দাবানলের তাণ্ডবে কানাডায় জরুরি অবস্থা, ঘরছাড়া ২০ হাজারের বেশি
ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় :
০৯-০৮-২০২৬ ১২:১৬:৩২ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
০৯-০৮-২০২৬ ১২:১৬:৩২ অপরাহ্ন
ছবি : সংগৃহীত
কানাডার পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ভয়াবহ দাবানলের কারণে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। আগুনের আকার এক রাতেই প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যাওয়ার পর ২০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল এ খবর জানিয়েছে।
বাল্ড রেঞ্জ দাবানল নিয়ন্ত্রণের বাইরে রয়েছে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে প্রায় ৯ হাজার ৫০০ হেক্টর বা ২৩ হাজার ৫০০ একর এলাকায় পৌঁছেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রদেশটির দক্ষিণের অভ্যন্তরীণ অঞ্চলে ওকানাগান লেকের পশ্চিমে সামারল্যান্ড, পিচল্যান্ডসহ বিভিন্ন এলাকায় লোকজনকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অঞ্চলটি ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার অধিকাংশ এবং কানাডার দ্বিতীয় বৃহত্তম ওয়াইন উৎপাদনকারী এলাকা।
এক সংবাদ সম্মেলনে ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার প্রিমিয়ার ডেভিড এবি বলেন, আগুনটিকে এক কর্মকর্তা ‘বোমা বিস্ফোরণের’ সঙ্গে তুলনা করেছেন। তিনি বলেন, ওই কর্মকর্তা তাকে জানিয়েছেন- কীভাবে ১০০ ফুট উঁচু গাছের ওপর লেলিহান শিখা আরও ২০০ ফুট উঁচুতে উঠে যাচ্ছে এবং আগুনটি নিজের আবহাওয়া ব্যবস্থা নিজেই তৈরি করছে, যা থেকে বজ্রপাত সৃষ্টি হয়ে আগুনকে আরও বেশি উসকে দিচ্ছে।
প্রিমিয়ার বলেন, অনেক ঘরবাড়ি বিলীন হয়ে গেছে এবং বসতভিটা ধ্বংস হয়েছে। পরিস্থিতি খুব দ্রুত পরিবর্তিত হওয়ায় কিছু মানুষ আটকা পড়েছিলেন এবং তাদের উদ্ধার করার প্রয়োজন পড়েছে। এই পরিস্থিতি অত্যন্ত পরিবর্তনশীল এবং হুমকিজনক বলে সতর্ক করেন তিনি।
২০২১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, সামারল্যান্ডে প্রায় ১২ হাজার মানুষ বসবাস করেন। পিচল্যান্ডের জনসংখ্যা প্রায় ৬ হাজার ৫০০।
জরুরি অবস্থা জারির ফলে প্রাদেশিক সরকার তাৎক্ষণিকভাবে বিশেষ কিছু ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে। এর মধ্যে রয়েছে চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ, অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি ঠেকাতে সরবরাহ সুরক্ষা এবং উদ্ধার কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য নির্দিষ্ট কিছু ব্যবস্থা।
বাবা ভাঙ্গার ২০২৬ ভবিষ্যদ্বাণী: ২টি নাকি সত্যি, বাকি ৩টি কীবাবা ভাঙ্গার ২০২৬ ভবিষ্যদ্বাণী: ২টি নাকি সত্যি, বাকি ৩টি কী
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাল্ড রেঞ্জের দাবানল এ গ্রীষ্মে এখন পর্যন্ত ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় সবচেয়ে বেশি লোকজন সরিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটিয়েছে। প্রদেশজুড়ে ২০ হাজারের বেশি মানুষকে নিজেদের বাড়িঘর ছাড়তে হয়েছে।
সামারল্যান্ডের মেয়র ডগ হোমস ফোনে পেন্টিকটন থেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, অনেক খামার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কতগুলো স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে, আমরা জানি না। তারা এখনও আগুন নেভাতে ব্যস্ত। আমাদের সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত হতে হবে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স