ঢাকা , সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬ , ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ধানখালী ডিগ্রি কলেজ

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দিলেন শিক্ষকেরা

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ০৬-০৪-২০২৬ ০৪:৪১:২৫ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ০৬-০৪-২০২৬ ০৪:৪১:২৫ অপরাহ্ন
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দিলেন শিক্ষকেরা ​ছবি: সংগৃহীত
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ধানখালী ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের নেমপ্লেট ফেলে দিয়ে তার কক্ষে অন্য শিক্ষকেরা তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে কলেজের ক্ষুব্ধ শিক্ষকরা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কালাম আযাদের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন। 

শিক্ষকদের অভিযোগ, কলেজ অধ্যক্ষ বশির আহমেদের অসুস্থতাজনিত কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিধি মোতাবেক জ্যেষ্ঠতা অনুসারে সহকারী অধ্যাপক মাসুম বিল্লাহকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেয়া হয়। কিন্তু প্রভাষক আবুল কালাম আজাদ জ্যেষ্ঠতা অনুসারে ৭ম স্থানে থাকলেও মব সৃষ্টি করে ২০২৫ সালের ৩০ জুন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব বাগিয়ে নেন। 

সহকারী অধ্যাপক মাসুম বিল্লাহ লিখিত অভিযোগে আরো উল্লেখ করেছেন, আবুল কালাম আজাদের এক ভাই পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা থাকার সুবাধে মামলার ভয়ভীতি দেখিয়ে মব সৃষ্টি করে স্বেচ্ছাচারিভাবে অধ্যক্ষের দায়িত্বে চেপে বসেন। 

তার বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনকালে দুর্নীতি, অনিয়ম অসদাচারণসহ কলেজের আয়-ব্যয়ের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছেন। এ ঘটনায় কলেজের ২০ জন শিক্ষক এ বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি কলেজ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। কিন্তু সুষ্ঠু সমাধান না পেয়ে শিক্ষকরা নিজেদের আত্মমর্যাদা রক্ষায় এমন উদ্যোগ নিয়েছেন। শিক্ষকরা এও দাবি করেন, তারা নিজেদের ও কলেজকে রক্ষায় এটি করেছেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রভাষক মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, অধ্যক্ষের অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালনে সকল শিক্ষক তৎকালীন সময়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে বসে অপারগতা প্রকাশ করেন। লিখিতভাবে বিষয়টি তারা সাবমিট করেন। তখন আমাকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এছাড়া অন্যসব অভিযোগ বানোয়াট, ভিত্তিহীন। তারপরও নিজের ভুল ভোঝাবুঝির বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধানের একটি প্রক্রিয়া চলছিল, এরই মধ্যে আজকের এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তিনি আরো দাবি করেন, তিনি এবং অপর একজন শুধু বিএনপি করেন। বাকিরা সব আওয়ামী লীগের দোসর। তাই এমনটা করা হয়েছে।
কলেজ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ডা. রেফায়েত হোসেনকে একাধিকবার মোবাইল করলেও তিনি সংযোগ কেটে দেন।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. ইয়াসীন সাদেক জানান, তিনি বিষয়টি জেনেছেন। উভয় পক্ষকে সংযত হওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন। কোন অনাকাঙ্খিত ঘটনা থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ