জাতীয় সংসদের অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেছেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা। সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা আহ্বানের বিষয়ে কোনো ‘প্রতিকার না পাওয়া’ এবং তাদের প্রস্তাবটি চাপা দিতে আরেকটি প্রস্তাব আনার প্রতিবাদে জামায়াত আমীর শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে তারা ওয়াকআউট করেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদে সংবিধান সংস্কারে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদের সভা আহ্বান’ প্রশ্নে একটি মুলতবি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়।
বিরোধীদলের ওয়াকআউট নিয়ে সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ওয়াকআউট করতে চেয়েছেন পার্লামেন্টারি কালচারে সেটা আছে। রাইট আছে তারা ওয়াকআউট করতে পারেন। কিন্তু যে কথাগুলো রেকর্ডেড হয়ে গেল। তার বিপরীতে আমাদের বক্তব্যটা এক দুই মিনিট রেকর্ডে থাকা ভালো।’
তিনি বলেন, ‘যে মুলতবি প্রস্তাবটা আপনার (স্পিকার) অনুপস্থিতিতে মাননীয় ডেপুটি স্পিকার প্রিসাইড (সভাপতিত্ব) করেছেন, উনি গ্রহণ করেছিলেন। তখনই আমি আপত্তি উত্থাপন করেছিলাম যে, এটা ৬৮ বিধিতে হতে পারে। কিন্তু মুলতবি প্রস্তাব যে রুলস অব প্রসিজার আছে, তার মধ্যে আপনি রাইটলি আইডেন্টিফাইড করেছেন সেটা আমি আগে উত্থাপন করেছি। যে বিষয়টি আইন প্রণয়নের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হতে পারে, সেরকম কোনো বিষয় মুলতবি প্রস্তাবে আলোচনা করার বিধান নাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘হাউজের অভিভাবক হিসেবে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে উত্থাপিত হয়েছে আপনি (স্পিকার) আলোচনার জন্য রেখেছেন। সেটা ২ ঘণ্টা আলোচনার জন্য সময় নির্ধারিত হয়েছে উভয়পক্ষে আলাপ-আলোচনা হয়েছে। কিন্তু এটা যেহেতু বিধিবহির্ভূত এবং আলাপ-আলোচনা হয়ে যাওয়ার পরে পার্লামেন্টের প্র্যাকটিস হচ্ছে, ইটস টকড আউট, আলোচিত হয়েছে। সুতরাং আলোচনার পরে নিষ্পত্তি কী হবে সেজন্য ভোটাভোটি দেয়ার কোনো বিধান নাই। শুধুমাত্র মুলতবি প্রস্তাব উত্থাপিত হবে কি-না, তার ওপরে ভোটাভুটির বিধান আছে।’
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
জাতীয় সংসদ থেকে বিরোধীদলের ওয়াকআউট