ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ , ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেসরকারি খাতে যাচ্ছে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা, ​জানালেন বিদ্যুৎমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ২২-০৭-২০২৬ ০৬:৪১:৩৭ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ২২-০৭-২০২৬ ০৮:১০:২৮ অপরাহ্ন
বেসরকারি খাতে যাচ্ছে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা, ​জানালেন বিদ্যুৎমন্ত্রী প্রতীকী ছবি
দেশের বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও আর্থিকভাবে টেকসই করতে ধাপে ধাপে এ খাতে বেসরকারি অংশগ্রহণ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি পরিচালনায় আগ্রহী বেসরকারি উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে বিনিয়োগ প্রস্তাব আহ্বান করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ের গ্র্যান্ড বলরুমে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও রূপান্তর’ শীর্ষক সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। মন্ত্রী জানান, এই উদ্যোগ এগিয়ে নিতে এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি পাওয়া গেছে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় যুক্ত রয়েছে ছয়টি কোম্পানি। এগুলো হলো- পিডিবি, ডিপিডিসি, ডেসকো, নেসকো, আরইবি ও ওজোপাডিকো ।

বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, আমি সব বিতরণ কোম্পানিকে বেসরকারিকরণ করতে চাই। সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদন করে পাইকারি বিক্রি করতে পারে, কিন্তু গ্রাহক পর্যায়ে বিতরণের কাজটি বেসরকারি খাতেরই করা উচিত।

পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের উদাহরণ টেনে মন্ত্রী বলেন, কলকাতা, মুম্বাই ও দিল্লির মতো শহরগুলোতে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা বেসরকারি কোম্পানিগুলো পরিচালনা করছে। বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা কেন তা পারবেন না—সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের প্রস্তাব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার এসব প্রস্তাব গুরুত্বের সাথে যাচাই-বাছাই করবে।

মন্ত্রীর মতে, বিতরণ ব্যবস্থা বেসরকারি খাতে ছেড়ে দিলে বিল আদায়ের হার বাড়বে এবং সরকারের আর্থিক বোঝা কমবে। তিনি বলেন, সরকার খুচরা ব্যবসা করতে পারে না। বেসরকারি উদ্যোক্তারা এলে জবাবদিহিতা ও বিল আদায় নিশ্চিত হবে।

বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, আগের সরকারের রেখে যাওয়া ৬৭ হাজার কোটি টাকার বকেয়া বিদ্যুৎ বিল। এটি কীভাবে সমাধান করব, সেটি আমিও সহজে বলতে পারি না। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় একটি কমিটি গঠন করেছে। তারা বর্তমান বিদ্যুৎ বিলের পাশাপাশি এই ৬৭ হাজার কোটি টাকার বকেয়া কীভাবে পরিশোধ করা যায়, সে বিষয়ে কাজ করছে। এটি রাষ্ট্রীয় কোষাগারের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে।

তিনি আরও বলেন, তবে আমি এসব কথা বলছি বলে আপনারা ভয় পাবেন না। আমরা হ্যান্ডেল করছি এবং খুব ডেডিকেটেডলি, অনেস্টলি হ্যান্ডেল করছি।

বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ