মেডিকেল শিক্ষার্থীদের দেশসেবায় আত্মনিয়োগের আহ্বান ডা. জুবাইদার
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
২৩-০৭-২০২৬ ০৫:৩৯:৪৩ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
২৩-০৭-২০২৬ ০৫:৩৯:৪৩ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান মেডিকেল শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেছেন, চিকিৎসক হিসেবে পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেম ধারণ করে দেশের মানুষের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে নতুন প্রজন্মের চিকিৎসকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতাল ও কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও শিক্ষা ক্ষেত্রে কৃতিত্বের জন্য সম্মাননা-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. জুবাইদা রহমান শিক্ষা ক্ষেত্রে কৃতিত্বের জন্য সম্মাননা পাওয়া শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান এবং কঠোর শিক্ষাজীবনের মধ্যেও সাংস্কৃতিক চর্চা অব্যাহত রাখায় তাদের প্রশংসা করেন। এর আগে তিনি কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা সনদ তুলে দেন।
তিনি বলেন, সংস্কৃতিই মানব সভ্যতার ভিত্তি। চিকিৎসাবিজ্ঞানে অধ্যয়নের সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীরা দেশের অন্যতম মেধাবী। তবে মেধার পাশাপাশি মানবিক মন নিয়েই একজন চিকিৎসক অসুস্থ মানুষের সেবার মাধ্যমে জীবনের প্রকৃত সার্থকতা অর্জন করেন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, মেডিকেল শিক্ষার্থীরা বিদেশে উচ্চতর ডিগ্রি ও প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে ফিরে এসে মানুষের পাশে দাঁড়াবেন এবং সংকটময় সময়ে চিকিৎসাসেবা প্রদান করবেন।
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন পরিসংখ্যান তুলে ধরে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, দেশে প্রতি এক হাজার মানুষের বিপরীতে চিকিৎসকের সংখ্যা মাত্র ৮৩ এবং একজন চিকিৎসককে প্রায় ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ রোগীর সেবা দিতে হয়। গ্রামাঞ্চলে এ সংকট আরও প্রকট। এছাড়া দেশের ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ চিকিৎসক শহরাঞ্চলে কর্মরত থাকলেও প্রায় ৭৮ শতাংশ মানুষ বসবাস করেন গ্রামে। নার্সের সংখ্যাও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত মানের তুলনায় অনেক কম। বাংলাদেশসংবাদ
তিনি বলেন, সরকারি চিকিৎসকদের অনুপাতও অত্যন্ত কম হওয়ায় চিকিৎসা ব্যয় এখনও দারিদ্র্যের অন্যতম কারণ হয়ে রয়েছে। শিক্ষাজীবন থেকেই শিক্ষার্থীরা দেশসেবার অঙ্গীকার নিয়ে এগিয়ে এলে ভবিষ্যতে এ পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব।
ডা. জুবাইদা রহমান আরও বলেন, এমন একটি চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যেখানে চিকিৎসার অভাবে কোনো গ্রামবাসী প্রাণ হারাবে না, কোনো অন্তঃসত্ত্বা মা কিংবা নবজাতক প্রতিরোধযোগ্য কারণে মৃত্যুবরণ করবে না।
তিনি বলেন, সবার স্বাস্থ্যই গুরুত্বপূর্ণ এবং এ লক্ষ্য অর্জনে নতুন প্রজন্মের চিকিৎসকদের এগিয়ে আসতে হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স