ঢাকা , রবিবার, ১০ মে ২০২৬ , ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্যাস বিস্ফোরণ

দরজা-জানালা বন্ধ থাকায় ভয়াবহতা বেড়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ১০-০৫-২০২৬ ০২:৩৮:২০ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ১০-০৫-২০২৬ ০২:৩৮:২০ অপরাহ্ন
দরজা-জানালা বন্ধ থাকায় ভয়াবহতা বেড়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছবি : সংগৃহীত
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের সদস্যদের দেখতে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে গেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। রোববার (১০ মে) দুপুর ১২টার দিকে তিনি বার্ন ইনস্টিটিউটে যান। এ সময় দগ্ধ রোগীদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গৃহকর্তা গ্যাস লাইট দিয়ে আগুন জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে পুরো ঘরে আগুন ধরে যায়। এতে পরিবারের সবাই দগ্ধ হন। ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ও বেদনাদায়ক। শিশুসহ পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন। তাদের শ্বাসনালীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে— বিস্ফোরণের সময় বাসার দরজা-জানালা বন্ধ ছিল। বর্তমানে দগ্ধদের সর্বাত্মক চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে এবং চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আর্থিক কোনো সমস্যা হলে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে।

গ্যাস সিলিন্ডার ও লাইনের গ্যাস ব্যবহারে সচেতনতার অভাবের কথা উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বহুবার টেলিভিশনের মাধ্যমে মানুষকে সতর্ক করা হয়েছে। যারা সিলিন্ডার ব্যবহার করেন, তাদের সিলিন্ডার বাসার বাইরে রাখার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি গ্যাসের কোনো লিকেজ আছে কি না, তা আগে থেকেই পরীক্ষা করে নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সরকারি লাইনের গ্যাস ব্যবহারকারীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, সংযোগ নেয়ার সময় ভালোভাবে পরীক্ষা করে দেখতে হবে কোথাও লিকেজ আছে কি না। এছাড়া দরজা-জানালা খুলে গ্যাসের চুলা জ্বালানোর পরামর্শ দেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করা হবে। অনেক পরিবার চুলার নিচে সিলিন্ডার রেখে দেয়, যা ঝুঁকিপূর্ণ। এ বিষয়ে বারবার গণমাধ্যমে প্রচার চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি নিয়মিতভাবে কোম্পানির মাধ্যমে গ্যাস লাইনের লিকেজ পরীক্ষা করারও পরামর্শ দেন তিনি।

বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
 


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ