তেল মজুদের তথ্য দিলে পুরস্কার!
ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় :
২৮-০৩-২০২৬ ১২:৫১:১৮ পূর্বাহ্ন
আপডেট সময় :
২৮-০৩-২০২৬ ১২:৫৩:০৪ পূর্বাহ্ন
দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে চলমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তেল সরবরাহ তদারকিতে সব জেলায় কমিটি করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের বার্তায় জানানো হয়, জ্বালানি তেলের সরবরাহ তদারকিতে সব জেলায় ভিজিলেন্স টিম গঠন করেছে সরকার। অবৈধ মজুদদারি বন্ধে তথ্য প্রদানকারীর জন্য আসছে পুরস্কারের ঘোষণা। সচেতন নাগরিকগণকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা পরামর্শ প্রদানের অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
এতে বলা হয়, তেল খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে এসব তদারকি দল কাজ করছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন স্থানে অভিযানও শুরু হয়েছে।
এর অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকায় বিশেষ অভিযানে প্রায় ৬ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার করা হয়েছে। সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে কমিশনার ঘাট এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত হালদার। অভিযানে ৩০টি ড্রামে অবৈধভাবে মজুদ রাখা ডিজেল উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রশাসন জানতে পেরেছে, সমুদ্রগামী জাহাজ ও তেল ডিপো থেকে পরিবহনের সময় একটি অসাধু চক্র অবৈধভাবে তেল সরিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে বিক্রি করে থাকে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড রোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। বর্তমানে তেল ডিপো, পেট্রল পাম্প ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের কঠোর নজরদারিতে রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে ভিজিলেন্স টিমের মাধ্যমে অবৈধ মজুদ, সরবরাহ ও পরিবহন সংক্রান্ত অভিযোগ দ্রুত গ্রহণ ও তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের বিভিন্ন জেলার জন্য পৃথক ভিজিলেন্স টিম ও যোগাযোগ নম্বর প্রকাশ করা হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) এসব টিমের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
কোথাও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সাধারণ) বা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) এ দায়িত্বে রয়েছেন। সাধারণ জনগণকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে উৎসাহিত করা হচ্ছে এবং তথ্যদাতাদের পুরস্কৃত করার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
এদিকে আজ দুপুরে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু দাবি করেছেন, দেশে তেলের কোনো সংকট নেই। কিছু কালোবাজারি তেল মজুদ করে সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করছে।
অন্যদিকে জনগণের দুর্ভোগ কমাতে সরকার প্রতিদিন জ্বালানি তেলে ১৬৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, চতুর্দিক থেকে চাপ থাকা সত্ত্বেও সরকার জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কোনো পরিকল্পনা করেনি।
বাংলা স্কুপ /ডেস্ক/এইচবি/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স