ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬ , ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে তৈরি করা হবে বিশ্বমানের কর্মসংস্থান

ঢাকা-৯ এর তরুণদের জন্য হাবিবের বিশেষ চমক

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ০৩-০২-২০২৬ ১২:১২:৩৬ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ০৩-০২-২০২৬ ১২:১৯:২০ অপরাহ্ন
ঢাকা-৯ এর তরুণদের জন্য হাবিবের বিশেষ চমক ফোকাস বাংলা নিউজ
ঢাকা-৯ আসনের একটি বিকেল তরুণদের আড্ডা, প্রশ্ন এবং ভবিষ্যৎ ভাবনায় মুখর ছিল। সেই আড্ডাতেই বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিব তুলে ধরেন তার স্বপ্ন—ওয়ার্ডের গলি থেকে উঠে আসা তরুণরাই একদিন হবে বিশ্বমানের নাগরিক। হাবিবুর মতে, ঢাকা-৯–এর উন্নয়ন শুধু সড়ক, ব্রিজ বা ড্রেন নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে হবে তরুণদের চিন্তাভাবনা ও দক্ষতার বিকাশ।

তিনি বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডে লুকিয়ে থাকা মেধাবী ও বেকার যুবকদের যদি প্রয়োজনীয় সুযোগ ও দক্ষতা দেওয়া যায়, তবে তারা নিজেই এলাকার ভাগ্য বদলের কারিগর হতে পারে। তিনি মনে করান, “মুখভরা বুলি আর বুকভরা নিরাশা দিয়ে কিছুই হবে না। সময় এসেছে বাস্তব পরিবর্তনের, আর সেই পরিবর্তন যেন শুরু হয় ঢাকা-৯ থেকে। এটি আমার স্বপ্ন।”

তরুণদের জন্য বাস্তবসম্মত ভাবনা নিয়ে হাবিবুর সঙ্গে আলাপকালে তিনি ‘ওয়ার্ড বয় টু গ্লোবাল বয়’ ধারণাটি সামনে আনেন। এর লক্ষ্য হলো ঢাকা-৯-এর প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে তরুণদের বাছাই করে তাদের আধুনিক দক্ষতা, আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও বৈশ্বিক কর্মসংস্থানের জন্য প্রস্তুত করা। তার আশা, তরুণরা শুধু দেশেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, আন্তর্জাতিক পর্যায়েও ছড়িয়ে পড়বে।

পরিকল্পনার মূল পয়েন্টগুলো হলো:

ওয়ার্ডভিত্তিক স্কিল ডেভেলপমেন্ট: প্রতিটি ওয়ার্ডে ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করা হবে, যেখানে ফ্রিল্যান্সিং, আইটি ও যোগাযোগ দক্ষতায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

চাকরির অপেক্ষা নয়, আয়ের পথ: তরুণদের শুধু চাকরির লাইনে দাঁড় করানো নয়, তাদেরকে আয়ের সক্ষম নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

লোকাল সমস্যা → গ্লোবাল সল্যুশন: স্থানীয় সমস্যা সমাধানে তরুণরা ডিজিটাল সল্যুশন ও ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে তুলবে, যা দেশ-বিদেশের বাজারে কাজ করার সুযোগ তৈরি করবে।

নারী ও অনগ্রসর তরুণদের অগ্রাধিকার: বিশেষ কোটা ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে, যাতে প্রতিভাবান শিক্ষার্থী পিছিয়ে না পড়ে।

খেলাধুলা ও নেতৃত্ব: শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে নেতৃত্ব ও দলগত দক্ষতা বিকাশের সুযোগ দেওয়া হবে।

ধানের শীষের এই প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, “আমি ক্ষমতার রাজনীতি করি না, আমি জীবনমান বদলের রাজনীতি করি। ঢাকা-৯-এর তরুণরা যেন ওয়ার্ডের গণ্ডি পেরিয়ে বৈশ্বিক নাগরিক হতে পারে—এটাই আমার স্বপ্ন, এটাই আমার মিশন।”

তিনি উল্লেখ করেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’–এর সঙ্গে তার ভাবনা সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ। কেন্দ্রীয় পরিকল্পনাকে স্থানীয় বাস্তবতায় রূপ দেওয়ার অংশ হিসেবে তিনি ঢাকা-৯-এর প্রতিটি ওয়ার্ডকে তরুণদের জন্য একটি ল্যাবরেটরিতে পরিণত করার উদ্যোগ নিচ্ছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ‘ওয়ার্ড বয় টু গ্লোবাল বয়’ ধারণা বাস্তবায়ন হলে ঢাকা-৯ কেবল একটি সংসদীয় আসন হিসেবে নয়, বরং তরুণ নেতৃত্ব ও বৈশ্বিক নাগরিক তৈরির একটি পরীক্ষাগার হিসেবেও আবির্ভূত হবে। 

এ বিষয়ে ওই আড্ডায় উপস্থিত তরুণদের একাংশ মন্তব্য করেন, “আমরা চাই এমন প্রার্থী যিনি শুধু প্রকল্প নয়, আমাদের ভাবনা ও দক্ষতাকেও গুরুত্ব দেন। এই পরিকল্পনা আমাদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।” অন্য একজন বলেন, “ওয়ার্ড থেকে বিশ্বপর্যায়ের নাগরিক হওয়ার স্বপ্ন সত্যি হলে, আমাদের ভবিষ্যত নিশ্চয়ই আরও উজ্জ্বল হবে।”

বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/নিরব

 


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ