ঢাকা , সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬ , ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

​আইনশৃঙ্খলার অনেক উন্নতি হয়েছে, টিআইবির রিপোর্ট পেপার কাটিং

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ০৮-০৬-২০২৬ ০৭:০২:৩৯ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ০৮-০৬-২০২৬ ০৮:১৭:১৬ অপরাহ্ন
​আইনশৃঙ্খলার অনেক উন্নতি হয়েছে, টিআইবির রিপোর্ট পেপার কাটিং ​ছবি: সংগৃহীত
নতুন সরকারের ১০০ দিনের অপরাধ চিত্র নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) প্রকাশিত প্রতিবেদনের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করবেন না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন, ‘টিআইবির প্রতিবেদন শুধু পেপার কাটিংয়ের মাধ্যমে হয়ে থাকে। প্রতিবেদনে তাদের নিজস্ব কোনো তদন্ত নেই। সেহেতু এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না।’

সোমবার (৮ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পুলিশ সদস্যদের পুরস্কার দেওয়া অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

টিআইবি কোনো সরকারি সংস্থা নয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, প্রকৃত অপরাধচিত্র জানতে হলে পুলিশ বিভাগ বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য দেখতে হবে।

এর আগে রোববার (৭ জুন) টিআইবি এক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তাতে বলা হয়, বর্তমান সরকারের প্রথম ১০০ দিনে দেশে ৬০৫টি হতাকাণ্ড ঘটেছে। ধর্ষণ ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ২০৯ জন নারী ও শিশু।

প্রতিবেদনটি সম্পর্কে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, টিআইবির প্রতিবেদন মূলত পত্রিকার কাটিংয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়। তারা নিজেরা কোনো ঘটনা তদন্ত করে না। প্রকৃত ঘটনা বিবেচনা না করে এমন প্রতিবেদন দেওয়া ঠিক নয়। তবে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রয়েছে এবং এসব তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠানো হয়।

তিনি বলেন, ‘আমার সামনে সেই রিপোর্টটা (টিআইবি) নেই। আমরা মাস ভিত্তিতে অপরাধের স্টেটমেন্ট করে থাকি। ডাকাতি, খুন, হত্যা ও ধর্ষণের মতো অপরাধ তালিকাভুক্ত করা হয়। কয়েকদিন আগে আমার কাছে আরেকটি রিপোর্ট এসেছিল, সেখানে দেখেছি ২০২৫ সালের তুলনায় অপরাধের চিত্র বর্তমান সরকারের সময়ে অনেক বেশি উন্নতি লাভ করেছে, অনেক অপরাধ কম।’

অনুষ্ঠানে রামিসা হত্যাকাণ্ডে দ্রুত ডিএনএ টেস্ট ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে চার্জশিট দাখিল, দৌলতদিয়া ঘাটে আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে অন্তত ৫০ জন বাসযাত্রীর প্রাণ রক্ষা এবং মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় কিশোরী হত্যা মামলার দ্রুত রহস্য উদঘাটন ও আসামি গ্রেপ্তারের ঘটনায় দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যদের আর্থিক পুরস্কার ও সনদ দেওয়া হয়। মোট ১৫ জন পুলিশ সদস্যকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেকে ২০ হাজার টাকা ও একটি করে সনদ পেয়েছেন।

বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ