ঠোঁটকাটা-তালুকাটা শিশুদের পুনর্বাসনে জাতীয় কর্মসূচির ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় :
২৩-০৭-২০২৬ ০১:৪৭:০৯ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
২৩-০৭-২০২৬ ০১:৪৭:০৯ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত
দেশে জন্মগত ঠোঁটকাটা ও তালুকাটা শিশুদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে জাতীয় কর্মসূচি গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, এই উদ্যোগকে আরও বড় পরিসরে বাস্তবায়ন করে দেশের সব প্রান্তের শিশুদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হবে।
বুধবার (২২ জুলাই) রাতে রাজধানীর গুলশান ক্লাবে ‘ঢাকায় স্মাইল এশিয়ার ৮ম আন্তর্জাতিক ফ্রেন্ডশিপ মেডিকেল মিশন’ উপলক্ষে আয়োজিত গালা ডিনার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।
সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের উদ্যোগে স্মাইল এশিয়া, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, ঢাকা ব্যাংক এবং সাজেদা ফাউন্ডেশনের যৌথ আয়োজনে ‘নতুন হাসির অঙ্গীকারে’ শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় ঠোঁট ও তালুকাটা ৬৯ জন শিশুর বিনামূল্যে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা হয়।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জন্মগত এই সমস্যায় আক্রান্ত শিশুদের অসহায়ত্ব যে কাউকে ব্যথিত করে। তবে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় তাদের মুখে আবারও হাসি ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে, যা অত্যন্ত মানবিক ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ।
তিনি স্মাইল এশিয়া ও সাজেদা ফাউন্ডেশনকে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, পরবর্তীতে তারা বাংলাদেশে এলে সরকার এই উদ্যোগকে জাতীয় কর্মসূচিতে রূপ দেবে, যাতে আরও বেশি মানুষ এর সুফল পান।
দেশের চিকিৎসকদের দক্ষতার প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে দেশীয় চিকিৎসকদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জেলায় দ্রুত ত্বক পৌঁছে দিয়ে পোড়া রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। তিনি বলেন, নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও দেশের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, সাম্প্রতিক বন্যাকবলিত ১১টি জেলায় বন্যা ও বন্যা-পরবর্তী ডায়রিয়া, কলেরা, চর্মরোগ এবং সাপের কামড়ে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় ডাক্তার ও স্বাস্থ্যকর্মীরা নিরলসভাবে কাজ করেছেন। এ সময় স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ঢাকা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওসমান এরশাদ ফয়েজ, সাজেদা ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাহেদা ফিজ্জা কবির, স্মাইল এশিয়ার মহাসচিব অভিমন্যু তালুকদার, সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. আ. রাজ্জাক সরকারসহ দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, অ্যানেসথেসিওলজিস্ট, থেরাপিস্ট ও স্বাস্থ্যকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স