ঢাকা , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ , ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিনে চার-পাঁচ ঘণ্টা লোডশেডিং, অতিষ্ঠ ময়মনসিংহ নগরবাসী

ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় : ২৬-০৭-২০২৬ ০৪:২৪:১৬ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ২৬-০৭-২০২৬ ০৪:২৪:১৬ অপরাহ্ন
দিনে চার-পাঁচ ঘণ্টা লোডশেডিং, অতিষ্ঠ ময়মনসিংহ নগরবাসী ফাইল ছবি
শনিবার (২৫ জুলাই) দিবাগত রাত ১টা ১০ মিনিটে লোডশেডিং হয়। বিদ্যুৎ আসে রাত আড়াইটায়।

প্রচণ্ড গরমের মধ্যে এক ঘণ্টা  ২০ মিনিট ধরে বিদ্যুৎ না থাকায় ভোগান্তিতে পড়ে ওই এলাকার বাসিন্দারা। এরপর ভোর সাড়ে ৪টায় ফের লোডশেডিং হয়। সকাল সাড়ে ৬টায় আবারো। বিদ্যুতের এই অবস্থা ছিল ময়মনসিংহ নগরের রাককৃষ্ণ মিশন রোড এলাকায়।

শুধু রাতে নয়, শনিবার বিকেল থেকে আজ রবিবার (২৬ জুলাই) সকাল ১১টা পর্যন্ত ওই এলাকায় অন্তত ছয় ঘণ্টা লোডশেডিং হয়েছে বলে জানান সেখানকার  কয়েকজন বাসিন্দা। 

রামকৃষ্ণ মিশন রোড এলাকার ছত্রিশবাড়ি কলোনির বাসিন্দা হালিমা খাতুন বলেন, ‘বিদ্যুৎ না থাকায় শনিবার রাতে আমরা ঘুমাতে পারিনি। রাতে ও সকালে কয়েকবার বিদ্যুৎ গেছে। অনেকক্ষণ পরপর বিদ্যুৎ আসে।

শুধু রামকৃষ্ণ মিশন এলাকায় নয়, খোঁজ নিয়ে জানা গেছে  সম্প্রতি ময়মনসিংহ নগরে আবারো বেড়েছে লোডশেডিং। ২৪ ঘণ্টায় চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং চলছে। এতে বাড়ি ও কর্মস্থল- উভয় জায়গায় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে মানুষকে। 

আজ রবিবার সকালে নগরের পাটগুদাম, সানকিপাড়া, স্টেশন রোড, কলেজ রোড এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওইসব এলাকায়ও বেড়েছে লোডশেডিং। শনিবার রাতে এলাকা ভেদে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং করা হয়।

ময়মনসিংহ নগরে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)-এর দুটি বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ কেন্দ্র রয়েছে। এ দুটি কেন্দ্রের মাধ্যমে ময়মনসিংহ নগরে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। 

আজ সকালে নগরের বাতিলকল এলাকায় অবস্থিত বিক্রয ও বিতরণ কেন্দ্র দক্ষিণের নির্বাহী প্রকৌশলী মশিউল ইসলাম লোডশেডিং বাড়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, তাপমাত্রা বাড়লে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ে। তখন সাধারণত লোডশেডিং বাড়ে। গতকাল শনিবার থেকে ময়মনসিংহ নগরে তাপমাত্রা বেড়েছে। এ কারণে শনিবার রাতে ঘন ঘন লোডশেডিং হয়।

মশিউল ইসলাম জানান, বিক্রয় ও বিতরণ কেন্দ্র দক্ষিণে  শনিবার সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ৪৮ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ ছিল ৩৪ মেগাওয়াট। ঘাটতি ছিল ১৪ মেগাওয়াট। এ  কারণে ব্যাপক মাত্রায় লোডশেডিং হয়।

ময়মনসিংহ বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ কেন্দ্র উত্তর (স্টেশন রোড)-এর অধীনে পরিচালিত নগরের প্রত্যেক এলাকায়ও গতকাল থেকে আজ রবিবার দুপুর পর্যন্ত ব্যাপক লোডশেডিং হয়। এতে নগরের ওই এলাকার মানুষকেও দুর্ভোগ পোহাতে হয়। 

স্টেশন রোড এলাকার একজন বাসিন্দা বলেন, ‘লোডশেডিংযের কারণে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ। মাঝরাতেও চলছে লোডশেডিং। প্রচণ্ড গরমে মানুষ ঘুমাতে না পেরে অসুস্থ হয়ে পড়ার উপক্রম হয়েছে। আমরা এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ চাই।’

বিক্রয় ও বিরতণ কেন্দ্র উত্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে, তিনি পরে জানাবেন বলে ফোন কেটে দেন।

 
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন 
 


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ