হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু নিয়ে জাপানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছে বাংলাদেশ সরকার। বৈঠকে উভয় পক্ষের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে এবং দ্রুত সমাধানের আশাবাদ ব্যক্ত করেছে উভয় পক্ষই।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জাপানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দুই মন্ত্রণালয়ের যৌথ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।বৈঠক শেষে হুমায়ুন কবির বলেন, সরকার বাংলাদেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই বিষয়টি দেখছে। আলোচনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে এবং শিগগিরই ভালো কোনো অগ্রগতি হবে বলে আশা করছি।
সরকার যে স্লোগান ও প্রতিশ্রুতি নিয়ে জনগণের ভোট পেয়েছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’- সেই চেতনা থেকেই সব সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনা সংক্রান্ত চুক্তিতে কয়েকটি চার্জ ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে কিছু জটিলতা ছিল। এসব বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। বিষয়গুলো নিয়ে বাংলাদেশ পক্ষ তাদের প্রস্তাব দিয়েছে এবং জাপানও তাদের প্রস্তাব তুলে ধরেছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আলোচনায় উভয় পক্ষই এমন একটি সমাধানের দিকে যেতে চায়, যা বাংলাদেশের জন্য ভালো হবে। আগের কিছু চুক্তিতে যে ধরনের ত্রুটি বা সীমাবদ্ধতা ছিল, সেগুলো সংশোধন করে একটি ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি তৈরি করতে সরকার কাজ করছে। এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, জাপান পক্ষ বাংলাদেশের দেয়া প্রস্তাবগুলো বিবেচনা করে দ্রুত সংশোধিত প্রস্তাব দেয়ার কথা জানিয়েছে। সেই প্রস্তাব পাওয়ার পর আবারও আলোচনা করে বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেন, এই বৈঠকের পর জাপানের সঙ্গে কাজের জটিলতা কাটবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন