বাবার গড়া বাগানে আলিফের ভাগ্য বদল
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
১৭-০৬-২০২৬ ১১:৪৫:৩৭ পূর্বাহ্ন
আপডেট সময় :
১৭-০৬-২০২৬ ১১:৪৫:৩৭ পূর্বাহ্ন
ছবি : সংগৃহীত
টাঙ্গাইলের মধুপুরে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে লটকন চাষ। এই চাষের মাধ্যমে সাফল্যের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন লাম আলিফ নামে এক কৃষক। বাবার রেখে যাওয়া লটকন বাগানকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে তার পরিবারের আয়ের প্রধান উৎস।
জানা যায়, কয়েক বছর আগে তার বাবা এই ফলের বাগান গড়ে তুলেছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর বাগানের সব কিছু দেখভাল করছেন লাম আলিফ। নিষ্ঠা, পরিশ্রম ও সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে বাগানটিকে আরও সমৃদ্ধ করেছেন তিনি। বর্তমানে সেই বাগান থেকেই পরিবারের খরচ মিটিয়ে আর্থিক সচ্ছলতা অর্জন করেছেন।
বাগানে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে প্রকৃতির এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। সবুজ পাতায় ঘেরা গাছের ডালে ডালে থোকায় থোকায় ঝুলে রয়েছে সবুজ ও হলুদ রঙের মিশেলে সেজে ওঠা লটকন ফল। দূর থেকে দেখলে মনে হয় যেন প্রকৃতি নিজ হাতে রঙের তুলিতে এঁকেছে এক অপূর্ব চিত্রপট। ফলভর্তি গাছগুলো দর্শনার্থীদের সহজেই মুগ্ধ করে এবং প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে বাগানটি হয়ে উঠেছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।
স্বাদে হালকা টক হওয়ায় গরমের মৌসুমে লটকনের চাহিদা বেশি থাকে। তীব্র গরমে শরীরকে সতেজ রাখতে অনেকেই এই ফল কিনে থাকেন। ফলের বাজারেও এর চাহিদা বেড়েছে। বর্তমানে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি লটকন ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভালো দাম পাওয়ায় চাষিরাও সন্তুষ্ট।
তরুণ উদ্যোক্তা লাম আলিফ জানান, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন হয়েছে আশানুরূপ। বিশেষ করে মধুপুরের পাহাড়ি লালমাটি লটকন চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় উৎপাদন বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। মাটির গুণাগুণ ও প্রাকৃতিক পরিবেশের কারণে ফলের মানও ভালো হয়েছে। বাবার রেখে যাওয়ার গাছগুলো আমাদের পরিবারের আয়ের উৎস তৈরি হয়েছে। ফল একটু টক থাকায় গরমে এই ফলের চাহিদা বেড়েছে। পাইকারি দরে বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি দরে। কৃষি বিভাগ থেকে সার্বিক পরামর্শ দিচ্ছেন।
কয়েকজন স্থানীয় যুবক বলেন, একসময় শুধুমাত্র পারিবারিক বাগান হিসেবে পরিচিত এই লটকন বাগান এখন অনেকের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস। তার সাফল্যের গল্প ছড়িয়ে পড়ায় এলাকার তরুণরাও লটকন চাষে আগ্রহ প্রকাশ করছেন। তারা বাগান পরিদর্শন করে চাষাবাদ পদ্ধতি সম্পর্কে জানছেন এবং বাণিজ্যিকভাবে এ ফল চাষের পরিকল্পনা করছেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক রমজান আলী বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং পাহাড়ি লাল মাটিতে এর ফলন ভালো হওয়ায় লটকন চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। সঠিক পরিচর্যা, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বাজারজাতকরণের সুযোগ বৃদ্ধি করা গেলে এই ফল চাষ স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। তাছাড়া তরুণ উদ্যোক্তাদের এ নটকনা চাষে উদ্বুদ্ধ করতে সার্বিক পরামর্শ ও সহযোগিতা করা হচ্ছে।
টাঙ্গাইলের মধুপুরে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে লটকন চাষ। এই চাষের মাধ্যমে সাফল্যের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন লাম আলিফ নামে এক কৃষক। বাবার রেখে যাওয়া লটকন বাগানকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে তার পরিবারের আয়ের প্রধান উৎস।
জানা যায়, কয়েক বছর আগে তার বাবা এই ফলের বাগান গড়ে তুলেছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর বাগানের সব কিছু দেখভাল করছেন লাম আলিফ। নিষ্ঠা, পরিশ্রম ও সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে বাগানটিকে আরও সমৃদ্ধ করেছেন তিনি। বর্তমানে সেই বাগান থেকেই পরিবারের খরচ মিটিয়ে আর্থিক সচ্ছলতা অর্জন করেছেন।
বাগানে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে প্রকৃতির এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। সবুজ পাতায় ঘেরা গাছের ডালে ডালে থোকায় থোকায় ঝুলে রয়েছে সবুজ ও হলুদ রঙের মিশেলে সেজে ওঠা লটকন ফল। দূর থেকে দেখলে মনে হয় যেন প্রকৃতি নিজ হাতে রঙের তুলিতে এঁকেছে এক অপূর্ব চিত্রপট। ফলভর্তি গাছগুলো দর্শনার্থীদের সহজেই মুগ্ধ করে এবং প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে বাগানটি হয়ে উঠেছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।
স্বাদে হালকা টক হওয়ায় গরমের মৌসুমে লটকনের চাহিদা বেশি থাকে। তীব্র গরমে শরীরকে সতেজ রাখতে অনেকেই এই ফল কিনে থাকেন। ফলের বাজারেও এর চাহিদা বেড়েছে। বর্তমানে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি লটকন ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভালো দাম পাওয়ায় চাষিরাও সন্তুষ্ট।
তরুণ উদ্যোক্তা লাম আলিফ জানান, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন হয়েছে আশানুরূপ। বিশেষ করে মধুপুরের পাহাড়ি লালমাটি লটকন চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় উৎপাদন বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। মাটির গুণাগুণ ও প্রাকৃতিক পরিবেশের কারণে ফলের মানও ভালো হয়েছে। বাবার রেখে যাওয়ার গাছগুলো আমাদের পরিবারের আয়ের উৎস তৈরি হয়েছে। ফল একটু টক থাকায় গরমে এই ফলের চাহিদা বেড়েছে। পাইকারি দরে বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি দরে। কৃষি বিভাগ থেকে সার্বিক পরামর্শ দিচ্ছেন।
কয়েকজন স্থানীয় যুবক বলেন, একসময় শুধুমাত্র পারিবারিক বাগান হিসেবে পরিচিত এই লটকন বাগান এখন অনেকের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস। তার সাফল্যের গল্প ছড়িয়ে পড়ায় এলাকার তরুণরাও লটকন চাষে আগ্রহ প্রকাশ করছেন। তারা বাগান পরিদর্শন করে চাষাবাদ পদ্ধতি সম্পর্কে জানছেন এবং বাণিজ্যিকভাবে এ ফল চাষের পরিকল্পনা করছেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক রমজান আলী বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং পাহাড়ি লাল মাটিতে এর ফলন ভালো হওয়ায় লটকন চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। সঠিক পরিচর্যা, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বাজারজাতকরণের সুযোগ বৃদ্ধি করা গেলে এই ফল চাষ স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। তাছাড়া তরুণ উদ্যোক্তাদের এ নটকনা চাষে উদ্বুদ্ধ করতে সার্বিক পরামর্শ ও সহযোগিতা করা হচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স