ঢাকা , সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ , ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বজ্রপাত-গাছচাপায় ১০ প্রাণহানি

কালবৈশাখীর তাণ্ডব: অন্ধকারে জনপদ

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ২৭-০৪-২০২৬ ০৭:৫১:৫২ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ২৭-০৪-২০২৬ ০৭:৫১:৫২ অপরাহ্ন
কালবৈশাখীর তাণ্ডব: অন্ধকারে জনপদ সংবাদচিত্র: সংগৃহীত
দেশের বিভিন্ন জেলায় কালবৈশাখীর তাণ্ডবে জনপদ বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে। ঝড় ও বজ্রপাতের ঘটনায় গাছ উপড়ে ঘরের ওপর পড়ে এবং পৃথক দুর্ঘটনায় অন্তত ৮ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। জামালপুরে একই পরিবারের তিনজন নিহত হওয়ার পাশাপাশি নওগাঁ, নেত্রকোনা ও বগুড়ায়ও প্রাণ গেছে আরও কয়েকজনের। ঝড়ে ফেনী ও মৌলভীবাজারসহ একাধিক জেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে জনজীবন চরম দুর্ভোগে পড়েছে। সোমাবর (২৭ এপ্রিল) প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে বিস্তারিত-

গাবতলী (বগুড়া) প্রতিনিধি জানান- বগুড়ার গাবতলীতে মুদি দোকানের উপর বটগাছ ভেঙে পড়ে উমা চন্দ্র (৫২) নামের এক ঘুমন্ত পান ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল ভোর সাড়ে ৪টায় কালবৈশাখীর ঝড় বয়ে যাওয়ার সময় উপজেলার সুখানপুকুর ইউনিয়নের লাঠিগঞ্জ বাজারে এই মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটে।  জানা গেছে, গতকাল ভোর সাড়ে ৪টায় কাল বৈশাখী ঝড় শুরু হয়। এ সময় বগুড়া গাবতলীর চকরাধিকা গ্রামের মৃত কালিদাসের ছেলে উমা চন্দ্র নামের এক ব্যক্তি মুদি দোকানে ঘুমাচ্ছিলেন। এমন সময় দোকানের পাশে থাকা বড় একটি বটগাছ ভেঙে ওই মুদি দোকানের উপর পড়ে। এতে দোকানের ভিতরে ঘুমিয়ে থাকা মুদি দোকানদার উমা চন্দ্র গাছের চাপায় ঘটনাস্থলেই মারা যান। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে দ্রুত ছুটে যান স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের লোকজন। তারা বটগাছের নিচে চাপা পড়া উমা চন্দ্রের মরদেহ উদ্ধার করেন। থানার ওসি রাকিব হোসেন বলেন, এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বটগাছ কেটে ভিকটিমের লাশ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি : নওগাঁর আত্রাইয়ে কালবৈশাখী ঝরে ঘরের ওপর গাছ ভেঙ্গে পরে আরাফাতুন (২০) নামে বেদে পল্লীর এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। সোমবার ভোর রাতে উপজেলা সদরের রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় খোলাপাড়া নামক স্থানে এঘটনা ঘটে। ঘটনার খবর পেয়ে নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তার স্বামীর নাম ইয়াসিন আরাফাত হোসেন। তারা মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। বেদে পল্লীর বাসিন্দা আবাবিল হোসেন বলেন, বেশ কিছু দিন ধরে আমরা প্রায় ৩০টির মতো পরিবার নিয়ে খোলাপাড়া বাগানে অস্থায়ী ঘর করে বসবাস করছি। সোমবার ভোর রাতে কালবৈশাখী ঝড় ওঠলে আরাফাত রহমানের ঘরের ওপর একটি ইউক্যালিপ্টাস গাছ ভেঙ্গে পরে গৃহবধূ আরাফাতুন গুরুতর আহত হয়। তাকে উদ্ধার করে আত্রাই হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। পরে রাজশাহী নিয়ে যাবার সময় পথিমধ্যে মারা যায়। গৃহবধূ আরাফাতুন তিন মাসের অন্ত:সত্ত্বা ছিলেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুরে আলম সিদ্দিক, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল করিমসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এসময় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই পরিবারকে নগদ ১০হাজার টাকা অনুদান এবং সুখনা খাবার প্রদান করা হয়। আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল করিম বলেন, এঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে গৃহবধূর মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

জামালপুর প্রতিনিধি জানান- জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরের উপর গাছ ভেঙ্গে চাপা পড়ে একই পরিবারের মা-মেয়েসহ তিনজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সোমবার  ভোররাত ৪টার দিকে মেলান্দহ উপজেলার নয়ানগর ইউনিয়নের দাগী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গভীর রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় এ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান তারা। মেলান্দহ থানার ওসি উবায়দুর রহমান জানান, রোববার দিবাগত রাতে নিজ বসতঘরের একই বিছানায় ঘুমিয়ে ছিলেন মা ও দুই মেয়ে। রাত গভীর হলে হঠাৎ শুরু হয় দমকা হাওয়া ও বৈশাখী ঝড়। একপর্যায়ে ঘরের পাশের একটি বড় মেহগনি গাছ উপড়ে গিয়ে টিনের ঘরের ওপর পড়ে। এতে ঘরের ভেতরে ঘুমিয়ে থাকা তিনজনই গাছের নিচে চাপা পড়েন। ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন, দাগী এলাকার মৃত আব্দুল গনি মণ্ডলের স্ত্রী খুকি বেগম (৬৫), তার দুই মেয়ে ফরিদা আক্তার (৪০) ও ফতে আক্তার (৩৭)। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একসঙ্গে মা ও দুই মেয়ের মৃত্যুতে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। এবিষয়ে মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিন্নাতুল আরা জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নিহতদের পরিবারকে সহায়তার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ফেনী প্রতিনিধি জানান- কালবৈশাখী ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে ফেনীর জনপদ। ঝড়ে অসংখ্য গাছপালা উপড়ে ভেঙে পড়েছে বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বসতঘর। গত রোববার সন্ধ্যা সাতটার দিকে শুরু হওয়া এই ঝড়ে পুরো জেলা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। গতকাল সোমবার  দুপুর পর্যন্ত উপজেলাগুলোর অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক হয়নি। জানা গেছে, কালবৈশাখী ঝড়ে ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পরশুরাম পৌর এলাকার বাসপদুয়া, গুথুমা এবং মির্জানগর ইউনিয়নের সত্যনগর, নিজকালিকাপুর, চিথলিয়া ও বক্সমাহমুদ ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ঝড়ের তাণ্ডবে গাছ উপড়ে বসতঘরে পড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। গুথুমা গ্রামের বাসিন্দা আবু তাহের জানান, তাদের গ্রামে বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে ট্রান্সফরমার মাটিতে পড়ে গেছে। বাসপদুয়া গ্রামের রাশেদুল ইসলাম ডলার ও নিজকালিকাপুর গ্রামের রমজান আলী বলেন, গাছ পড়ে ঘরবাড়ি ও পল্লী বিদ্যুতের লাইনের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সন্ধ্যার পর থেকেই পুরো উপজেলা অন্ধকারে নিমজ্জিত। পরশুরাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মু. সুহেল আখতার বলেন, ঝড়ে ৩৩ কেভি লাইনসহ সব ১১ কেভি লাইনে ত্রুটি দেখা দিয়েছে। একাধিক স্থানে খুঁটি ভেঙে যাওয়া এবং লাইনের ওপর গাছ পড়ে থাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। কর্মীরা লাইন সচল করতে কাজ করছেন। এদিকে ফুলগাজীতেও কালবৈশাখীর তাণ্ডবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। ঝড়ের কারণে মুন্সীরহাট-নোয়াপুর সড়কের অন্তত পাঁচটি স্থানে বড় গাছ উপড়ে পড়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গাছ অপসারণে কাজ শুরু করেন। ফুলগাজী ফায়ার সার্ভিসের ওয়ারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. তারেকুল ইসলাম বলেন, সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক করতে আমাদের টিম নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে। ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ফুলগাজী জোনের ডিজিএম মো. হাবিবুর রহমান জানান, উপজেলার ১০টি ফিডারের সবগুলোই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লাইনের ওপর গাছ উপড়ে পড়ায় পুরো উপজেলা বিদ্যুৎহীন। মাঠকর্মীরা ঝুঁকি নিয়ে সংস্কার কাজ চালালেও সংযোগ স্বাভাবিক হতে কত সময় লাগবে, তা এখনো নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। এ ছাড়া জেলার সদর উপজেলা, দাগনভুঞা ও সোনাগাজীতে ও তাণ্ডব চালিয়েছে ঝড়টি। এতে নানা স্থানে গাছ উপড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। হঠাৎ এই দুর্যোগে ফেনীর হাজার হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। বিশেষ করে বিদ্যুৎ না থাকায় ভুতুড়ে পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। দুপুর পর্যন্ত এখনো উপজেলাগুলোর অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক হয়নি। ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার নূর হোসাইন বলেন, জেলার বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়ায় সংযোগ লাইন বিচ্ছিন্ন রয়েছে। রাত থেকে বিদ্যুৎ কর্মীরা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিতের কাজ করে যাচ্ছেন। আশা করছি দ্রুততম সময়ের সমাধান হবে।ফেনী জেলা প্রশাসক মনিরা হক বলেন, গত রাতের কালবৈশাখী ঝড়ে জেলার বিভিন্ন জায়গায় ক্ষয়ক্ষতির খবর আসছে। ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নেত্রকোনা প্রতিনিধি জানান-  নেত্রকোনার খালিয়াজুরীতে বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় তাদের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বাগবেড় গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মোতালিব (৫৫), সাতগাঁও গ্রামের মোনায়েম খাঁ পালান (৫৩) এবং সিরাজগঞ্জের আকনাদিঘীরচর গ্রামের অফিকুল মন্ডলের ছেলে শুভ মন্ডল। স্থানীয় ও পরিবার সূত্র জানায়, সকালে খালিয়াজুরীর রসুলপুর ফেরিঘাটের পাশে বড়শি দিয়ে মাছ ধরতে গেলে বজ্রপাতে মারা যান আব্দুল মোতালিব। দুপুরের দিকে বাড়ির সামনে ধান শুকাতে গেলে বজ্রপাতে মোনায়েম খাঁ পালানের মৃত্যু হয়। খালিয়াজুরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসির উদ্দিন এসব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি জানান- মৌলভীবাজারে গত ২৪ ঘণ্টায় দফায় দফায় কালবৈশাখী ঝড় বয়ে গেছে। এতে জেলার বিভিন্ন উপজেলার ২২৫ স্থানে ছিঁড়ে গেছে বৈদ্যুতিক তার, ভেঙে পড়েছে ১৯টি খুঁটি। ফলে বিস্তীর্ণ গ্রামাঞ্চল অন্ধকারে ডুবে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো মানুষ। সরেজমিনে কমলগঞ্জ, রাজনগরসহ কয়েকটি এলকায় দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৪ বার কালবৈশাখী ঝড় তাণ্ডব চালিয়েছে। এতে অসংখ্য স্থানে গাছ পড়ে বিদ্যুৎ-এর তার ছিঁড়ে যায়। কমলগঞ্জের পল্লী বিদ্যুৎ অভিযোগ কেন্দ্রের ওপর বিশাল গাছ পড়ে লাইন ছিঁড়ে গেছে, এসম তিনটি মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়, শমশেরনগর বাজারে বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়েছে, রাজনগর উপজেলার কামারচাক ইউনিয়নের খুঁটি ভেঙে পড়েছে। এছাড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বৈদ্যুতিক লাইনের ওপর গাছ ও বাঁশ পড়েছে। মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় কয়েক দফা কালবৈশাখী ঝড় অতিবাহিত হয়েছে। এতে সদর উপজেলা, কমলগঞ্জ, রাজনগর, কুলাউড়া, শ্রীমঙ্গলসহ জেলার সাতটি উপজেলায় বিদ্যুতের প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে জেলার ৯ হাজার ৬২২ কিলোমিটার বিদ্যুৎ লাইনে ১৯টি খুঁটি ভেঙে পড়ে, ২৩টি খুঁটি হেলে পড়েছে, ২২৫ স্থানে তার ছিঁড়ে গেছে। ৪২১ স্থানে লাইন হেলে পড়েছে, ৫৬টি মিটার ভেঙে গেছে ও ২৭টি ট্রান্সফরমার নষ্ট হয়েছে। দ্রুত লাইন মেরামত করার চেষ্টা চলছে। মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক বার্তায় সব গ্রাহকদের ধৈর্য ধরতে ও সমিতির কাজে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানিয়েছে। মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী সুজিত কুমার বিশ্বাস বলেন, ২৪ ঘণ্টায় কয়েকবার কালবৈশাখী তাণ্ডবে প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতির সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎ লাইন ও বিভিন্ন জায়গায় খুঁটি ভেঙেছে এবং বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে পড়েছে। তিনি আরও বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎ লাইন মেরামত করে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল করার জন্য সমিতির জনবল এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের জনবল সবাই সম্মিলিতভাবে মাঠে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ