এশিয়ার বাজারে আজ তেলের দাম কমেছে
ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় :
২২-০৪-২০২৬ ১২:০০:০৫ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
২২-০৪-২০২৬ ১২:০০:০৫ অপরাহ্ন
ফাইল ছবি
এশিয়ার বাজারে আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে তেলের দাম কিছুটা কমেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা অস্পষ্ট থাকায় বাজারে এ প্রবণতা দেখা গেছে।
গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, দুই দেশের মধ্যে আলোচনা এগোনো পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হবে। তেহরান ‘সমন্বিত প্রস্তাব’ না দেয়া পর্যন্ত ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ চালিয়ে যাবে যুক্তরাষ্ট্র।
আজ দিনের শুরুতে দাম বাড়লেও পরে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৮ দশমিক ২০ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ কমে ৮৯ দশমিক ২১ ডলারে দাঁড়ায়।
গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা চালানোর পর এবং তেহরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ লক্ষ্য করে হামলার হুমকি দেয়ার পর থেকে জ্বালানি বাজার অস্থিতিশীল রয়েছে।
ওয়াশিংটন সময় বুধবার সন্ধ্যায় দুই সপ্তাহের প্রাথমিক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। তবে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর জন্য কোনো নতুন সময়সীমা দেননি ট্রাম্প।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান সরকার ‘গুরুতরভাবে বিভক্ত’। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে তেহরানকে আলোচনায় রাজি করাতে আরও সময় চাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র আপাতত নতুন হামলা থেকে বিরত থাকবে।
মঙ্গলবার মার্কিন আলোচনার নেতৃত্বদানকারী দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যাওয়ার কথা ছিল। হোয়াইট হাউস এখন জানিয়েছে, তিনি আর সেখানে যাচ্ছেন না। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিতে পাকিস্তানে প্রতিনিধিদল পাঠাবে কি না, সে বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নেয়নি ইরান। বিবিসিকে এ তথ্য জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র।
অস্ট্রেলিয়ার জেমস কুক ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক জিয়াজিয়া ইয়াং বলেছেন, যুদ্ধের পরবর্তী পরিণতি নিয়ে ব্যবসায়ীরা সতর্ক রয়েছেন। এটি শুধু তেল সরবরাহের বিষয় নয়; বরং বাজারের প্রত্যাশার বিষয়।
যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে অপরিশোধিত তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে, কারণ ইরান হরমুজ প্রণালী কার্যকরভাবে বন্ধ করে দিয়েছে, যে প্রণালী দিয়ে সাধারণত বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ জ্বালানি সরবরাহ হয়।
চলতি মাসের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র বলেছিল, তারা ইরানের বন্দরগামী বা সেখান থেকে আসা জাহাজগুলোকে আটক করবে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স