নতুন বেতন কাঠামো চূড়ান্ত হবে আজ
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
১৫-০৭-২০২৬ ১১:৩০:২৬ পূর্বাহ্ন
আপডেট সময় :
১৫-০৭-২০২৬ ১১:৩০:২৬ পূর্বাহ্ন
ফাইল ছবি
বহুল আলোচিত নবম পে-স্কেলের সুপারিশ চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে আজ বুধবার বৈঠকে বসছে পুনর্গঠিত সচিব কমিটি। বুধবার (১৫ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠেয় বৈঠকেই সচিব কমিটির প্রস্তাবিত সুপারিশমালা চূড়ান্ত অনুমোদন পেতে পারে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রথম থেকে ১০ম গ্রেডের কর্মকর্তাদের মূল বেতন ১০০ ভাগ এবং ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন সর্বোচ্চ ১৪০ ভাগ পর্যন্ত বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।
কোনো কারণে যদি আজ এটি চূড়ান্ত করা সম্ভব না হয়, তবে পরবর্তী বৈঠকে তা চূড়ান্ত করে সরাসরি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের জন্য পাঠানো হবে।
নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের পথে নানা ধরনের জটিলতায় এর গেজেট প্রকাশ পিছিয়ে যাচ্ছে। যদিও সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী জুলাই থেকেই এটি বাস্তবায়ন হবে। বেতন কমিশনের সুপারিশ, সরকারের সীমিত আর্থিক সক্ষমতা, বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের প্রভাব এবং ভাতা কাঠামো-সবকিছু সমন্বয় করতে গিয়েই জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে সব গ্রেডে প্রায় একই হারে বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি দেওয়ার পদ্ধতি থেকে সরে আসছে সরকার। নতুন কাঠামোতে তুলনামূলকভাবে নিম্ন ও মধ্যম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বেশি সুবিধা পাবেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
অর্থ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরেই এই নতুন স্কেলের মূল বেতনের পুরো অংশ সরকারি কোষাগার থেকে দেয়া হবে এবং সব ধরনের ভাতা আগামী অর্থবছরে দুই ধাপে পরিশোধ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে নতুন পে-স্কেল কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বর্তমানে চালু থাকা ২০০০ থেকে ৩০০০ টাকার অন্তর্বর্তীকালীন বিশেষ ভাতাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে।
কারণ, মূল বেতন এক লাফে দ্বিগুণ বা তার চেয়েও বেশি বৃদ্ধি পাওয়ায় এই বিশেষ ভাতার আর কোনো যৌক্তিকতা থাকবে না।
এদিকে বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী সরকারি চাকরিজীবীদের সব গ্রেডেই গড়ে ৫ শতাংশ হারে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট দেয়া হয়। তবে নতুন খসড়া অনুযায়ী, ষষ্ঠ থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত ৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। এদিকে পঞ্চম গ্রেডে ৪ শতাংশ, তৃতীয় ও চতুর্থ গ্রেডে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ এবং দ্বিতীয় গ্রেডে ২ দশমিক ৭৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্টের সুপারিশ করা হয়েছে। প্রথম গ্রেডের ইনক্রিমেন্ট আলাদাভাবে নির্ধারণের কথা চলছে। এছাড়া জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশে চিকিৎসা ভাতা সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ৩ হাজার টাকায় আনা হচ্ছে। আর সন্তানদের জন্য মাসিক শিক্ষা ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা ধরা হয়েছে। এক্ষেত্রে কমিশনের সুপারিশ ছিল ২ হাজার টাকা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স