ঢাকা , মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ , ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আষাঢ়ী পূর্ণিমায় মুখরতা বিহারে বিহারে

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ২৯-০৭-২০২৬ ০৪:০২:২৪ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ২৯-০৭-২০২৬ ০৪:০২:২৪ অপরাহ্ন
আষাঢ়ী পূর্ণিমায় মুখরতা বিহারে বিহারে ছবি : সংগৃহীত
ভোরের আলো তখনও ফোটেনি। পুণ্যার্থীতে মুখর রাজবন বিহার এলাকা। ফুল, ফল আর দানসামগ্রী হাতে বুদ্ধপূজা, অষ্টশীল গ্রহণ, সংঘদান ও ধর্মীয় প্রার্থনায় অংশ নেন তারা। রাঙামাটির এই বিহারে আয়োজন করা হয়েছে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম উৎসব আষাঢ়ী পূর্ণিমা। 

দিনটি ঘিরে বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে জেলার রাজবন বিহার ছাড়াও আনন্দ বিহার, মৈত্রী বিহারসহ বিভিন্ন বিহারে নানা আয়োজন চলছে। রাজবন বিহারে আয়োজনের মধ্যে রয়েছে ধর্মদেশনা, পরিত্রাণ সূত্র পাঠ, সংঘদান, অষ্ট পরিষ্কার দান ও পঞ্চশীল গ্রহণ।

পার্বত্য চট্টগ্রামের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলা থেকেও ভক্তরা অংশ নিচ্ছেন এ আয়োজনে।

বৌদ্ধ ধর্মমতে আষাঢ়ী পূর্ণিমায় বুদ্ধত্ব লাভের পর প্রথম ধর্মদেশনা প্রদান করেন গৌতম বুদ্ধ। একই সঙ্গে শুরু হয় ভিক্ষু সংঘের তিন মাসব্যাপী বর্ষাবাস। দিনটি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

ধর্মীয় আচার পালনের পাশাপাশি দেশ, জাতি ও বিশ্বের শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

বৌদ্ধ ধর্মমতে, এই তিথিতেই গৌতম বুদ্ধ মাতৃগর্ভে ধারণ, গৃহত্যাগ ও বুদ্ধত্ব লাভের পর প্রথম তার পঞ্চবর্গীয় শিষ্যকে ধর্মচক্র দেশনা দেন এবং সংযম পালনের ব্রত হতে আষাঢ়ী পূর্ণিমা হতে প্রবারণা পূর্ণিমা তিথি পর্যন্ত তিন মাস বর্ষাবাস শুরু করেন।

রাঙামাটি রাজবন বিহারের আবাসিক প্রধান প্রজ্ঞানন্দ মহাথেরো বলেন, বুদ্ধের অহিংস বাণী ছড়িয়ে দিতে হবে। শুধু ছড়িয়ে দিলে হবে না, নিজেকেও এই বাণীর মর্মার্থ ধারণ করতে হবে। সবার মধ্যে মৈত্রীভাব ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে বুদ্ধের আশীর্বাদ গ্রহণ করতে হবে।
 
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন 
 


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ