রাজধানীর মুগদা এলাকায় খণ্ডিত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া আট টুকরা মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তির নাম মো. মোকারম মিয়া। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থানার তাল শহর গ্রামের সোহরাব মিয়ার ছেলে এবং একজন সৌদি প্রবাসী ছিলেন।
নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মোকারম মিয়া প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে সৌদিতে কর্মরত ছিলেন। তিনি বিবাহিত এবং দুই সন্তানের জনক। তার দুই ছেলে বায়জিদ ও মোজাহিদ। পরিবারের তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন বড়।
নিহতের চাচাতো ভাই রিফাত জানান, সোমবার (১৮ মে) বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে এসে তারা ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে মরদেহ শনাক্ত করেন এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ গ্রহণ করেন।
তিনি বলেন, সর্বশেষ ১৩ মে বিকেলে ইমোতে মোকারমের সঙ্গে পরিবারের কথা হয়। তখন তিনি কোথায় ছিলেন সে বিষয়ে কিছু জানাননি। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
পরবর্তীতে ১৪ মে আরেক প্রবাসীর মাধ্যমে জানা যায়, মোকারম ১৩ মে দিবাগত রাতে অথবা ১৪ মে বাংলাদেশে ফিরেছেন এবং যাওয়ার আগে কিছু মালামাল সহকর্মীর কাছে রেখে যান, বলেন তিনি।
রিফাত জানান, রোববার (১৭ মে) রাতে পুলিশের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, তার ভাইয়ের মরদেহ ঢামেক মর্গে রয়েছে।
মুগদা থানার উপপরিদর্শক আবু রায়হান জানান, রবিবার বিকেলে মানবদেহের সাতটি খণ্ড উদ্ধার করা হয়। পরে রাত আড়াইটার দিকে মানিকনগর পাকা রাস্তার মাথায় দুটি বাড়ির মাঝের ফাঁকা স্থান থেকে কালো পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় মাথাটি উদ্ধার করা হয়।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
মুগদায় মরদেহের সাতটি অংশের পর এবার উদ্ধার মাথা