ঢাকা , বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬ , ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​প্রধানমন্ত্রীর খালাতো ভাইয়ের সোয়া কোটি টাকা ছিনতাই, যা বলল ডিবি

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ১২-০৮-২০২৬ ০৩:৫২:৫৫ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ১২-০৮-২০২৬ ০৫:৪৪:৫২ অপরাহ্ন
​প্রধানমন্ত্রীর খালাতো ভাইয়ের সোয়া কোটি টাকা ছিনতাই, যা বলল ডিবি ​ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর উত্তরা এলাকায় ব্যাংকে জমা দিতে যাওয়ার পথে ডিএল পেট্রোল পাম্পের ১ কোটি ২১ লাখ ২৫ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় আসামিদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। শিগগিরই আসামিদের আইনের আওতায় আনার কথা জানিয়েছে ডিবি।

বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক প্রশ্নের জবাবে ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, আমরা সবাই এটা নিয়ে কাজ করছি। অনেকগুলো বিষয় নিয়ে কাজ করতেছি। আমরা আশাবাদী অচিরেই আমরা আসামিদের ধরে ফেলবো।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা মহানগরে যে কয়টা ঘটনা ঘটেছে, অলমোস্ট সবগুলোই ডিবি অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে উদঘাটন করেছে এবং আসামি গ্রেফতার হয়েছে। আমরা আশাবাদী, সোয়া কোটি টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনাও আমরা উদঘাটন করবো। যারা অপরাধী তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসবো।

এর আগে রোববার (৯ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে উত্তরা র্যাব-১ ব্যাটালিয়নের দক্ষিণ পাশে ব্যাংকে জমা দিতে যাওয়ার পথে ডিএল পেট্রোল পাম্পের ১ কোটি ২১ লাখ ২৫ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। প্রতিষ্ঠানটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খালাতো ভাই তাসীন আক্তার হকের বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তিনটি মোটরসাইকেলে করে আসা কয়েকজন ব্যক্তি টাকা বহনকারী গাড়িটির গতিরোধ করেন। একপর্যায়ে গাড়িতে ধাক্কা দিয়ে সেটি থামানোর পর ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যান তারা।

মামলার এজাহারে ছিনতাই হওয়া টাকা ডিএল পেট্রোল পাম্পের বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পেট্রোল পাম্পের ম্যানেজার করিম বাদী হয়ে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ডিএল প্রতিষ্ঠানের মালিকানার সঙ্গে যুক্ত তাসীন আক্তার হক। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বোন, সাবেক সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী খুরশীদ জাহান হকের ছোট ছেলে।

পেট্রোল পাম্প-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ডিএল পেট্রোল পাম্পে প্রতিদিন প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকা লেনদেন হয়। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিদিনের বিক্রির টাকা সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে ব্যাংকে জমা দেওয়ার জন্য নেওয়া হতো। শুক্র ও শনিবার ব্যাংক বন্ধ থাকায় ওই দুদিনের টাকা পরবর্তী কর্মদিবস রোববার একসঙ্গে ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়। ফলে রোববার তুলনামূলক বেশি টাকা ব্যাংকে নেওয়া হয়।

বাংলা স্কুপ/প্র্রতিবেদক/এইচবি/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ