ঢাকা , বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬ , ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

​গ্রীষ্মের আগেই চ্যালেঞ্জের মুখে বিদ্যুৎখাত

ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় : ০৮-০৪-২০২৬ ০১:৩৬:২২ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ০৮-০৪-২০২৬ ০১:৩৬:২২ অপরাহ্ন
​গ্রীষ্মের আগেই চ্যালেঞ্জের মুখে বিদ্যুৎখাত ​ফাইল ছবি
গ্রীষ্মের আগেই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে বিদ্যুৎখাত। তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে বিদ্যুতের চাহিদাও উঠছে প্রায় ১৫ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত। জ্বালানি সংকটে উৎপাদন কমায়, লোডশেডিং ছাড়িয়েছে ১ হাজার মেগাওয়াট। মন্ত্রী বলছেন, বিদ্যুৎ পরিস্থিতি সহনীয় রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাসা-বাড়িতে গ্রীষ্মে কিছুটা লোডশেডিং যৌক্তিক। তবে শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার তাগিদ দিয়েছেন তাঁরা।

দেশে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ১২ হাজার মেগাওয়াটের বেশি। কিন্তু উৎপাদন হচ্ছে ৫ হাজার মেগাওয়াটের আশপাশে। জ্বালানির অভাবে অলস পড়ে আছে অনেক কেন্দ্র। চলতি বছর মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে কাতার ও ওমান থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ হচ্ছে না। ফলে বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ নেমেছে ৯০ কোটি ঘনফুটের ঘরে। গত বছর যা ছিল ১১০ কোটি ঘনফুট। সেইসঙ্গে তরল জ্বালানির মজুতও কমেছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘যুদ্ধ যতদিন থাকবে ততদিন এই ক্রাইসিস থাকবে। তার পরও আমরা অন্য যে সকল গ্যাস আমদানির সোর্স রয়েছে সেগুলো থেকে আমদানির ব্যবস্থা করছি। তবে অবস্থা অসহনীয় হবে না, সহনীয়ই থাকবে। জ্বালানি না থাকলে তো বিদ্যুৎ প্রডিউস সম্ভব নয়।’

সোমবার (৬ এপ্রিল) রাত ৯টায় সারা দেশে ১৪ হাজার ৮৯০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে লোডশেডিং হয় ৯৯৬ মেগাওয়াট। ওইদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় লোডশেডিং ছিল ১০৮৩ মেগাওয়াট। ভারতের আদানির ঝাড়খন্ড কেন্দ্রের একটি ইউনিট থেকে মিলছে ৭৬৫ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ। অন্যান্য উৎস থেকে আমদানি প্রায় ১১০০ মেগাওয়াট।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, জ্বালানি সংকটকালে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে গ্রাহকদের সচেতন হতে হবে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ শফিকুল আলম জানান, জ্বালানির সমস্যা এরকম চললে সামনের দিনগুলোতে সাফার করার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। ইমিডিয়েটলি সরকারকে জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া এবং বাসা-বাড়িতে পরিকল্পিত লোডশেডিং করে কারখানাগুলো যেন ঠিকভাবে চলে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। গ্রাহক পর্যায়েও সচেতনতা জরুরি।

চলতি সপ্তাহে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল ১১টায় সর্বোচ্চ ৭৬১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসে সৌরশক্তি থেকে। এ ছাড়া নিয়মিত বায়ু ও জলবিদ্যুৎ মিলছে ১০০ মেগাওয়াটের মত। কয়লাভিত্তিক কেন্দ্র থেকে এ মৌসুমে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ২০৫ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ মিলেছে। সূত্র: ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন

বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ