বন্যায় আট জেলায় মৃত্যু ৫৪, ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখের বেশি মানুষ
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
১৪-০৭-২০২৬ ০৪:০৮:০০ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
১৪-০৭-২০২৬ ০৫:৩০:১১ অপরাহ্ন
ছবি : সংগৃহীত
পানি নামতে শুরু করায় এখন পুনর্বাসনকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। বন্যা আক্রান্ত ৮ জেলায় এখন পর্যন্ত ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, আর ক্ষতিগ্র্রস্ত হয়েছে ৬ লাখের বেশি মানুষ। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
তিনি আরও জানিয়েছেন, বন্যার্ত এলাকায় যাবেন তিনি। বন্যায় কত টাকার ক্ষতি হয়েছে তা নিরূপণে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে। আর পাহাড়ের পাদদেশে বা পাহাড়ে বসবাসকারীদের জন্য সমতলে বসবাসের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন ত্রাণমন্ত্রী।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে সচিবালয়ে বন্যাজনিত দুর্যোগ মোকাবিলা, জরুরি সাড়াদান ও সমন্বয়ের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব জানান ত্রাণমন্ত্রী। আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এদিন সংবাদ সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, বন্যা কবলিত এলাকায় ধানের বীজ ডুবে গেছে। আগামী দুই দিনের মধ্যে বন্যা কবলিত এলাকায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জমিতে বীজতলা তৈরি করা হবে। সে বীজ কৃষক পর্যায়ে বিতরণ করা হবে।
এ সময় গৃহপালিত পশুর খাদ্য ও সুস্থতার ব্যাপারেও কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী। তিনি বলেন, গোখাদ্য এবং গো-রোগের বিষয়ে সচেতন আছি। দু’দিনের মধ্যে খড় ও ভূষিজাতীয় খাবার দেয়া শুরু করবে মন্ত্রণালয়। দুর্গত এলাকায় ক্ষুরা রোগের ভ্যাক্সিন দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আর যেসব মৎসচাষী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের সহায়তা করা হবে বলেও জানান তিনি।
এদিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, প্রতিটা ভুক্তভোগী মানুষের ওপর নজর রাখছে স্বাস্থ্যকর্মীরা। সাপের কামড়ে কেউ মারা যায়নি। প্রসূতি মায়েদের স্পিডবোটের মাধ্যমে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বন্যা মোকাবিলায় প্রতিটি মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সব মন্ত্রণালয় এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মনেপ্রাণে সীমিত সম্পদ দিয়ে মাঠে কাজ করছি। বন্যা সংকটকে সুন্দরভাবে মোকাবিলা করছি। এর কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রীর। সুযোগ হলে উনি দুর্গত এলাকায় যাবেন, তবে প্রধানমন্ত্রীর যাওয়ার সঙ্গে কর্মের সম্পর্ক নেই। আমরা অলস বসে নেই। প্রধানমন্ত্রী টিম লিডার, আমরা টিমের সদস্যরা সবাই কাজ করছি।
এছাড়া পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, দুই একদিনের মধ্যে পানি বিপৎসীমার নীচে নেমে আসবে। চট্টগ্রামে পানি সম্পদ একটি প্রজেক্টের কাজ চলমান, এ বছরের শেষে সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এতে চট্টগ্রাম সিটিতে জলাবদ্ধতার বিষয় থাকবে না বলেও জানান তিনি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স