি ভোল্টেজ স্তরের বৃহৎ বাল্ক শিল্প গ্রাহকদের বিদ্যুৎ সরবরাহ Rural Electrification Board Act, ২০১৩-এ বাপবিবোর কোনো উদ্দেশ্য, দায়িত্ব বা ক্ষমতা হিসেবে নির্ধারিত হয়নি। অতএব, বাপবিবো'কে এ ধরনের কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার যে কোনো উদ্যোগ আইনের উদ্দেশ্য, আইনপ্রণেতার অভিপ্রায় (Legislative Intent) এবং প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব বণ্টনের মৌলিক নীতির পরিপন্থী। এর ফলে শুধু আইনের উদ্দেশ্যই ব্যহত হবে না, বরং গ্রামীণ বিদ্যুতায়ন ও পল্লী উন্নয়ন কার্যক্রমের বিঘ্নতা এবং বিদ্যুৎ খাতের আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলাও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হবে।

বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ