বিপাকে মোটরসাইকেল চালকরা, প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ
দেশব্যাপী জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
১৪-০৩-২০২৬ ০৮:১০:৫৫ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
১৪-০৩-২০২৬ ০৮:১০:৫৫ অপরাহ্ন
সংবাদচিত্র: সংগৃহীত
দেশের বিভিন্ন জেলায় হঠাৎ করে তীব্র আকার ধারণ করেছে জ্বালানি তেলের সংকট। পাম্পে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তেল না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকরা। কোথাও সীমিত পরিমাণে তেল দেওয়া হচ্ছে, কোথাও আবার পাম্পে ঝুলছে ‘অকটেন-পেট্রোল নাই’ নোটিশ। এই পরিস্থিতিতে জামালপুরের বকশীগঞ্জে ক্ষুব্ধ মোটরসাইকেল চালকরা সড়ক অবরোধ করলে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। গাইবান্ধা, বরগুনা ও রাজবাড়ীসহ বিভিন্ন জেলায়ও তেলের অভাবে চরম ভোগান্তির খবর পাওয়া গেছে। শনিবার (১৪ মার্চ )প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে বিস্তারিত-
জামালপুর প্রতিনিধি জানান- জামালপুরের বকশীগঞ্জে পাম্পে তেল না পেয়ে ক্ষোভে সড়ক অবরোধ করেছেন মোটরসাইকেল চালকরা। এতে প্রায় আধাঘণ্টা বকশীগঞ্জ-জামালপুর সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। গতকাল শনিবার দুপুরে বকশীগঞ্জ উপজেলার মেসার্স পরেশ চন্দ্র সাহা ফুয়েল স্টেশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, সকাল থেকেই ওই পাম্পে তেল নেওয়ার জন্য মোটরসাইকেল চালকরা দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তবে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও তেল না পেয়ে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে কয়েকজন মোটরসাইকেল চালক সড়কে নেমে বকশীগঞ্জ জামালপুর মহাসড়ক অবরোধ করেন। এতে সড়কের উভয় পাশে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং সৃষ্টি হয় যানজট। প্রায় ৩০ মিনিট পর স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের হস্তক্ষেপে মোটরসাইকেল চালকদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে অবরোধ তুলে নেওয়া হলে আবারও স্বাভাবিকভাবে যান চলাচল শুরু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে বকশীগঞ্জ থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মঞ্জুরুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, গতকাল রাত থেকেই পাম্পে তেল না থাকায় সেখানে কিছুটা জটলা তৈরি হয়। আজ সকালেও একই অবস্থা দেখা যায়। এ সময় কয়েকজন মোটরসাইকেল চালক সড়ক অবরোধের চেষ্টা করলে পুলিশ ও স্থানীয়রা তাদের সরিয়ে দেন। বর্তমানে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
গাইবান্ধা প্রতিনিধি জানান- গাইবান্ধা জেলা শহরে তীব্র আকার ধারণ করেছে জ্বালানি সংকট। আগের মতো দীর্ঘ লাইন না থাকলেও চাহিদামতো পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল না পাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরসাইকেল চালকসহ সব ধরনের যানবাহনের চালকরা। সংকট এতটাই প্রকট যে, অনেক পাম্পে ২০০ টাকার বেশি তেল দেওয়া হচ্ছে না, আবার কোথাও সেই পরিমাণটুকুও মিলছে না। ইতোমধ্যে জ্বালানি না থাকায় একটি ফিলিং স্টেশন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে সরেজমিনে গাইবান্ধা শহরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়। জেলা শহর ও শহরতলীতে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল সরবরাহের জন্য চারটি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। এর মধ্যে শহরের প্রাণকেন্দ্রে দুটি পাম্প অবস্থিত—একটি গাইবান্ধা-সাঘাটা সড়কের পুলিশ লাইন্স সংলগ্ন এবং অপরটি দাড়িয়াপুর রোড এলাকায়। এর মধ্যে পুলিশ লাইন্স-সংলগ্ন হাছনা ফিলিং স্টেশন জ্বালানি সংকটের কারণে গত দুই দিন ধরে বন্ধ রয়েছে। শহরের সবচেয়ে বড় ফিলিং স্টেশন ডিবি রোডের বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন এস এ কাদির এন্ড সন্স ফিলিং স্টেশন। এখানে দুটি অকটেন ও দুটি পেট্রোল মেশিন থাকলেও দুই দিন আগেই পেট্রোল শেষ হয়ে যাওয়ায় দুটি মেশিন বন্ধ রাখা হয়েছে। বাকি একটি অকটেন মেশিন দিয়ে মোটরসাইকেল চালকদের সর্বোচ্চ ২০০ টাকার অকটেন দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, বাসস্ট্যান্ডের পশ্চিম পাশে অবস্থিত রহমান ফিলিং স্টেশনেও ডিজেল শেষ হয়ে যাওয়ায় ডিজেল সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে।
ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জেলা শহরে প্রতিদিন প্রায় ৭ হাজার লিটার পেট্রোল, ৪ হাজার লিটার অকটেন এবং প্রায় ৩২ হাজার লিটার ডিজেলের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে সরবরাহ হচ্ছে চাহিদার অর্ধেকেরও কম। ফলে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হচ্ছে না। তারা আরও জানান, সরকারিভাবে জ্বালানির মজুদ থাকার কথা বলা হলেও বাস্তবে পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত তেল নেই। অগ্রিম টাকা জমা দিতে চেয়েও চাহিদামতো তেল পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে প্রতিদিনই পাম্পে তেল নিতে আসা গ্রাহকদের সঙ্গে কর্মচারীদের তর্ক-বিতর্কের ঘটনাও ঘটছে। শুরু থেকেই সংকট মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের তদারকিতে সীমিত পরিমাণে জ্বালানি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই অনুযায়ী প্রতি মোটরসাইকেলে ২০০ টাকার পেট্রোল বা অকটেন, দূরপাল্লার বাস ও ট্রাকে ২০০ থেকে ২২০ লিটার ডিজেল, পিকআপে ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং প্রাইভেটকারে সর্বোচ্চ ১০ লিটার অকটেন দেওয়া হচ্ছে। এস এ কাদির এন্ড সন্স ফিলিং স্টেশনের ক্যাশ সরকার মিঠু মিয়া বলেন, আমাদের পাম্পে প্রতিদিন ২০০০ থেকে ২৫০০ লিটার পেট্রোল, ১৫০০ থেকে ২০০০ লিটার অকটেন এবং প্রায় ১২ হাজার লিটার ডিজেলের চাহিদা থাকে। সেখানে দুই দিন পরপর পেট্রোল ও অকটেন মিলিয়ে মাত্র ৪৫০০ লিটার দেওয়া হচ্ছে। ডিজেলও একই পরিমাণ। তার ওপর শুক্রবার ও গতকাল শনিবার সরবরাহ বন্ধ থাকে। তিনি বলেন, আমাদের পেট্রোল ও ডিজেল গতকালই শেষ হয়ে গেছে। কিছু অকটেন আছে, সেটাও অল্প সময়ের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। গতকাল শনিবার সন্ধ্যার দিকে তেল আসার কথা থাকলেও নিশ্চিত নয়। রহমান ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার জুয়েল মিয়া বলেন, প্রতিদিন তাদের পাম্পে প্রায় ২০০০ লিটার পেট্রোল, ১৫০০ লিটার অকটেন এবং ১০ হাজার লিটার ডিজেলের চাহিদা থাকলেও সরবরাহ মিলছে না। তিনি বলেন, ছয় দিন পর আমরা মাত্র ৩০০০ লিটার জ্বালানি পেয়েছি। এর মধ্যে আজ সকাল ১০টার দিকেই ডিজেল শেষ হয়ে গেছে। এখন যে পরিমাণ পেট্রোল ও অকটেন আছে, তা দিয়ে হয়তো রাত পর্যন্ত চলবে। এরপর মেশিন বন্ধ রাখতে হতে পারে।
বরগুনা প্রতিনিধি জানান- জ্বালানি তেলের সংকটে ‘অকটেন নাই, পেট্রোল নাই’ লিখে নোটিশ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বরগুনা সদর উপজেলার একমাত্র পাম্প এসএন্ডবি ফিলিং স্টেশনে। এছাড়াও তেল না থাকার দাবি করে বন্ধ রাখা হয়েছে অধিকাংশ খুচরা তেল বিক্রির দোকান। এতে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে ভোগান্তিতে পড়েছেন ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চলাকসহ দূর-দূরান্তে যাতায়াত করা বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ। গতকাল শনিবার সকাল থেকে বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নে শহরের একমাত্র তেলের পাম্প এসএন্ডবি ফিলিং স্টেশনে এ সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে ডিপোতে কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন বরগুনা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সজল চন্দ্র শীল। সরেজমিনে বরগুনার এসএন্ডবি ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, শহরের বিভিন্ন খুচরা দোকানে পেট্রোল অথবা অকটেন না পেয়ে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ছোট বড় গাড়ি নিয়ে মানুষের ভিড় বাড়ছে ফিলিং স্টেশনটিতে। কিন্তু ‘অকটেন নাই, পেট্রোল নাই’ লেখা ঝুলিয়ে ঝুলিয়ে দিয়েছে পাম্প কর্তৃপক্ষ। ফলে প্রয়োজনীয় জ্বালানি পেট্রোল বা অকটেন নিতে এসে খালি গাড়ি নিয়েই ফিরে যাচ্ছেন তারা। অপরদিকে সরবরাহ নেই দাবিতে তেল বিক্রি করতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন বরগুনার বিভিন্ন খুচরো ব্যবসায়ীরা। আর এ কারণেই প্রয়োজনীয় জ্বালানি না পেয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন বিভিন্ন গন্তব্যে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালকসহ দূর-দূরান্তে যাতায়াত করা বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ। এছাড়া বিভিন্ন পণ্য পরিবহনেও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বরগুনার ব্যবসায়ীদের। এসএন্ডবি ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল নিতে এসে ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল চলাক মো. মন্টু চৌধুরী বলেন, আমি ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাই।
বরগুনার বিভিন্ন খুচরো দোকানে তেল না থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে সদর উপজেলার কেওরাবুনীয়া এলাকার নার্গিস স্টোর নামে একটি খুচরা তেল বিক্রির দোকানের ব্যবসায়ী মোসম্মৎ নার্গিস সুলতানা বলেন, আমার দোকানে বিক্রির জন্য বর্তমানে কোনো অকটেন এবং পেট্রোল নেই। গত ১০ থেকে ১২ দিন ধরে বিক্রির জন্য কোনো তেল পাচ্ছি না। প্রতিদিন যোগাযোগ করলেও কবে তেল পাওয়া যাবে তা এখন পর্যন্ত জানতে পারিনি। পেট্রোল এবং অকটেন সংকটের বিষয়ে এসএন্ডবি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার রিপন কুমার ব্যাপারী বলেন, গতকাল রাত ১১টার দিকে আমাদের পাম্পে পেট্রোল এবং অকটেন শেষ হয়েছে। শুক্রবার এবং গতকাল শনিবার ডিপো বন্ধ থাকায় আমরা তেল পাইনি। আগামী রোববার ডিপো থেকে আমাদেরকে তেল দেওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে কী পরিমাণ বা কোন তেল দেবে তা নিশ্চিত বলতে পারছি না। বরগুনা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিট্রেট সজল চন্দ্র শীল বলেন, যতটুকু জেনেছি তেলের সংকট নেই, বরিশালের ডিপো থেকে জানানো হয়েছে। এছাড়াও সরকারিভাবে মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে, তারা মনিটরিং করছেন। তবে এসএন্ডবি ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল এবং অকটেন নাই লিখে নোটশ দেওয়ার বিষয়টি তিনি অবগত নন বলে জানান।
রাজবাড়ী প্রতিনিধি জানান- রাজবাড়ী জেলার কোন ফিলিং স্টেশনে নেই ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন। সকল ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল সংকটের কারণে ভোক্তা পর্যায়ে তেল সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন বিভিন্ন যানবাহনের চালকরা। তেল না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা। গতকাল শনিবার বেলা ১১টার দিকে জেলা শহরের কয়েকটি ফিলিং স্টেশন ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে। শহরের কয়েকটি ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, তেলের আশায় অনেক চালক গাড়ি নিয়ে পাম্পে এলেও তেল না থাকায় তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে কেউ হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন, আবার কেউ কেউ তেল পাওয়ার আশায় পাম্পের সামনে অপেক্ষা করছেন। সরেজমিনে রাজবাড়ীর পলাশ ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, ডিজেলের আশায় সেখানে গতকাল থেকেই অপেক্ষা করছে কয়েকটি পরিবহন বাস, ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান। এছাড়াও পেট্রোল ও অকটেন না থাকায় ফিরে যাচ্ছে মোটরসাইকেল, প্রাইভেট কার ও মাইক্রোবাসগুলো।পাম্পে ‘তেল নেই’ লেখা নোটিশ টানিয়ে রাখা হয়েছে। শ্রীপুর রাজবাড়ী ফিলিং স্টেশনের সামনে ‘ডিজেল নেই’ লেখা নোটিশ টানিয়ে রাখতে দেখা গেছে। রাস্তার ওপর টায়ার রেখে পাম্প কর্তৃপক্ষ সেখানে ডিজেল সংকটের বিষয়টি জানিয়ে দিয়েছেন। এছাড়াও পাম্পের পেট্রোল ও অকটেন বুথের সামনে ‘তেল নেই’ লেখা নোটিশ টানানো দেখা যায়। এই পাম্পেও মোটরসাইকেলসহ ব্যক্তিগত গাড়িগুলো তেল নিতে এসে ফিরে যাচ্ছে। শহরের নতুন বাজার কাজী ফিলিং স্টেশনে গিয়েও একই চিত্র দেখা গেছে। সেখানেও দুপুর থেকে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন শেষ হয়ে যাওয়ায় সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। সরকার পরিবহন বাসের হেলপার কামরুল ইসলাম বলেন, আমরা গতকাল থেকে এই পর্যন্ত ডিজেল পাইনি, এ কারণে কোনো ট্রিপে যেতে পারিনি। আজকে তেল আসার কথা। এজন্য পাম্পে সিরিয়াল দিয়ে গাড়ি রেখে দিয়েছি। পাম্প থেকে যদি গাড়ি সরাই তাহলে সিরিয়ালের কারণে তেল পাব না। এনজিও কর্মী রুমন শেখ বলেন, আমাকে মোটরসাইকেল নিয়ে জেলার বিভিন্ন জায়গায় কাজের জন্য যেতে হয়। পলাশ ফিলিং স্টেশনের ক্যাশিয়ার বিপুল কুমার বৈদ্য বলেন, ডিপো থেকে আমাকে পর্যাপ্ত তেল দিচ্ছে না। আমাকে সপ্তাহে ২১ হাজার লিটার তেল দিয়েছে, কিন্তু আমার দৈনিক চাহিদা ৯ হাজার লিটার, আর সপ্তাহে ৬৩ হাজার লিটার। তাহলে আমি কীভাবে কাস্টমারকে তেল দেবো। আমাদের মেঘনা পেট্রোলিয়াম ডিপো থেকেই তেল দিচ্ছে না। তেল নেওয়ার জন্য আমাদের পাম্পে বাস ও ট্রাক সিরিয়াল ধরে অপেক্ষা করছে। তেল আসলে তাদেরকে দেওয়া হবে। কিন্তু কখন আসবে সেটা বলতে পারছি না।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/ এনআইএন
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স