ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬ , ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

​সিটি করপোরেশনে জনগণের ভোগান্তি কমানোর নির্দেশ

ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় : ২৪-০২-২০২৬ ০২:২৪:০১ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ২৪-০২-২০২৬ ০৬:৩৫:৪৪ অপরাহ্ন
​সিটি করপোরেশনে জনগণের ভোগান্তি কমানোর নির্দেশ ​ফাইল ছবি
সিটি কর্পোরেশনগুলোতে জনগণের ভোগান্তি কমানোর জন্য ছয় মাসের পরিকল্পনা করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নতুন নিযুক্ত ৬ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক দেখা করতে গেলে তিনি এই নির্দেশনা দিয়েছেন।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নতুন প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, আমরা চাই বাংলাদেশে জনগণের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হোক। ঢাকা সিটি করপোরেশনসহ ঢাকার বাইরের সব সিটি করপোরেশনে নির্বাচিত প্রতিনিধি আসার পূর্ব পর্যন্ত সরকার আমাদের প্রশাসক হিসেবে জনগণের সেবা করার দায়িত্ব দিয়ে পাঠিয়েছে। আমরা চেষ্টা করব বাংলাদেশ সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে। প্রধানমন্ত্রী নগরবাসীর কাছে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাব।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী উনি চায় প্রতিটি সিটিতে একটা ক্লিন সিটি থাকুক। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং সবুজ আয়ন থাকুক। আগামীতে ডেঙ্গু আছে। সেই ডেঙ্গুর পরিকল্পনা নিয়ে উনি আমাদেরকে পরামর্শ দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা এখনো অফিসে যোগদান করতে পারিনি। আমরা আগামীকাল থেকে অফিসে যাব। আমাদের কর্মকর্তারা আছেন, তাদের সঙ্গে মিটিং করে আমরা একটা প্ল্যান বানিয়ে আমরা সেভাবে কাজ করব।

খুলনা সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, প্রধানমন্ত্রী ছয় মাসে একটা প্যাকেজ করেছেন। সেটা হচ্ছে গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি করার কথা বলেছেন এবং মশক নিধনের কথা বলেছেন। ছয় মাস পরেই এ বিষয়ে অগ্রগতি উনি জানাতে বলেছেন। এরপরে পরবর্তী স্টেপিংটা কি হবে সেটা আমাদের কাজের অগ্রগতির পরেই উনি নির্ধারণ করে দেবেন।

তিনি বলেন, আমরা শহরের মানুষকে স্বস্তি দিতে চাই, সার্ভিস দিতে চাই এবং জনগণের মুখোমুখি থেকেই জনগণের কাজটি করতে চাই।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার বলেন, আজকে আমরা প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে সাক্ষাত করেছি। উনি আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, আমাদের সার্বিকভাবে সহযোগিতা করবেন। এই সিটি কর্পোরেশনে আমরা আগামী ছয় মাসের মধ্যে যে যে প্রকল্পগুলো নেব এবং সেটা যেন যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে পারি।

তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ যাতে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া থেকে মুক্তি পায়, সে লক্ষ্যে আমাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে সরকার আমাদের সব ধরনের সহযোগিতা দেবে। গাজীপুর যেহেতু একটি শিল্প এলাকা, এখানকার রাস্তাঘাটে প্রচুর ময়লা-আবর্জনা রয়েছে। এছাড়া ইন্টারনেটের তারগুলোও যত্রতত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। এসব নিয়ন্ত্রণে এনে শহরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার মাধ্যমে আগামী বর্ষার আগেই একে ‘গ্রিন সিটি’তে রূপান্তর করতে হবে। আমরা আগামী ছয় মাসের একটি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করার বিষয়ে সরকারকে কথা দিয়ে এসেছি এবং এই সময়ের মধ্যেই আমরা সব কাজ সম্পন্ন করব।

বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ