কৃষকের বিশ্রামাগার: খুঁটি আছে চাল নেই
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
০৮-০৮-২০২৬ ০২:৫৫:৪৪ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
০৮-০৮-২০২৬ ০২:৫৫:৪৪ অপরাহ্ন
ছবি : সংগৃহীত
মাঠে কৃষকের বিশ্রামাগার আছে, তবে মাথার ওপর চাল নেই। ২০২০ সালে ঝড়ে টিনের চাল উড়ে যাওয়ার পর প্রায় ৬ বছর কেটে গেছে। কিন্তু কৃষকদের এই আশ্রয়স্থলটি আর মেরামত করা হয়নি। রোদ, ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাতের মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই মাঠে কাজ করতে হচ্ছে কৃষকদের। এমন চিত্র কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নের উত্তর ভবানীপুর এলাকায়। এখানে বিস্তীর্ণ কৃষিজমি রয়েছে। প্রতিদিন বহু কৃষক ও শ্রমিক এই মাঠে কাজ করেন।
জানা গেছে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় প্রায় ৩ লাখ টাকা ব্যয়ে টিনশেডের আধাপাকা ছাউনি ঘর নির্মাণ করে। উদ্দেশ্য ছিল, মাঠে কাজের ফাঁকে কৃষকরা যেন এখানে বিশ্রাম নিতে পারেন, খাওয়া-দাওয়া করতে পারেন এবং নামাজ আদায় করতে পারেন। কিন্তু ২০২০ সালের ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ঘরটির চাল উড়ে যায়। এরপর থেকে সেটি আর মেরামত করা হয়নি। এখন শুধু খুঁটিগুলো দাঁড়িয়ে আছে। বৃষ্টি হলে পানি পড়ে, আর রোদে কোনো ছায়া মেলে না।
কৃষকরা জানান, খরিলার বিলে অনেক বিঘা জমি রয়েছে। প্রতিদিন বহু কৃষক ও শ্রমিক এখানে কাজ করেন। কাজের ফাঁকে তারা এই ঘরে বসে বিশ্রাম নেন, খাওয়া-দাওয়া করেন এবং নামাজ পড়েন। কিন্তু আম্ফান ঝড়ের পর থেকে ঘরটিতে চাল নেই। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে কাজ করতে হয়। দুপুরে একটু বসার জায়গাও নেই। ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে দৌড়ে বাড়ি যেতে হয়। পথে বজ্রপাতের ভয়ও থাকে। ঘরটি মেরামত করে দিলে তাদের খুব উপকার হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আখতার বলেন, বরাদ্দ পাওয়া গেলে কৃষকদের স্বার্থে এখানে স্থায়ী চাল নির্মাণের ব্যবস্থা করা হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স