ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬ , ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

​ছেলের হাঁস চুরির বিচার করায় ৩ জনকে কোপালেন ইউপি সদস্য

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ২৯-০১-২০২৬ ০৩:১২:০৯ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ২৯-০১-২০২৬ ০৩:১২:০৯ অপরাহ্ন
​ছেলের হাঁস চুরির বিচার করায় ৩ জনকে কোপালেন ইউপি সদস্য সংবাদচিত্র: সংগৃহীত
ঢাকার ধামরাইয়ে ইউপি সদস্যের ছেলের হাঁস চুরির ঘটনার বিচার করায় তিনজনকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করার অভিযোগ উঠেছে মুক্তিবুর রহমান মুক্তি নামে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খান।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ধামরাই সদর ইউনিয়নের হাজিপুর পশ্চিম পাড়া এলাকায়। আহতরা হলেন- আল আমিন (৩০), সোহরাব (৩৫) ও কায়কোবাদ (২৮)। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কায়কোবাদের মা আকলিমা আক্তার বাদী হয়ে ধামরাই থানায় একটি মামলা করেছেন।  আসামিরা হলেন - মুক্তি (৫৫), মোয়াজ্জেম (৩৫), সালাউদ্দিন (৪০), পাচু মিয়া (২২), শফিকুল (২৫), জাহানারা বেগম (২৮), আদম (২০) ও আবু বকর (২৫)। 

মামলা ও পরিবার সুত্রে জানা গেছে, ধামরাই ইউনিয়ন পরিষদের ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মুক্তিবুর রহমান মুক্তির ছেলে পাচু মিয়া ভুক্তভোগী আকলিমা আক্তারের বাড়ি থেকে হাঁস চুরি করে বিক্রি করেন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় লোকজন পাচু মিয়ার বিচার করে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
ভুক্তভোগীরা বলেন, পাচু মিয়া এলাকায় চুরিসহ নানা ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত। বাবা ইউপি সদস্য থাকায় অনেকেই তার বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পায় না। 

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী আকলিমা আক্তার বলেন, পূর্ব শত্রুতার কারণে সবসময় মুক্তিবুর মেম্বার আমাদের ওপর নির্যাতন করে যাচ্ছেন। গত সোমবার রাত সাড়ে আটটার দিকে আমার বাড়িতে অস্ত্র নিয়ে মুক্তিবুর মেম্বার বাড়ির গেট কুপিয়েছে। বিষয়টি আকলিমা আক্তার তার ভাই আল আমিন, দেবর সোহরাব ও ছেলে কায়কোবাদকে জানালে তারা বাড়ির দিকে আসতে থাকে। মুক্তিবুর রহমানের সন্ত্রাসী বাহিনী বাড়ির পাশে নির্জন রাস্তায় অবরোধ করে আল আমিন, সোহরাব ও কায়কোবাদকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে। তাদের চিৎকারে আশেপাশের লোকজন ছুটে এলে মুক্তিবুর মেম্বারের সন্ত্রাসী বাহিনী চলে যায়।

এ ঘটনায় আহত কায়কোবাদ, ভাই আল আমিন  ও দেবর সোহরাবকে ইসলামপুর সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়ার পর তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে ওই হাসপাতালে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ বিষয়ে মুক্তিবুর মেম্বারকে তার মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। এ বিষয়ে ওসি নাজমুল হুদা খান বলেন, এ ঘটনায় উভয় পক্ষ আহত হয়েছেন। উভয় পক্ষই মামলা করেছে। আইনি প্রক্রিয়া চলমান।

বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
 


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ