ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ , ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোরে ছিনতাই ও কিশোর গ্যাং রুখতে চালু হচ্ছে বিশেষ কলসেন্টার

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ১২-০৭-২০২৬ ০৪:২২:৩৬ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ১২-০৭-২০২৬ ০৪:২২:৩৬ অপরাহ্ন
যশোরে ছিনতাই ও কিশোর গ্যাং রুখতে চালু হচ্ছে বিশেষ কলসেন্টার ফোকাস বাংলা নিউজ
যশোরে ছিনতাই ও কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত প্রতিরোধে একটি ডেডিকেটেড ‘কলসেন্টার’ চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। এই সেন্টারে ফোন দিলে তাৎক্ষণিকভাবে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ​রোববার সকালে জেলা কালেক্টরেট সভা কক্ষ ‘অমিত্রাক্ষর’-এ অনুষ্ঠিত জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​সভায় সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান জানান, পুলিশ ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের (এডিএম) সমন্বয়ে দ্রুতই এই কলসেন্টারটি খোলা হবে। সেন্টারের যোগাযোগের নম্বরটি প্রকাশ করা মাত্রই নাগরিকরা সেখানে জরুরি প্রয়োজনে কল করে তাৎক্ষণিক সহায়তা পাবেন।
​শহরে অপ্রাপ্তবয়স্ক যুবকদের আনাগোনা এবং ছিনতাই বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি সভায় তুলে ধরেন চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মিজানুর রহমান খান। বিশেষ করে উপশহর ক্লাব মোড়ে প্রতিদিন কিশোরদের আড্ডা, স্কুল-কলেজের ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করা এবং ছিনতাইয়ের ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। এর প্রেক্ষিতেই কলসেন্টার চালুর সিদ্ধান্ত আসে।

​পাশাপাশি, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম মাদক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, যেকোনো অপরাধমূলক তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অন্যদিকে বেজপাড়া মৎস্য উৎপাদন কেন্দ্রের সামনে চুরির ঘটনা নিয়ন্ত্রণে পুলিশের টহল বাড়ানোর দাবি জানান জেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মনিরুল মামুন।

​সভায় জেলার সমসাময়িক জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। জেলা প্রশাসক জানান, যশোর বড় ধরনের দুর্যোগ থেকে মুক্ত থাকলেও ২/৩টি উপজেলায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ইতোমধ্যে দুর্গতদের মাঝে ২৭ টন চাল ও অন্যান্য সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।
​পৌরসভার ৫ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডসহ শহরের কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতার তীব্রতা নিয়ে কথা বলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন। তিনি জানান, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের নির্দেশে ইতোমধ্যে জলাবদ্ধ এলাকার মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

​এদিকে জলাবদ্ধতার কারণে জেলায় সাপের উপদ্রব বেড়েছে বলে জানান সিভিল সার্জন ডাক্তার মাসুদ রানা। তবে আতঙ্কের কিছু নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, "প্রত্যেক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যান্টিভেনম ভ্যাকসিনের ১টি করে ডোজ মজুদ রয়েছে। সেই সাথে পর্যাপ্ত ওষুধ ও খাবার স্যালাইন প্রস্তুত রাখা হয়েছে।"

​উক্ত সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়নমূলক পরিস্থিতি নিয়ে নিজ নিজ মতামত ব্যক্ত করেন।
 
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন 


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ