ঢাকা , বুধবার, ২৭ মে ২০২৬ , ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয় শিশুর মৃত্যু

ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় : ২৭-০৫-২০২৬ ১১:৩৩:১৪ পূর্বাহ্ন
আপডেট সময় : ২৭-০৫-২০২৬ ০১:৫০:৩৪ অপরাহ্ন
​আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয় শিশুর মৃত্যু ​ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পরপরই হাসপাতালে থানা পুলিশসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত হয়েছেন।

বুধবার (২৭ মে) সকালে ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আমরা খবর পেয়েছি, আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

তিনি বলেন, তবে শিশুদের মৃত্যু আসলে কী কারণ, তা আমরা এখনো জানি না। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে, আমি নিজেও ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।

হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র বলেছে, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের (এসি) গ্যাস লিকেজ থেকে একটি ওয়ার্ডে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। ভোর রাতে দিকে ঘটনাটি ঘটেছে। যদিও নিরপেক্ষ কোনো সূত্র থেকে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্বরত অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ রায়হান বলেন, তিনি ছয়টি শিশু মারা যাওয়ার খবর পেয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ‘স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ আমরা হাসপাতালে এসেছি। ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছি। দ্রুতই বিস্তারিত তথ্য আপনাদের জানাতে পারব। এতটুকু জেনেছি, আজ সকাল ৬টা থেকে ৯টার মধ্যে বাচ্চাগুলো মারা গেছে।’

আদ্–দ্বীন হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক নাহিদা ইয়াসমিন সাংবাদিকদের বলেন, হাসপাতালের যে ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটেছে, সেই ওয়ার্ডে ১১ জন মা ছিলেন। আর নবজাতক ছিল ৬টি।

হাসপাতালটির পরিচালক বলেন, ‘ওয়ার্ডটি পোস্টডেলিভারি ওয়ার্ড। আমাদের এখানে ডেলিভারির পর সব সময় মায়েদের সঙ্গে বাচ্চারা ও আরেকজন করে থাকে। বাচ্চারাও মায়ের পাশে ছিল। যেহেতু এটা এসি ওয়ার্ড, মায়েরা হঠাৎ রাতে কর্তব্যরত নার্সদের এসি বন্ধ করতে বলছিল ঠান্ডা লাগার জন্য। হঠাৎ দিবাগত রাত তিনটার দিকে দুটি বাচ্চা অসুস্থ হওয়ার পর এনআইসিইউতে নেওয়া হয়েছিল। চিকিৎসকেরা দেখেছিল, বাচ্চা ভালো আছে। তাদের আবার ওয়ার্ডে নিয়ে যেতে বলেছিল।’

নাহিদা ইয়াসমিন আরও বলেন, সকাল ছয়টার দিকে হঠাৎ মায়েরা বলেন, শিশুদের অসুস্থ মনে হচ্ছে। তখন ছয়টি শিশুকেই এনআইসিইউতে নেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে দুটি শিশু নিয়ে যাওয়ার সময়ই মারা গিয়েছে। আর চারটি শিশুর অবস্থা খুবই গুরুতর ছিল। তাদের ভেন্টিলেটর সাপোর্ট দেওয়া হয়েছিল। তাদের বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়েছিল; কিন্তু বাঁচানো যায়নি।

বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ