দীনেশ ত্রিবেদীকে পূর্ণমন্ত্রীর মর্যাদা ভারত সরকারের
ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় :
২৫-০৬-২০২৬ ০৫:৫০:৩৭ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
২৫-০৬-২০২৬ ০৫:৫০:৩৭ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার পূর্ণ (ক্যাবিনেট) মন্ত্রীর সমমর্যাদা দিয়েছে ভারত সরকার। বুধবার (২৪ জুন) ভারত সরকার এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে, দীনেশ ত্রিবেদী হাইকমিশনার থাকাকালীন তিনি ভারতে সরকারি ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে ভারত সরকারের পূর্ণমন্ত্রীর মর্যাদা পাবেন। এই মর্যাদা কার্যকর হবে সরকারি অনুষ্ঠানে ভারত সরকারের মন্ত্রীসহ বিশিষ্টদের আসন বরাদ্দের ক্ষেত্রে।
সরকারি বিধিমতে, এই ব্যবস্থাকে বলা হয় টেবিল অব প্রিসিডেন্স বা পদমর্যাদা ভিত্তিক অগ্রাধিকারের সারণি।
এর ফলে রাষ্ট্রীয় ও আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে তিনি উচ্চতর প্রটোকল সুবিধা পাবেন। তবে এ কারণে ভারতের বিদ্যমান টেবিল অব প্রিসিডেন্স বা রাষ্ট্রীয় প্রটোকল ক্রমতালিকায় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।
ভারত সরকারের আন্ডার সেক্রেটারি কমলেশ রবিদাস স্বাক্ষরিত স্মারকে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীকে ব্যক্তিগত বিবেচনায় টেবিল অব প্রিসিডেন্সে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার মন্ত্রীর সমমর্যাদা দেয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, এই মর্যাদা কেবল আনুষ্ঠানিক ও প্রটোকল সংক্রান্ত কার্যক্রমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এর ফলে ভারতের প্রটোকল তালিকায় কোনো স্থায়ী পরিবর্তন আসছে না।
মনে করা হচ্ছে, রাষ্ট্রীয় প্রটোকলে দীনেশ ত্রিবেদীর রাজনৈতিক গুরুত্ব বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশকে দীনেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ওজন নিয়ে বার্তা দেয়ার জন্যই ভারত সরকারের এমন পদক্ষেপ।
ঢাকায় ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বৃহস্পতিবারই (২৫ জুন) বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের কাছে তার পরিচয়পত্র পেশ করেন। তারপর আনুষ্ঠানিকভাবে হাইকমিশনার হিসেবে কার্যভার গ্রহণ করবেন তিনি। তার আগেই প্রেস বিবৃতি জারি করে ভারত সরকার এমন সিদ্ধান্তের কথা জানালো।
প্রসঙ্গত, এটি মূলত একটি আনুষ্ঠানিক প্রটোকল বা তালিকা, যা সরকারি পদস্থ কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের গুরুত্বের ক্রমানুসারে সাজানো হয়। রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান বা প্রটোকলে কে কার আগে থাকবেন বা কাকে কতটুকু সম্মান দেয়া হবে, তা নির্ধারণ করতে এটি ব্যবহৃত হয়। বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদী অতীতে ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন। তবে পদমর্যাদায় তিনি ছিলেন প্রতিমন্ত্রী। ঢাকায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার হওয়ার পর তাকে পূর্ণমন্ত্রীর মর্যাদা প্রদান করল ভারত সরকার। তবে এই মর্যাদা তিনি ভারতে অবস্থানকালে সরকারি অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স